বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

প্রস্তুত ১৬০টি আশ্রয়কেন্দ্র

সাতক্ষীরার ফণী প্রভাবে ৩০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। প্রচন্ড গরম ও গুমোট ভাব লক্ষ্য করা গেছে। এরই মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট গুলি যে কোনো মূহুর্তে ধসে যেতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে।
কয়েকস্থানে বেড়ি বাঁধ উপচে পানি উঠতে শুরু করেছে। শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুর এবং আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ও আনুলিয়া ইউনিয়নে বেড়িবাঁধগুলি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সেখানে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসের গতিবেগও বেড়ে যাচ্ছে।
এদিকে জেলার ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শ্যামনগর ও আশাশুনির ১০ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে এসেছেন। ১৩৭ টি সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, মিলনায়তন খুলে রাখা হয়েছে। আশ্রয় গ্রহনকারীদের জন্য পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন মোট ১১৬ টি মেডিকেল টীম এখন মাঠে রয়েছে। সিপিপির চার হাজার স্বেচ্ছাসেবকের সাথে জনপ্রতিনিধিদের কর্মী বাহিনী,যুব কেন্দ্রের সদস্যরা কাজ করছেন। পৃথকভাবে পুলিশও মাঠে রয়েছে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কিভাবে সবচেয়ে ক্ষতি হয় সে বিষয় নিয়ে কাজ করছেন। ফায়ার ব্রিগেড, কোষ্ট গার্ড, আনসাল সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছে। জেলা সব উপজেলায় একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সাতক্ষীরার ১৩ শ’ জনপ্রতিনিধি তাদের নিজ অবস্থান থেকে ফণী মোকাবেলায় সাধ্যমত কাজ করছেন।
জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল শুক্রবার( ৩ এপ্রিল) বেলা ১২ টায় তার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেসব্রিফিং করে এসব তথ্য দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন ক্ষয় ক্ষতি সবচেয়ে কম যাতে হয় সেজন্য আমরা চেষ্টা করছি। সকল এলাকায় লাল পতাকা তুলে মাইকিং করে জনগনকে সতর্ক করার কাজ চলছে।
প্রেস ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক, পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান এবং সিভিল সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১৬০ টি আশ্রয় কেন্দ্র, ৩০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাতক্ষীরায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। দুপুর ১২ টা থেকে ঝড়ো হাওয়া ও গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। তবে, আবহাওয়া গুমোট রয়েছে। এরই মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট গুলি যে কোনো মূহুর্তে ধসে যেতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে। কয়েকস্থানে বেড়ি বাঁধ উপচে পানি উঠতে শুরু করেছে। শ্যামনগরের গাবুরা ও পদ্মপুকুর এবং আশাশুনির প্রতাপনগর ও আনুলিয়া ইউনিয়নে বেড়িবাঁধ গুলি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাতাসের গতিবেগও বেড়ে যাচ্ছে।
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল বিকাল ৪ টায় এক প্রেস ব্রিফিং এ জানান, জেলায় ১৬০ টি আশ্রয় কেন্দ্র ও ১১৮ টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে প্রায় ৩০ লোক আশ্রয় গ্রহন করেছেন বলে তিনি জানান। জেলায় এখনও ৭ নং সতর্ক সংকেত রয়েছে। জেলার তিনটি ঝুঁকিপূর্ন উপকুলীয় উপজেলা শ্যামনগর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জে সবধরনের প্রস্তুতি নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। অপর চারটি উপজেলায়ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় এলাকার জেলে-বাওয়ালীদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উপকুলীয় উপজেলা আশাশুনি ও শ্যামনগরে ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে মেডিকেল টিম ও স্বেচ্ছাসেবক টিম প্রস্তুত, ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার, শুকনা খাবার মজুদ রাখা, ওষুধের পর্যাপ্ততা নিশ্চিতকরণসহ দুর্যোগ মোকাবেলায় সম্ভাব্য সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করার কথা জানানো হয়। ইতিমধ্যে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার অফিসসহ বিভিন্ন উপজেলায় একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। এসব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সতর্ক সংকেত হিসাবে লাল পতাকা উত্তোলনসহ মাংকিং করে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহবান জানানো হচ্ছে। তিনি আরো জানান, জেলায় দুর্যোগ মোকাবেলায় ২৭’শ প্যাকেট শুকনা খাবার, ৩১৬ মেট্রিক টন চাল, ১১ লক্ষ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা, ১১৭ বান টিন, গৃণ নির্মাণে ৩ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ও ৪০ পিস শাড়ি মজুদ আছে।
এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়ার পর্যন্ত জেলার সকল সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্ম এলাকায় থাকতে বলা হয়েছে।##

একই রকম সংবাদ সমূহ

দূর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ : হতভাগা পলিথিন ঘরের বাসিন্দা বনাম ভাগ্যবান স্বচ্ছল ব্যক্তি

আব্দুর রহমান বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী’র সংকলনে লেখা আহবান ।বিস্তারিত জানতেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার বোয়ালিয়া মহিলা মাদ্রাসায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা

কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া আদর্শ মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় দুর্নীতিবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় এইচএসসি’তে পাসের হার ৬৮%
  • কলারোয়ার দেয়াড়ায় মাছের সাথে শত্রুতা!
  • কলারোয়ায় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
  • কলারোয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে ইউএনও
  • এবার কলারোয়ায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দরখাস্ত
  • কলারোয়ার জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগে মেম্বরের দরখাস্ত
  • কলারোয়ার ধানদিয়া থেকে সিংহলাল পর্যন্ত রাস্তা সংষ্কারে জনমনে স্বস্তি
  • কলারোয়ায় পৌর আ.লীগের কর্মী সমাবেশ ॥ দলীয় সদস্য ফরম বিতরণ
  • ‘ভালো শিক্ষার্থী হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়া জরুরী’ : কলারোয়ার ওসি মুনীর
  • কলারোয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু
  • কলারোয়ায় মাদক ব্যবসায়ীসহ ৩ব্যক্তি আটক
  • error: Content is protected !!