বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

ঐতিহ্যের সেই পালকি এখন বিলুপ্তির পথে

গ্রাম-বাংলার হাজার বছরের প্রাচীন বিয়ের ঐতিহ্য পালকি। এ বাহনে চড়া দারুণ মজা। বিয়ে উৎসবে পালকির কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। একটা সময় ছিল বিয়েতে পালকিই ছাড়াই বিয়ে হতো না। গ্রামীণ আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে, কখনও আলপথে বর-কনে পালকি চড়ে উভয়ের শ্বশুর বাড়িতে আসা-যাওয়ার আনন্দঘন একটা দারুণ সময় ছিল। গাঁও-গ্রামের পথে পালকিতে করে নববধূকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য উঁকি-ঝুঁকি দিয়ে মন জুড়াত গাঁয়ের বধূ, কখনও মা-চাচি, উঠতি বয়সের চঞ্চল মেয়েরাও বাদ পড়েনি। পালকি মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন ছিল।

সাধারণত বর-কনের জন্য পালকি হলেও এ বাহনটি ছিল রাজরাজাদের একমাত্র বাহন। আধুনিক আমলের গাড়ির প্রচলন ছিল না বলে অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা পালকিতে চড়েই যাতায়াত করত। পালকি রাজা-বাদশাদের জন্য চেয়ারের মতো করে নির্মাণ শৈলীতে তৈরি করা হতো। পালকির অপর নাম ছিল পালঙ্ক। এপার-ওপার দু’বাংলায় পালকি নামেই পরিচিত। তবে কোনো কোনো জায়গায় পালকিকে ডুলি বা শিবিকা ও দোলনা হিসেবেও চেনে।

বরকে যখন পালকিতে বেহারারা বহন করে নির্দিষ্ট ছন্দের তালে তালে, তাল মিলিয়ে নেচে-গেয়ে পা ফেলে চলত। তার অনুভূতি এখনও অনুভব করে বৃদ্ধরা। পালকি সচরাচর দু’রকমের হয়ে থাকে যেমন আয়না পালকি ও ময়ূরপঙ্খি নামেও স্থান পায় কোনো কোনো এলাকায়। পালকিতে পাখি, পুতুল ও লতাপাতার নকশা মানুষকে বিমোহিত করত।

গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে অনুষ্ঠানে বর-কনের জন্য পালকি ব্যবহারের নিয়ম প্রথা চালু ছিল। তবে প্রকৃতি থেকে একেবারে বিলীন না হলেও হয়তো কোথাও কোথাও এখনও টিকে আছে। তবে ধারণা করে যেতে পারে পালকি বিলুপ্তির পথে।

প্রাচীনকাল থেকেই রাজা-বাদশারা এবং জমিদার শ্রেণী ছাড়া বেহারাদের প্রতি তেমন একটা সুনজর ছিল না, কোনো রকমে বেহারাদের জীবন ও জীবিকা চলত। সেই সময়ে স্থায়ী বেহারা রাখা ছিল খুবই ব্যয়সাধ্য ব্যাপার। প্রাচীনকালে বাহকদের সাজ পোশাকেও ছিল রকমারি পাগড়ি পাশাপাশি গায়ে থাকত লাল রঙের ব্যয়সাধ্য জোব্বা। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন পালকি সাতক্ষীরায়াসহ সারা দেমে আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

সাতক্ষীরার জেলার আশাশুনি উপজেলার পালকি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, এখন অধিকাংশ লোকজন পালকিতে উঠে বিয়ে করতে চায় না। আধুনিক যুগের মাইক্রোবাস,প্রাইভেট নিয়ে বিয়ে করতে যায়। তাই পালকি বিলুপ্তির পথে। ফলে তারা পালকির ব্যবসা বাদ দিয়ে নতুন কোন ব্যবস্য করে ঘর-সংসার চালাতে হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় এইচএসসি’তে পাসের হার ৬৮%

কলারোয়া উপজেলার ১১টি কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিলবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার দেয়াড়ায় মাছের সাথে শত্রুতা!

কলারোয়ায় মাছের সাথে শত্রুতা! সেই শত্রুতায় বিষ দিয়ে আড়াই লাখবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
  • কলারোয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে ইউএনও
  • এবার কলারোয়ায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দরখাস্ত
  • কলারোয়ার জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগে মেম্বরের দরখাস্ত
  • কলারোয়ার ধানদিয়া থেকে সিংহলাল পর্যন্ত রাস্তা সংষ্কারে জনমনে স্বস্তি
  • কলারোয়ায় পৌর আ.লীগের কর্মী সমাবেশ ॥ দলীয় সদস্য ফরম বিতরণ
  • ‘ভালো শিক্ষার্থী হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়া জরুরী’ : কলারোয়ার ওসি মুনীর
  • কলারোয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু
  • কলারোয়ায় মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩ব্যক্তি আটক
  • কলারোয়ায় বসতবাড়িতে সবজি চাষে কৃষান-কৃষানী উদ্বুদ্ধকরণে কর্মশালা
  • কলারোয়ায় সাকসেস সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সংস্থার প্রশিক্ষণ
  • error: Content is protected !!