বৃহস্পতিবার, মে ১৯, ২০২২

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে পিতার ফুটপাতের মিষ্টির দোকানে বসে দোকানদারি বিসিএস ক্যাডার দুই পুত্রের

রাজশাহীর বাঘায় পিতার ফুটপাতে মিষ্টির দোকানে ছুটিতে এসে বিসিএস ক্যাডার দুই ভাই দোকানদারি করছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আড়ানী পৌর বাজারের চাল হাটায় পিতার ফুটপাতের এই মিষ্টির দোকানে বসে দুই ভাইকে মিষ্টি বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তারা দুই ভাই আড়ানী উচ্চ বিদ্যালয় ও ডিগ্রি কলেজে থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। তারপর অমিত কুমার পাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। পরে তিনি ৩৫ তম বিসিএস পরীক্ষায় পাশ করে সান্তাহার সরকারি কলেজে যোগদান করেন। এই কলেজ থেকে তিনি ১৬৪ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার চার মাস মেয়াদে বুনিয়াদী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে দেশ সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

এদিকে মৃনাল কুমার পাল মিঠন এমবিবিএস শেষে করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত রয়েছে। তারা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর বাজারের স্বর্গীয় হিতেন কুমার পালের নাতী ও বাবু উত্তম কুমার পাল ও বাসনা রানী পালের ছেলে। তাদের বাবা উত্তম কুমার পাল আড়ানী বাজারের ফুটপাতের ক্ষুদ্র মিষ্টি বিক্রেতা। মা গৃহিণী।

বোন মিতা রানী পাল সম্প্রতি সরকারি একটি অফিসের অফিসার পদে যোগদান করেছেন। তারা দুই ভাই ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে পিতার ফুটপাতের মিষ্টির দোকানে বসে দোকানদারি করেন।

এ বিষয়ে অমিত কুমার পাল বলেন, আমরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বাবা ফুটপাতে মিষ্টি বিক্রি করে দুই ভাই ও এক বোনকে মানুষ করেছেন। আমি ৩৫তম বিসিএস শিক্ষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে একটি কলেজে যোগদান করেছি। সেখান থেকে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ পরীক্ষায় দেশ সেরা হয়েছি। আমরা কোনো কিছুকে খাটো করে দেখি না। সুযোগ পেলেই দুই ভাই বাবার ফুটপাতের দোকানে বসে সহযোগিতা করি।

মৃনাল কুমার পাল মিঠন বলেন, ঈদের ছুটি কাটাতে কর্মস্থল ছেড়ে গ্রামে এসেছি। কিন্তু কি আর করা বাবার ব্যবসা ছোট হলেও রমজান উপলক্ষে দোকানে ভিড় বেড়েছে। বাবা একা মানুষ কোন দিকে যাবে! তাই বাবার অন্য ব্যস্ততায় দোকান সামলাতে দুই ভাই সহযোগিতা করছি। সুযোগ পেলেই সহযোগিতা করি।

পিতা বাবু উত্তম কুমার পাল বলেন, আমার ছেলে মেয়েদের কখনো ভালো প্রাইভেট, ভালো পোশাক, খাদ্য, ঘুমানোর ভালো জায়গা দিতে পারেনি। আমার ও আমার স্ত্রী বাসনা রানীর সার্বিক প্রচেষ্টায় আজ ছেলে ভালো জায়গায় এসেছে।

 

একই রকম সংবাদ সমূহ

সরিষা ও ধানের কুঁড়ার তেলের উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা

তেলের ঘাটতি পূরণে সরকার রাইস ব্র্যান থেকে তেল উৎপাদন আরও বাড়ানোর পরিকল্পনাবিস্তারিত পড়ুন

বন্যায় সিলেটবাসীর দুর্দশা লাঘবে ত্রাণসহ সবধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে- পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আকস্মিক বন্যায় সিলেটবাসীর দুর্দশা লাঘবের জন্য সরকারের পক্ষ হতে ত্রাণসহ সবধরনের সহযোগিতাবিস্তারিত পড়ুন

অ্যান্টিবায়োটিক চেনাতে মোড়কে লাল রং দিয়ে চিহ্ন

অ্যান্টিবায়োটিক চেনা সহজ করতে এবার মোড়কে (প্যাকেট) লাল রং দিয়ে চিহ্ন দেওয়ারবিস্তারিত পড়ুন

  • বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুপারিশ
  • ৫ জুন বসছে বাজেট অধিবেশন
  • যেসব হজযাত্রী হজে যেতে পারছেন না তাদের নিবন্ধনে জমা করা অর্থ ফেরত যেভাবে
  • কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং জীববৈচিত্র্য অটুট রাখার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
  • চারজন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি প্রদান
  • নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাততে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে : শিল্পমন্ত্রী
  • সারাদেশে নদীভাঙন রোধে পর্যায়ক্রমে স্থায়ী প্রকল্প হচ্ছে : পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী
  • এবার বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ
  • ঠাকুরগাঁওয়ে ২৭ আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল সংখ্যক গুলি উদ্ধার
  • পি কে হালদারকে দেশে ফেরাতে হাইকোর্টের শুনানি ১২ জুন
  • দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে : প্রধানমন্ত্রী
  • শেখ হাসিনা না থাকলে নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু হতো না, জুনেই চালু : ওবায়দুল কাদের
  • error: Content is protected !!