মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

ঐতিহ্যের সেই পালকি এখন বিলুপ্তির পথে

গ্রাম-বাংলার হাজার বছরের প্রাচীন বিয়ের ঐতিহ্য পালকি। এ বাহনে চড়া দারুণ মজা। বিয়ে উৎসবে পালকির কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। একটা সময় ছিল বিয়েতে পালকিই ছাড়াই বিয়ে হতো না। গ্রামীণ আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে, কখনও আলপথে বর-কনে পালকি চড়ে উভয়ের শ্বশুর বাড়িতে আসা-যাওয়ার আনন্দঘন একটা দারুণ সময় ছিল। গাঁও-গ্রামের পথে পালকিতে করে নববধূকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য উঁকি-ঝুঁকি দিয়ে মন জুড়াত গাঁয়ের বধূ, কখনও মা-চাচি, উঠতি বয়সের চঞ্চল মেয়েরাও বাদ পড়েনি। পালকি মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন ছিল।

সাধারণত বর-কনের জন্য পালকি হলেও এ বাহনটি ছিল রাজরাজাদের একমাত্র বাহন। আধুনিক আমলের গাড়ির প্রচলন ছিল না বলে অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা পালকিতে চড়েই যাতায়াত করত। পালকি রাজা-বাদশাদের জন্য চেয়ারের মতো করে নির্মাণ শৈলীতে তৈরি করা হতো। পালকির অপর নাম ছিল পালঙ্ক। এপার-ওপার দু’বাংলায় পালকি নামেই পরিচিত। তবে কোনো কোনো জায়গায় পালকিকে ডুলি বা শিবিকা ও দোলনা হিসেবেও চেনে।

বরকে যখন পালকিতে বেহারারা বহন করে নির্দিষ্ট ছন্দের তালে তালে, তাল মিলিয়ে নেচে-গেয়ে পা ফেলে চলত। তার অনুভূতি এখনও অনুভব করে বৃদ্ধরা। পালকি সচরাচর দু’রকমের হয়ে থাকে যেমন আয়না পালকি ও ময়ূরপঙ্খি নামেও স্থান পায় কোনো কোনো এলাকায়। পালকিতে পাখি, পুতুল ও লতাপাতার নকশা মানুষকে বিমোহিত করত।

গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে অনুষ্ঠানে বর-কনের জন্য পালকি ব্যবহারের নিয়ম প্রথা চালু ছিল। তবে প্রকৃতি থেকে একেবারে বিলীন না হলেও হয়তো কোথাও কোথাও এখনও টিকে আছে। তবে ধারণা করে যেতে পারে পালকি বিলুপ্তির পথে।

প্রাচীনকাল থেকেই রাজা-বাদশারা এবং জমিদার শ্রেণী ছাড়া বেহারাদের প্রতি তেমন একটা সুনজর ছিল না, কোনো রকমে বেহারাদের জীবন ও জীবিকা চলত। সেই সময়ে স্থায়ী বেহারা রাখা ছিল খুবই ব্যয়সাধ্য ব্যাপার। প্রাচীনকালে বাহকদের সাজ পোশাকেও ছিল রকমারি পাগড়ি পাশাপাশি গায়ে থাকত লাল রঙের ব্যয়সাধ্য জোব্বা। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন পালকি সাতক্ষীরায়াসহ সারা দেমে আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

সাতক্ষীরার জেলার আশাশুনি উপজেলার পালকি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, এখন অধিকাংশ লোকজন পালকিতে উঠে বিয়ে করতে চায় না। আধুনিক যুগের মাইক্রোবাস,প্রাইভেট নিয়ে বিয়ে করতে যায়। তাই পালকি বিলুপ্তির পথে। ফলে তারা পালকির ব্যবসা বাদ দিয়ে নতুন কোন ব্যবস্য করে ঘর-সংসার চালাতে হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে কলারোয়ার বিস্তীর্ণ মাঠ

ঋতুর পালা বদলে শীতের আগমনী বার্তায় মাঠে মাঠে এখন শোভাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে প্রয়াত এড.কিনুলাল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে প্রয়াত এডভোকেট কিনু লাল গাইন স্মৃতি ৮দলীয় ফুটবলবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার গয়ড়ায় ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন

কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়নের গয়ড়া বাজারে ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখারবিস্তারিত পড়ুন

  • নতুন সড়ক পরিবহন আইন : প্রতিবাদে সাতক্ষীরার সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ
  • কলারোয়ায় আগামি পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে মজনু চৌধুরীর নাম মুখে মুখে
  • কলারোয়ায় সমাপনী পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৪২ পরীক্ষার্থী
  • কলারোয়ার কয়লায় ৮দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় শার্শার জামতলার জয়
  • কলারোয়ার সোনাবাড়িয়ায় ফুটবল টুর্নামেন্টের ৩য় খেলায় সুলতানপুরের জয়
  • সাতক্ষীরার তুজলপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় শিশুসহ আহত ৪
  • সাতক্ষীরায় ফলের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ
  • কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
  • সদ্যভূমিষ্ট পুত্রকে দেখা হলো না ।। মালয়েশিয়ায় কালিগঞ্জের যুবককে কুপিয়ে হত্যা
  • কলারোয়ার সোনাবাড়িয়ায় ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় খেলায় শার্শার রাঘবপুরের জয়
  • কলারোয়ার চন্দনপুর প্রাইমারি স্কুলে সমাপনী শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা
  • কলারোয়ায় ৫ম শ্রেণীর সমাপণী পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পন্ন : পরীক্ষার্থী ৪১৪৩