সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কাশ্মীরের একটি গ্রামের নাম ‘বাংলাদেশ’

কাশ্মীরকে বলা হয় ভূস্বর্গ। এতটাই দৃষ্টি নন্দন আর মনোরম এর প্রকৃতি। মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর থেকে শুরু করে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও মজেছিলেন এর অপরূপ রূপে। তার ‘বলাকা’ কাব্যগ্রন্থের কিছু কবিতা লিখেছিলেন কাশ্মীরে বসেই। অনিন্দ্য সুন্দর কাশ্মীরের মাটিতে মৃত্যুবরণ করতে চেয়েছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীর। কেবল বিখ্যাত ব্যক্তিরাই নন, প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ যান কাশ্মীর ভ্রমণে। বেড়ানোর জন্য আমাদের অনেকেরই প্রিয় স্থান এটা।

কিন্তু মজার কথা কি জানেন? এশিয়ার সুইজারল্যান্ড বলে খ্যাত কাশ্মীরেও আছে এমন এক টুকরো গ্রাম, যার নাম বাংলাদেশ।

কাশ্মীরে সবমিলিয়ে ২২ টি জেলা। শ্রীনগর থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তরে গেলে যে জেলা পড়বে তার নাম বান্ডিপুরা। এই বান্ডিপুরা জেলার আলুসা তহশিলে একটি গ্রামের নাম বাংলাদেশ। বিখ্যাত উলার হৃদের তীরে ভাসমান এই গ্রামে বাইরের লোকজনের খুব একটা আনাগোনা নেই।

বান্ডিপুরা-সোপুরের মধ্য দিয়ে মাটির রাস্তা ধরে পাঁচ কিলোমিটার হাঁটলেই দেখা মিলবে বাংলাদেশের, মানে ওই গ্রামের।স্বাভাবিকভাবেই আপনাদের মনে প্রশ্ন ওঠেছে ওই গ্রামের এমন নামকরণের কারণ কি? আপনি জেনে অবাক হবেন, কাশ্মীরের এই গ্রামটির সাথে ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের যোগসূত্র রয়েছে। ১৯৭১ সালে জুরিমন নামক এক গ্রামের ৫-৬টি ঘরে আগুন লাগে। আগুনের শিখায় জ্বলে পুড়ে যায় ঘরগুলো। গৃহহীন হয়ে পড়েন নিরীহ সাধারণ এই মানুষগুলো। তারা তখন পুড়ে যাওয়া জায়গা থেকে কিছুটা দূরে পার্শ্ববর্তী ফাঁকা জায়গায় সবাই মিলে ঘর তোলেন। সেই বছরই ডিসেম্বরে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সেই একই সময় গৃহহীন মানুষগুলো দুঃসময় মোকাবেলা করে শুরু করেন তাদের নতুন জীবন। তাই তারা তাদের নতুন গ্রামের নাম রাখেন বাংলাদেশ।

উলার হৃদের তীরে এই গ্রামটি সৌন্দর্যে কিন্তু কম যায় না! চারদিকে জল, পেছনে সুউচ্চ পর্বত, সব মিলিয়ে অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে গোটা গ্রাম জুড়ে। কিন্তু, নাগরিক কিছু সাধারণ সুবিধা এখনো ঠিক ঠাক ভাবে পৌঁছে না গ্রামবাসীর কাছে। তাই তারা কোনো বিদেশি দেখলে আশ্চর্য হয়। আর বিদেশিরাও তো সেখানে যান কদাচিৎ।

মাত্র ৭ বছর আগে কাগজে কলমে পৃথক গ্রামের মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ। বান্ডিপুরার ডিসি অফিস ২০১০ সালে এই আলাদা গ্রামের মর্যাদা দেন। ৫/৬ ঘর থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ গ্রামে এখন আছে পঞ্চাশেরও বেশি ঘর। তবে এই প্রজন্মের অনেকে গ্রামটির জন্ম ইতিহাস জানেন না। গ্রামবাসীর প্রধান জীবিকা মাছ ধরা। পাশাপাশি তারা পানি আর বাদাম সংগ্রহ করে থাকে।

উল্লেখ্য, ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে কাশ্মীরে।

গো নিউজ২৪/আই

একই রকম সংবাদ সমূহ

মন্ত্রীর যাওয়ার রাস্তায় দুই জীবিতকে কবর দিয়ে প্রতিবাদ!

সড়ক বেহাল। ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরেই দুরবস্থার অবসান হচ্ছেবিস্তারিত পড়ুন

শিগগিরই বাংলাদেশের সব টিভি চ্যানেল ভারতে দেখা যাবে: তথ্যমন্ত্রী

শিগগিরই বাংলাদেশের সব চ্যানেল ভারতে দেখা যাবে বলে আশা প্রকাশবিস্তারিত পড়ুন

ঝুঁকি নিয়ে ছবি তুলে আলোচনায় দম্পতি

জীবনের ঝুকি নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় এক দম্পতির ঝুলন্ত ছবিটি ইতোমধ্যেবিস্তারিত পড়ুন

  • এক বছর পরও নড়াচড়া করে মৃতদেহ!
  • ফুটবল স্টেডিয়াম হয়ে গেল ঘন জঙ্গল!
  • গাছের চারা খাওয়ার অপরাধে ২ ছাগল ‘গ্রেফতার’ !!
  • অদ্ভুদ কারণে এসব ডিভোর্স !!
  • বৃদ্ধ সেজে পালাতে গিয়ে বিমানবন্দরে গ্রেফতার যুবক!
  • বিশ্বের শীর্ষ নারী নেতৃত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
  • ক্ষমতা থাকলে হিন্দুদের দেশ থেকে বের করে দেখান: ভারত সরকারকে চ্যালেঞ্জ
  • মেয়ে জন্ম নিলেই লাগানো হয় ১১১টি গাছ!
  • এসএমএস’র উত্তর না দেওয়ায় স্বামীকে তালাক!
  • ভারত একজন অনুপ্রবেশকারীকেও থাকতে দেবে না -অমিত শাহ
  • ৭৪ বছরে যমজ সন্তান জন্ম দিয়ে গড়লেন বিশ্বরেকর্ড!
  • ২০১৯ দুর্গাপুজোয় মায়ের আগমন-গমন কিসে! এর ফলাফলে কোন প্রভাব পড়তে পারে