শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৫

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আমলাদের সেই বিবৃতির প্রতিবাদে ব্যারিস্টার সুমন যা বললেন

ব‌রিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসায় হামলার ঘটনায় আমলাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দেওয়া বিবৃতিতে ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত’ শব্দ ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আলোচিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এক ভিডিও বার্তায় ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত’ কারা, তা বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কাছে জানতে চেয়েছেন ব্যারিস্টার সুমন।

বুধবার রাতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ব্যানার খোলাকে কেন্দ্র করে নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলার অভিযোগ এনে সিটি করপোরেশন কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর গুলি ছোড়ে আনসার সদস্যরা। এতে মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহ, প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন সহ ৩০ জন আহত হয়। পরে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষুদ্ধ হলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাঁধে।

এ ঘটনায় পুলিশ ও ইউএনও মুনিবুর রহমান বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন। যাতে ৬০২ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে করা হয়েছে প্রধান আসামি।

এদিকে ইউএনও’র বাসায় হামলার জেরে পু‌লিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দেয় বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। বিবৃতিতে বলা হয়, বরিশালের ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের এক জরুরি সভা ডাকা হয়।

সভায় আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে- ‘আইনের মাধ্যমে দুর্বৃত্তদের মোকাবিলা করা হবে’ এবং ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তারা বরিশালের ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ করে দেখেছেন যে, সরকারি কর্তব্য পালন করতে গিয়ে একজন নির্বাহী অফিসার কীভাবে ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের’ দ্বারা হেনস্থা হয়েছেন।

আমলাদের এমন বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে শুক্রবার রাতে ‘রাজনীতিবিদরাই বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আমলারাই সবসময় সুবিধাবাদী হয়’ শিরোনাম দিয়ে একটি ভিডিও আপলোড দেন ব্যারিস্টার সুমন। সেই বার্তায় ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত’ কারা, আমলাদের এই সংগঠনের কাছে জানতে চান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আজকে অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে দুই-একটি কথা বলতে আসছি। আপনারা জানেন যে বরিশালের ঘটনা নিয়ে কোনো কথা বলার ইচ্ছা আমার ছিল না। কিন্তু আজকে আমলাদের যে অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রেস রিলিজ দেখলাম, যেটায় বলা হয়েছে ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের বিচার হবে।’ তখন আমার মনে হয়েছে দুই-একটা কথা বলা দরকার।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘আপনারা কাদেরকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত বলছেন? আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে জনপ্রিয় মেয়র (যিনি নৌকার নির্বাচন করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন, একজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন) তাকে? তাদেরকে আপনারা রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত বলেন, যে মানুষগুলো বাংলাদেশের সৃষ্টি করল; যে মানুষ বাংলাদেশের সৃষ্টি করতে গিয়ে নিজের পরিবারের অনেকগুলা মানুষকে হারিয়েছে? আমি আপনাদেরকে বলতে চাই, এই পরিবারের কাউকে যদি আপনারা রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত বলেন, তাহলে তো আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের কোনো ভ্যালুই থাকবে না।

বরিশাল সদরের সেই ইউএনওর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন, এই ইউএনও সাহেব দাবি করেছেন তিনি একসময় ছাত্রলীগ করতেন এবং তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক ছিলেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করতে চাই, আপনি যদি সত্যিই দলের ভালো চাইতেন তাহলে যদি কোনো কারণে কোনো অন্যায় হয়ে থাকে, তাহলে আপনি এটাকে মিটমাট করতে পারতেন। আপনি চাইলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার দিতে পারতেন।

বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আপনি এমন একটা পরিবারের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত’ তকমা দিচ্ছেন! আপনারা কি জানেন যে, এই তকমায় যাদের প্রাণে আওয়ামী লীগ তারা আস্তে আস্তে হারিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের লোকজনকে যদি আপনারা এই তকমা দেন, তাহলে আর কী বলব?

আমলাদের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের আলোচিত এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘আপনারা কিন্তু সারা জীবনের সুবিধাভোগী। আজকে যদি দল ক্ষমতায় না থাকে তাহলে এই পরিবারের (আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ) সদস্যরাই বন্দুকের মুখে থাকবে। আপনাদের কোনো সমস্যা হবে না। আপনি ইউএনও থেকে এডিসি হবেন, ডিসি হবেন। আপনি জয় বাংলার পরিবর্তে তখন ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বলবেন।

তিনি বলেন, ‘বারবার বলে আসছি আমাদের দায়িত্ব আমাদের বুঝতে দেন। আপনারা আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে থাকেন। মায়ের চেয়ে যখন মাসির দরদ বেশি হয়ে যায়, তখন সন্দেহের কারণ হয়। মা তো মা, মাসি তো মাসিই। মায়ের দায়িত্ব যখন মাসি নিতে চায় তখনই এর পরিণাম ভালো হয় না। আপনারা যদি মাসির জায়গা থেকে মায়ের ভূমিকা পালন করতে চান তাহলে কিন্তু আপনারা আমাদের সর্বনাশ করবেন। ইতিহাস বলে, আপনারা কোনো দিন ক্ষতিগ্রস্ত হন না। আপনারা কোনো না কোনোভাবে লাভবান হবেনই। সেই ফেরাউনের আমল থেকে নাকি আমলাদের কোনোভাবে লস করানো যায় না। তারা কোনো না কোনোভাবে লাভবান হবে; লস হয় রাজনীতিবিদদের।

ভিডিও বার্তার শেষে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমি একটা কথা বলতে চাই, আর পানি ঘোলা করবেন না। এখন যে যেভাবে আছে এটাকে কন্ট্রোল করেন, নিয়ন্ত্রণ করেন। না হলে এর পরিণতি কিন্তু সুফল বয়ে আনবে না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ার জয়নগরে যুবদলের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দেবাশীষ চক্রবর্ত্তী বাবু: কলারোয়ার জয়নগর ইউনিয়নের খোর্দ্দবাটরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়নবিস্তারিত পড়ুন

ন্যূনতম সংস্কার করেই নির্বাচন চাই: মির্জা ফখরুল

এখনই নির্বাচন নয়, ন্যূনতম সংস্কার করেই নির্বাচন চান বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপিবিস্তারিত পড়ুন

মেধাবী, সৎ, ভালো ও আদর্শবানদের দলের সামনে নিয়ে আসতে হবে: তারেক রহমান

সদস্য পদ নবায়নে মেধাবী ও ভালো মানুষের গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপিরবিস্তারিত পড়ুন

  • বিএনপির সদস্য নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
  • ফ্যাসিস্ট আমলে সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের ওপর জুলুম চালানো হয়েছিল: জামায়াত আমির
  • কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে টিস্যু পেপারে ‘চিঠি’ লিখলেন দীপু মনি
  • ঢাকা-৭ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা জালাল গ্রেফতার
  • ফের রিমান্ডে সালমান আনিসুল ইনু মেনন মামুন
  • জনগণ সঙ্গে না থাকলে কী হয় ৫ আগস্ট দেখিয়ে দিয়েছে: তারেক রহমান
  • নির্বাচিত সরকার দেখতে চায় বিএনপি: মেজর হাফিজ
  • চলেন হিংসা ভুলে নতুন বাংলাদেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাই: মির্জা ফখরুল
  • কালিগঞ্জে কর্মী-সমর্থক শূন্যতায় বিএনপির সম্মেলন পণ্ড
  • জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সর্বদলীয় বৈঠক
  • জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকীর কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির
  • ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত কোনোভাবেই স্থির হতে পারছে না: রিজভী