রবিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

যাহা বুঝি না তাহা করি না…

আজ পর্যন্ত শেয়ার মার্কেট থেকে টাকা পাচার হবার যত সংবাদ পত্রিকায় পড়েছি, সব টাকা যোগ করা হলে দেশ এতদিনে টাকা শূন্য থাকার কথা। সব সময় শুনি হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে। গতকালও দেখলাম একটি পত্রিকা নিউজ করেছে ২৭ হাজার কোটি টাকা নাকি শেয়ার মার্কেট থেকে উধাও হয়ে গেছে।

আমি শেয়ার মার্কেট বুঝি না।

যখন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম তখন লোভে পরে ওখানে শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করে কিছু ধরাও খেয়েছিলাম। তাই দেশেও কখনো এই ব্যবসায় ঢুকিনি। যাহা বুঝি না তাহা করিনা এই ব্রততেই এখনো আছি।

যারা শেয়ার মার্কেট ভালো বুঝেন, তাদের বেশ কয়েক জনকে আমি চিনি। আজ তাদের জিজ্ঞাসা করলাম, আসলে টাকা উধাও হবার বিষয়টা কি। যা বুঝলাম তার মোদ্দা কথা হলো টাকা কখনো উধাও হয় না। বিষয়টি জিনিসপত্রের দাম উঠা-নামার মতোই পরিষ্কার। মনে করেন, কাওরান বাজারে আজ একবস্তা চালের দাম এক হাজার টাকা, কাল এটার দাম ৯০০ টাকাও হতে পারে, আবার এরপর দিন ১২০০ টাকাও হতে পারে।

দাম কমে যাওয়ার মানে এই না যে কাওরান বাজার থেকে ১০০ টাকার চাল উধাও হয়ে গেছে। আবার দাম বাড়ার মানে এই নয় যে হাওয়া থেকে কাওরান বাজারে ২০০ টাকার চাল চলে এসেছে।
আসলে শেয়ার মার্কেটের টাকা উধাও ব্যবসার লাভ লোকসানের মতোই। অর্থনীতির ভাষায় এটাকে বলে মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন। অর্থাৎ শেয়ার বাজারের সূচক বাড়লে টোটাল ক্যাপিটাল বেড়ে যায়, সূচক কমলে টোটাল ক্যাপিটাল কমে যায়। গ্রামীণ ফোনের মতো বড় কোম্পানির শেয়ারের দাম ১০ টাকা কমে গেলেই টোটাল মার্কেটে নাকি দ্বিগুণ অর্থাৎ ২০ টাকার মতো দরপতন হয়, অন্যান্য কোম্পানির শেয়ার এর দাম না কমলেও এই দরপতনের সূচক নিয়ে মিডিয়াতে হায় হায় রব উঠে যায়।

সবশেষ একটি গল্প দিয়ে শেষ করি, ১৯২৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শেয়ার বাজারে একবার ব্যাপক পতন হয়েছিল। সব ব্যবসায়ীরা লোকসান করলেও একজন শুধু লাভ করেছিলেন। তিনি হচ্ছেন জোসেফ কেনেডি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির বাবা। সবাই অবাক হয়েছিলেন, যে উনি কিভাবে লাভবান হলেন। রহস্য হলো, একদিন জোসেফ কেনেডি নিউইয়র্ক স্টক মার্কেটে ঢুকার আগে জুতা পলিশ করাচ্ছিলেন। তখন মুচি উনাকে ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করেছিল স্যার আজ কোন শেয়ারটা কিনলে লাভ করা যাবে। উনি এর কোনো উত্তর দেননি।

সরাসরি মার্কেটে ঢুকলেন এবং নিজের সকল শেয়ার বিক্রি করে সব বিনিয়োগ ফেরত নিয়ে আসলেন। এর মাত্র তিনদিন পরই মার্কেটে ব্যাপক পতন ঘটে। তিনি বলেছিলেন, যে দেশে মুচি (অর্থাৎ যিনি শেয়ার মার্কেট বুঝেন না) শেয়ার ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগ করে, সেখানে শেয়ার ব্যবসা কোনদিন লাভবান হবে না। সফল এই ব্যবসায়ী এরপর আর কোনো দিন শেয়ার ব্যবসা করেননি।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক :
সৃষ্টিশীল চিন্তা, দায়িত্বশীল মনোভাব ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের আধুনিকায়ন ও প্রেস উইংকে গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন আশরাফুল আলম খোকন

☆ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব;

☆ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক;

☆ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী;

☆ চ্যানেল আইয়ের নর্থ আমেরিকার সাবেক প্রধান কর্মকর্তা;

☆ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

২ মিনিটে রিপ্লাই, ১ মিনিটে সমস্যার সমাধান দিলেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

ডাক অধিদপ্তরের একটি নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবার। তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদেরবিস্তারিত পড়ুন

এমপির পছন্দের ব্যক্তিই হবেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি

সংসদ সদস্যের পছন্দের ব্যক্তিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি করারবিস্তারিত পড়ুন

তৃতীয় ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

তৃতীয় ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী’র সংকলনেবিস্তারিত পড়ুন

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • একুশ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড তারেকের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত : ওবায়দুল কাদের
  • গ্রেনেড হামলার দায় খালেদা জিয়া এড়াতে পারেন না : তথ্যমন্ত্রী
  • একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা
  • সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ১৬৬৭০ হাজি
  • হজ থেকে ফিরে হাজিরা যে আমল করবেন
  • চামড়া নিয়ে একটি চক্র খেলায় মেতেছে : তথ্যমন্ত্রী
  • দেবহাটায় নিজের গড়া রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র পরিদর্শনে উপসচিব তরিকুল ইসলাম
  • চামড়ার বাজারে নৈরাজ্য, রেকর্ড পরিমান কম দাম
  • কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত সরকারের
  • ডিএমপি কমিশনারের চাকরির মেয়াদ বাড়ল এক মাস
  • জাতীয় দলের ক্রিকেটার সৌম্য সরকারের বাবা কিশোরী মোহন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত