বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নাটকের অংশ না হই প্লিজ…!

খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। ধানমন্ডির পথে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ দেখি গড়নে সুশ্রী এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে! খুব কম করে হলেও ২৫-৩০ জন লোক ওখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন!

গাড়ি থেকে নেমে যখন জিজ্ঞেস করতে গেলাম কেন মারছেন তিনি? দেখলাম আহত হওয়া ব্যক্তি একজন বিশেষ (বুদ্ধি প্রতিবন্ধী) মানুষ! মাথায় আগুন ধরে গেলেও নিজেকে স্থির রেখে সুশ্রী ভদ্রলোককে জিজ্ঞেস করলাম, কেন মারছেন?

ভদ্রলোকের কনফেকশনারির সামনে শুধু একটা কলার খোসা ফেলেছে, এতেই তার পুরুষত্বে দারুণ আঘাত লেগেছে। লোকাল থানা পুলিশকে ডাকতে যাচ্ছি ঠিক তৎক্ষনাৎ ভিকটিমের মা এসে বললেন, বাবা পুলিশ ডেকেন না, উনারা আমাগো পরিচিত।

ইউনিফর্ম ছাড়া এই আমার প্রতিবাদের কারণেই সম্প্রতি এমবিএ সম্পন্ন করা ভদ্রলোক করজোড়ে মাফ চেয়েছেন সকলের কাছে। এই লোকের হিসেবটা বাদই দিলাম! আমরা যারা ২৫-৩০ জন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা নিচ্ছিলাম, সরাসরি প্রতিবাদ করার পুরুষত্বটুকু নাইবা ছিল, ৯৯৯ য়ে একটা ফোন করেও কি প্রতিবাদ করা যেতো না! আপনাদের, আমাদের এই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নাটক দেখার সংস্কৃতিই একসময় নিজেদের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে!

খুব ছোটবেলায় দূরে কোথাও যেন না যাই, এজন্য মা বলতেন দূরে যেওনা ‘ছেলে ধরা’ ধরে নিয়ে যাবে! তাও বলছি প্রায় ২৫-২৬ বছর আগের কথা। এরপর একটা সময় পর এই ছেলে ধরার অস্তিত্ব প্রায় বিলীন হয়ে গেলো, আমাদের সাধারণেরই নানামুখী সচেতনতার কারণে। হঠাৎ করেই ছেলেধরা বিষয়টি নিয়ে আবার রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। আপনার সন্তানের সুরক্ষা আপনি অবশ্যই নিশ্চিত করবেন। কিন্তু সেটি করতে গিয়ে আরেক সন্তানের বুক খালি করার অধিকার আপনাকে কে দিয়েছে? আপনি কোনো কিছু যাচাই না করেই একজন জীবন্ত মানুষকে মেরে ফেলছেন! যাচাই করেও তো মেরে ফেলবার অধিকার নাই আপনার।

কত শত প্রয়োজন, অপ্রয়োজনে অনেকেই ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ য়ে ফোন করছেন অথচ এরকম আদিম যুগের বর্বরতা দেখে একটা ‘টুঁ’ শব্দও কেউ করছেন না! দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নাটক উপভোগ করছেন। কোথাও কি একজন বিবেচক মানুষ থাকেন না, যিনি একটু বলবেন আসেন পুরো বিষয়টি জানি বা নিকটস্থ পুলিশকে খবর দেই। এভাবে কারো প্রাণ নিয়ে নেয়ার অধিকার আমাদের নেই।

আপনি ছেলেধরা সন্দেহে কাউকে পিটিয়ে মারছেন- জেনে রাখুন আপনি একজন খুনী! আপনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছেন জেনে রাখুন, ‘আপনি একজন বা কয়েকজন খুনীর সহযোগী।’ আপনি সাধারণ মানুষের নামের পাশে খুনী তকমা লাগলে খুব ভাল তো লাগার কথা নয় আপনার!

এদেশে আমরা প্রায় অনেকেই সকলের কাজ বুঝি শুধু নিজের কাজটুকু ছাড়া!

আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আশেপাশে ছেলেধরা বলে কাউকে সন্দেহ হলে দয়া করে নিকটস্থ পুলিশে খবর দিন, তা না পারলে ৯৯৯-এ ফোন করুন। তারপরও দয়া করে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কোনো নাটকের অংশ হয়ে থাকবেন না…
লেখক : অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন), ওয়ারী বিভাগ, ডিএমপি, ঢাকা।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

একই রকম সংবাদ সমূহ

সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ১৬৬৭০ হাজি

হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে ঝামেলাবিহীনভাবে মোট ১৬ হাজারবিস্তারিত পড়ুন

হজ থেকে ফিরে হাজিরা যে আমল করবেন

হজ থেকে ফিরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‍আমল আছে যা রাসুল সা.বিস্তারিত পড়ুন

চামড়া নিয়ে একটি চক্র খেলায় মেতেছে : তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। কিন্তু সেই হিসেবে ট্যানারির সংখ্যাবিস্তারিত পড়ুন

  • দেবহাটায় নিজের গড়া রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শনে উপসচিব তরিকুল ইসলাম
  • চামড়ার বাজারে নৈরাজ্য, রেকর্ড পরিমান কম দাম
  • কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত সরকারের
  • ডিএমপি কমিশনারের চাকরির মেয়াদ বাড়ল এক মাস
  • জাতীয় দলের ক্রিকেটার সৌম্য সরকারের বাবা কিশোরী মোহন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত
  • শত প্রতিকূলতার মধ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
  • ঢাকার বর্জ্য অপসারণে মাঠে নেমেছে ১৪ হাজার কর্মী
  • ঈদ জামাতে ডেঙ্গু থেকে রক্ষায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত
  • ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
  • ত্যাগের বার্তা নিয়ে এলো ঈদুল আজহা
  • কাশ্মীর ইস্যুতে র‌্যাব ডিজির হুঁশিয়ারি
  • ডেঙ্গু নিরসনে বিভিন্ন হাসপাতালে কাজ করছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হক এমপি