রবিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

প্রভাব পড়তে পারে বোরো আবাদেও

পানির অভাবে কেশবপুরে পাট নিয়ে বিপাকে কৃষকরা..

যশোরের কেশবপুরে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারনে কৃষকরা পাট পচাতে পারছেন না। পানি নেই খানাখন্দ, পুকুর, জলাশয় কোথাও। ভূগর্ভের পানি সেচ দিয়ে পাট চাষ করেছিলেন চাষীরা করলেও ফলন ভালো হয়নি বৃষ্টির অভাবে। পানির জন্য চাষীদের মধ্যে হতাশ হয়ে পড়েছেন। কৃষি অফিস থেকে চাষীদের পাটের ছাল বের করে মাটির নিচে পুতে পাটের রিবন রেটিং করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। রিবন রেটিং করতে চাষিরা মেশিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।

কৃষি অফিসার মনির হোসেন সকালের সময়কে জানান, এ বছর কেশবপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্র ছিল ৭ হাজার হেক্টর জমিতে। চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৬শ’ ৮০ হেক্টর জমিতে। গত বছর পাট চাষ হয়েছিল লক্ষ্যমাত্রার অনেক বেশী। পানির অভাবে এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। পাট রোপনের সময় বৃষ্টিপাত না থাকায় কৃষকরা স্যালো মেশিন দিয়ে ভূগর্ভের পানি তুলে পাট চাষ করেছেন। আর আকাশ পানি না পাওয়ায় পাটের ফলনও ভাল হয়নি। সারা বছর বৃষ্টি হয়নি বলে বর্তমানে খাল, বিল, নালায় পানি নেই। সেকারনে কৃষকদের এক মিটার গর্ত ও ৮ মিটার চওড়া করে সেখানে পাট প্রক্রিয়া করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে কৃষকরা জানিয়েছেন, অফিস থেকে পাটের আশ ছাড়ানোর কোন মেশিন সরবরাহ করা হয়নি। তিনি আরও জানান, পানির অভাবে পাট কাটতে দেরি হওয়ায় এবার বোরো আবাদেও এর প্রভাব পড়তে পারে। সেজন্য এবারের ৮ হাজার ৮শ’ হেক্টর বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে আশংকা দেখা দিয়েছে।

অনেকেই পাট কাটছেন না। আবার অনেক কৃষকরা পাট পচাতে শুকনো খালে, পুকুরে সেচযন্ত্র দিয়ে ভূগর্ভের তুলে পাট পচানো চেষ্টা করছেন। বাগদাহ গ্রামের রফিকুল ইসমান জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে এবার পাট চাষ করেছেন। সেচ পানি দিয়ে আবাদ করে এখন পাট পচানোর জায়গা পাচ্ছেন না। শনিবার সকালে তিনি স্যালো মেশিন দিয়ে ভূগর্ভের পানি পুকুরে তুলে সেখানে পাট পচানোর চেষ্টা করছেন। কাকিলাখালী গ্রামের কল্লোল দাস জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে পাঠ চাষ করেছেন কিন্তু পানি অভাবে পাট কাটছেন না। সাতবাড়িয়া গ্রামের আমজাদ হোসেন জানান, দুই বিঘা জমির পাট পানির অভাবে কাটছেন না। ওই আনছার দফাদার, অমেদ আলী মোড়ল, কুদ্দুস দফাদার, খোকন সরদার, মঙ্গলকোট গ্রামের মোশারফ হোসেন মোড়ল, গোলাম মোস্তফা মোড়ল, রকি গোলদার, মজিবর গাজীর মতো অনেক কৃষকই পানির অভাবে পাট পচাতে (জাগ) পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

কেশবপুর প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষক পাট কেটে ওই জমিতে বোরো আবাদ করে থাকেন। সেজন্য কৃষকরা পাট কাটতে না পেরে হতাশয় পড়েছেন। কৃষকদের মধ্যে পানির জন্য হাহাকার বিরাজ করছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

চৌগাছায় শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৫তম জন্মাষ্টমী পালিত

যুগাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৫তম জন্মদিন তথা শুভজন্মাষ্টমী শুক্রবার(২৩ অগস্ট) যশোরেরবিস্তারিত পড়ুন

বেনাপোল সীমান্তে ফেনসিডিল ও ভারতীয় মালামালসহ আটক-১

যশোরের শার্শার বেনাপোল সীমান্ত থেকে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ভারতীয়বিস্তারিত পড়ুন

মনিরামপুরের রাজগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাকে শারিরীক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মনিরামপুরের রাজগঞ্জের ঝাঁপা গ্রামের জসীম উদ্দিন কুতুব কর্তৃক বীর মুক্তিযোদ্ধাবিস্তারিত পড়ুন

  • ঝিকরগাছায় শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৫তম জন্মাষ্টমী পালিত
  • কেশবপুর জন্মাষ্টামী পালিত
  • কেশবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় ২ গৃহবধূ আহত
  • রাজগঞ্জে এবি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন
  • মণিরামপুরে ডেঙ্গু জ্বরে শ্রমিকের মৃত্যু
  • বেনাপোলে আমদানিকৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির দায়ে চোর আটক ।। ব্যাটারি, লোড জগ উদ্ধার
  • কেশবপুরের সুফলাকাটিতে শোক দিবসের আলোচনা সভা
  • বেনাপোলে পিস্তল, গুলি, ম্যাগজিন ও গান পাউডারসহ যুবক আটক
  • রাজগঞ্জে পোল্ট্রি ফার্মের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
  • শার্শায় গরু বোঝায় নছিমন উল্টে ব্যবসায়ী নিহত, চালক আহত
  • শার্শার বসতপুরে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা
  • বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ৮ বাংলাদেশি নারীকে ফেরত দিলো বিএসএফ