রবিবার, মে ৩১, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

আশ্রয়কেন্দ্রে সাতক্ষীরা উপকূলের ৯২ হাজার মানুষ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। ফলে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন অঞ্চলের ৯২ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলা ও আশাশুনি উপজেলার উপকূলবর্তী অঞ্চলের এসব মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়।

শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মাসুদুল আলম বলেন, শনিবার দুপুর পর্যন্ত আমার ইউনিয়নের প্রায় তিন হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নেয়া হয়েছে। মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে চাই না। তবুও তাদের বুঝিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, এলাকায় কোনো রাস্তাঘাট নেই। মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাইলেও রাস্তা না থাকায় সেটিও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ক কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুর ইসলাম জানান, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়ন দুটি অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া বুড়িগোয়ালিনী, আটুলিয়া, কৈখালি ও মুন্সিগজ্ঞ ইউনিয়নও ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা এসব এলাকার মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে চায় না। তারা বাড়িতেই থাকতে চায়। কেউ কেউ তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে চলে যাচ্ছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম কামরুজ্জামান বলেন, আমি সকাল থেকেই উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নের এলাকায় রয়েছি। এখানকার মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় যেতে বলা হচ্ছে, বোঝানো হচ্ছে। মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছে।

অন্যদিকে আশাশুনি উপজেলার উপকূলীয় শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় দুই হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খিচুড়ি ভাতের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, দুই হাজারের অধিক মানুষ বর্তমানে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, বিকাল পর্যন্ত উপকূলের ৯২ হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। প্রশাসনের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা একযোগে কাজ করছেন। উপকূলীয় এলাকার মানুষদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

করোনার উপসর্গ নিয়ে তালায় এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু

করোনা উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় ৮৯৫টি মসজিদে ৫হাজার টাকা হারে অনুদানের চেক বিতরণ

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ৮৯৫টি মসজিদেরবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা জেলায় ১লাখ বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

‘সবুজে বাঁচি, সবুজ বাঁচাই, নগর-প্রাণ-প্রকৃতি সাজাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখেবিস্তারিত পড়ুন

  • করোনা: সাতক্ষীরা জেলার খেলোয়াড়দের আর্থিক সহযোগিতা
  • কালিগঞ্জে ৮১৭ বস্তা কাবিখা’র গম উদ্ধার, আটক-৩
  • সাতক্ষীরায় করোনার কারণে বেড়িবাধ নির্মাণের দুটি প্রকল্প থেমে আছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
  • সাতক্ষীরায় আরো ৪ জন করোনা শনাক্ত, এ পর্যন্ত ৪১জন, সুস্থ ৩
  • লোকালয়ের ওপারে রয়েল বেঙ্গল টাইগার: আম্পান উপদ্রুত সুন্দরবনবাসীর নতুন শঙ্কা
  • আম্পানের তান্ডবে সুন্দরবনে সাতক্ষীরা রেঞ্জের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১২ হাজার গাছ
  • করোনা আর আম্পানের তান্ডবে জামাইষষ্ঠীর দফারফা!
  • সাতক্ষীরার বাধ নির্মাণে সেনাবাহিনীকে কাজে লাগানো হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
  • আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু
  • সাতক্ষীরায় পঁচা মাংস বিক্রির দায়ে, ব্যবসায়ী আটক
  • সাতক্ষীরার দেবনগর ও সখিপুরে আরো দু’জনের করোনা পজেটিভ
  • ৪জন করোনা শনাক্ত: কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়ন লকডাউনের অনুরোধে চিঠি