বুধবার, জুন ৩, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছে না সাতক্ষীরা উপকূলের মানুষ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় ১০নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকার মানুষদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। তবে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাইছে না মানুষ।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে জেলার উপকূলবর্তী নদীগুলোতে পানি বাড়ছে। একই সঙ্গে নদী উত্তাল রয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে উপকূলবর্তী এলাকার নদীর বাঁধের কিছু কিছু স্থান।

উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ক কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুর ইসলাম বলেন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়ন দুটি অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া বুড়িগোয়ালিনী, আটুলিয়া, কৈখালী ও মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নও ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা এসব এলাকার মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে চায় না। তারা বাড়িতেই থাকতে চায়। কেউ কেউ তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে চলে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে লোকজনদের বুঝিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে।

শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় নীলডুমুর ঘাট এলাকার আমিরুল ইসলাম জানান, মানুষ তাদের বাড়ি, ঘর, গরু, ছাগল, হাঁস মুরগী রেখে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পুলিশ অনুরোধ করেও কাউকে নিতে পারছে না। তবে রমজাননগর এলাকায় বেশ কিছু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম কামরুজ্জামান বলেন, আমি সকাল থেকেই উপকূলীয় গাবুরা ইউনিয়নের এলাকায় রয়েছি। এখানকার মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বলা হচ্ছে, বোঝানো হচ্ছে। মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে।

অন্যদিকে আশাশুনি উপজেলার উপকূলীয় শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল জানান, আমার এলাকার খোলপেটুয়া নদীর তিনটি স্থান বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে। আগে অনেক বার পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বলা হয়েছিল তারা মেরামত করেনি। এখন পর্যন্ত এলাকার ৫০০ মানুষ বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মাঝে চিড়া-গুড় ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ১২০০ আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকার অন্তত ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ভয়াবহ করোনার ঝুঁকিতে ৪ কোটি তামাক ব্যবহারকারী

বাংলাদেশে প্রায় চার কোটি তামাক ব্যবহারকারী মারাত্মকভাবে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতেবিস্তারিত পড়ুন

একনেক সভায় সাতক্ষীরায় লবণ পানি ঠেকাতে ৪৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প

সাতক্ষীরায় পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে জোয়ারের চাপ ও ঝড়ো বাতাসেরবিস্তারিত পড়ুন

অসহায় রোকিয়ার পাশে পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আবারো অসহায় রোকিয়া বেগমের খোঁজবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ সকল ইউনিটে স্থাপন করা হচ্ছে জীবণুমুক্ত টানেল
  • দীর্ঘ ২মাস ৮দিন পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
  • বেতনা নদীর ৪৪কি.মি পুন:খননে অর্থ বরাদ্দ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লুৎফুল্লাহ এমপি’র অভিনন্দন
  • করোনা: ভাড়াটিয়াদের দুই মাসের ভাড়া মওকুফের মহানুভবতা সাতক্ষীরার তুফান কোম্পানীর
  • বিনাতিল-২ এর বীজ ব্যবহারে অধিক ফলন: সাতক্ষীরায় মাঠ দিবসে কৃষিবিদ নুরুল ইসলাম
  • কমরেড মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির শোক
  • সাতক্ষীরায় এক হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এনইউবিটিকে এর উপাচার্যের
  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে জরুরী সভা: প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় ১ ঘন্টা কীট নাশক স্প্রে কার্যক্রম
  • সাতক্ষীরায় শুরু হয়েছে গণ পরিবহন চলাচল, দ্বিগুন ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ যাত্রীদের
  • ঝাউডাঙ্গা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ঈদ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে
  • আম্পানে সাতক্ষীরার ডিবি গার্লস হাইস্কুলের কক্ষ লন্ডভন্ড
  • এসএসসি’তে সাতক্ষীরার সুপ্তী বৈরাগী কণা ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছে