রবিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

নড়াইলে প্রযুক্তির দাপটে বিলিন মৃৎশিল্প

নড়াইলের মৃৎশিল্পীরা ভালোবাসা ও মমতা দিয়ে নিপুন হাতে কারু কাজের মাধ্যমে মাটি দিয়ে তৈরি করে থাকেন নানা তৈজসপত্র। তাদের জীবন জীবিকার হাতিয়ার হলো মাটি। কিন্তু কালের বিবর্তনে তাদের ভালোবাসার জীবিকা ফিকে হতে বসেছে। দিন যতই যাচ্ছে, ততই বাড়ছে আধুনিকতা। আর এই আধুনিকতা বাড়ার সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরি শিল্পপণ্যগুলো। এক সময় মাটির তৈরি তৈজসপত্রের প্রচুর ব্যবহার ছিল। সেই তৈজসপত্রের স্থান দখল করে নিয়েছে এ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের তৈরি তৈজসপত্র। এ সবের দাম বেশি হলেও অধিক টেকসই। তাই টাকা বেশি হলেও এ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের তৈরি তৈজস পত্রই কিনে থাকে সাধারণ মানুষেরা। কাঁচ,প্লাস্টিক আর মেলামাইনের ভিড়ে এখন মাটির তৈরি ঐ জিনিসপত্র গুলো প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে পাড়ছে না। সেই সাথে এই শিল্পের সাথে জড়িতের জীবন ধারনও কঠিন হয়ে পড়ছে। মানবতার জীবন যাপন করছে প্রতিভাবান নড়াইলের মৃৎ শিল্পীরা।

ফলে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী নড়াইলের মৃৎশিল্প।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নড়াইলের কুমার পরিবার দিন রাত একাকার করে মাটি দিয়ে তৈরি করছে বিভিন্ন মৃৎ-পণ্য। এই সব মৃৎ শিল্পীরা মাটি দিয়ে তৈরি করছেন পুতুল, ফুলের টব, কুয়ার পাত, হাঁড়ি পাতিল সহ বিভিন্ন নৃত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। পরে সেগুলোকে তারা নড়াইল শহরের দোকান এবং বাসা বাড়িতে বিক্রয় করে থাকেন কিন্তু এখন মৃৎ শিল্পের ব্যবহার তেমন চোখেই পরে না। আগে নড়াইলের মিষ্টি মাটির পাত্রে বিক্রি করা হত। বর্তমানে এক মাত্র দৈ ছাড়া অন্য কোন মিষ্টান্ন বিক্রির ক্ষেত্রে মাটির পাত্র ব্যবহার করা হয় না। এখন সৌখিন জিনিসপত্র এবং কুয়ার পাতই একমাত্র ভরসা। কিন্তু সঠিক দাম নাম পাওয়ায় আর বর্তমান অবস্থায় কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছে এ সকল কারিগররা।

বর্তমানে নড়াইলের গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন উৎসব, মেলায় তৈরি খেলনা পুতুল ছাড়া অন্য কোন মৃৎ শিল্পের গ্রাহক নেই বললেই চলে। অ্যালুমিনিয়াম, প্লাস্টিক ও স্টিলের জিনিসপত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে নড়াইলের মৃৎশিল্প আজ বিলুপ্তির মুখে পড়েছে। এ পেশায় জড়িত বিশেষ করে এটাই যাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন তাদের জীবনযাপন একেবারেই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে নড়াইলের জয়ীতা পাল বলেন, বর্তমানে এলুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের কারনে মাটির তৈরী জিনিস পত্র চলে না। ফলে আমাদের জীবন ধারন কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তবুও দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জন্য আমরা এই কাজ করে যাচ্ছি। সরকার যদি সুদ মুক্ত ঋনের ব্যবস্থা করতো তা হলে বাপ-দাদার এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারতাম। পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে পারতাম। মৃৎ শিল্পে সরকারী সহযোগিতা করানা হলে নড়াইলের কালের বির্বতনে মৃৎ শিল্প আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

চীন সফরে যাচ্ছেন দৈনিক আমাদের সময়’র কুটনৈতিক প্রতিবেদক কলারোয়ার মামুন

চীন সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ চায়না ইয়ুথ ক্যাম্পে যোগ দিতে দেশটিতেবিস্তারিত পড়ুন

নড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী

নড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবারবিস্তারিত পড়ুন

২ মিনিটে রিপ্লাই, ১ মিনিটে সমস্যার সমাধান দিলেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

ডাক অধিদপ্তরের একটি নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবার। তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • এমপির পছন্দের ব্যক্তিই হবেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি
  • বাগেরহাটের শরণখোলায় সুশীলনের উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের সভা
  • নড়াইলে সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গরিবের এসি ঘর
  • ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তায় ফেসবুকে নতুন ফিচার
  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না : তথ্যমন্ত্রী
  • কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে পুলিশসহ নিহত ২
  • সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ১৬৬৭০ হাজি
  • কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরে অঙ্কে ‘ শীর্ষে কুরআনে হাফিজ সিরাজুল হক
  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
  • ডেঙ্গুজ্বর দুর্নীতি ও ধর্ম ব্যবসার গজব
  • হস্তান্তরের ৩ মাসেই ভেঙে পড়লো ব্রিজ