সোমবার, জুলাই ২২, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কেশবপুরে কক্ষ সংকটে বারান্দায় চলছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পাঠদান!

যশোরের কেশবপুর উপজেলার জাহানপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানাবিধ সংকটে এর পঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ওই বিদ্যালয়ে ডিজিটিাল হাজিরা ও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা রয়েছে। অথচ নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক, শ্রেণী কক্ষ, সুপেয় পানি, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাথরুমসহ খেলার মাঠ। কক্ষ সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলছে খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে বার বার উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হলেও অদ্যাবধি কোন সাহায্য মেলেনি।

সরেজমিন মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯১ সালে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ৪৫ শতাংশ জমির ওপর জাহানপুর উত্তর (রেজিঃ) প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। আশপাশে আর কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিদ্যালয়টি সুনামের সাথে এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। শিশু শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ১৫৫ জন শিক্ষার্থীর সার্বিক সেবায় বিদ্যালয়টিতে ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্যে ৬টি শ্রেণী কক্ষের প্রয়োজন থাকলেও ২০০০ সালে ৩ রুম বিশিষ্ট একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হয়। ফলে কক্ষ সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে শিক্ষকদের একই কক্ষে দু‘টি শ্রেণীর পাঠদান করাতে হয়। বর্তমান সরকারের সদিচ্ছায় ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটি সবদিক দিয়ে অবহেলিত।

পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রোকাইয়া খাতুন, সাকিবুল হাসান জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তাদের প্রতিষ্ঠানে যাওয়া আসার জন্যে কোন পাকা রাস্তা নেই। প্রায় ১ কিলোমিটার কাদা ভেঙে তাদের বিদ্যালয়ে আসতে হয়। নেই খাবার পানির ব্যবস্থা। তাদের ব্যবহারের জন্যে নেই কোন ল্যাট্রিন। ছোট ছোট শ্রেণী কক্ষ। এরপরও একই ক্লাসে চলে দুটি শ্রেণীর পাঠদান। এতে তাদের লেখাপড়া চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রোকেয়া খাতুন বলেন, বিদ্যালয়টি বর্তমান নানাবিধ সংকটে রয়েছে। এর একটি মাত্র বাথরুম সচল রয়েছে। প্রতিদিন এক কিলোমিটার দূর থেকে সুপেয় পানি আনতে হয়। ২০০৭ সালে গভীর নলকুপ বসানো হলেও তা দিয়ে বর্তমান পানি ওঠে না। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য ৬টি কক্ষের প্রয়োজন থাকলেও আছে মাত্র ৩টি। সংস্কারের অভাবে একমাত্র খেলার মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক বলেন, প্রতিষ্ঠানটি সরকারিকরণ করা হলেও তারা সবদিক দিয়ে অবহেলিত। শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি তার বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। কক্ষ সংকটের কারণে ইতোপূর্বে খোলা আকাশের নিচে চলতো শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বর্তমান বর্ষাকাল শুরু হওয়ায় বারান্দায় চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের একাধিক দপ্তরে আবেদন করেও কোন ফল হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকবর আলী বলেন, ওই বিদ্যালয়ের সমস্যার কথা ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জনানো হয়েছে। সরকারি অনুদান ছাড়া এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কোরবানী ঈদ : কলারোয়ায় জমে উঠতে শুরু করেছে গরু-ছাগলের হাট

ঈদুল আযহা বা কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরুবিস্তারিত পড়ুন

শার্শার বাগআঁচড়ায় একই সাথে ৩পুত্র সন্তানের জন্ম

আধা ঘন্টার সফল অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে পরপর ৩টি পুত্র সন্তানবিস্তারিত পড়ুন

কেশবপুরে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসাপাতালের উদ্বোধন

কেশবপুরে সোনালী ব্যাংকের ৩য় তলায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসাপাতালের উদ্বোধন করাবিস্তারিত পড়ুন

  • শার্শা সীমান্তে ফেন্সিডিলসহ ২ জন আটক
  • বেনাপোলে ৫লাখ রুপী ও ৪টি মোবাইলসহ ১জন আটক
  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জে গাঁজার গাছসহ একজন আটক
  • কেশবপুর পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঢাকায়, পৌরবাসি সেবা বঞ্চিত
  • কেশবপুরে মৎস্য সেক্টরে অগ্রগতি ও ফরমালিন বিরোধী অভিযান
  • চোরাচালান বেড়েছে বেনাপোল-খুলনা কমিউটার রেলে
  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জে কাঁচা ঝালে ঝাল বাড়ছে…
  • শনিবার মণিরামপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন, সভাপতি পদে ত্রি-মুখী লড়াই
  • কেশবপুরে অসহায় পরিবারকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের চক্রান্ত!
  • বেনাপোল-খুলনা কমিউটার রেলে চোরাচালান বেড়েছে
  • শার্শায় ডিফেন্স এক্স-সোলর্জাস ওয়েলফেয়ার’র আলোচনা সভা
  • কেশবপুরে ফলদ বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন
  • error: Content is protected !!