মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

ঐতিহ্যের সেই পালকি এখন বিলুপ্তির পথে

গ্রাম-বাংলার হাজার বছরের প্রাচীন বিয়ের ঐতিহ্য পালকি। এ বাহনে চড়া দারুণ মজা। বিয়ে উৎসবে পালকির কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। একটা সময় ছিল বিয়েতে পালকিই ছাড়াই বিয়ে হতো না। গ্রামীণ আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে, কখনও আলপথে বর-কনে পালকি চড়ে উভয়ের শ্বশুর বাড়িতে আসা-যাওয়ার আনন্দঘন একটা দারুণ সময় ছিল। গাঁও-গ্রামের পথে পালকিতে করে নববধূকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য উঁকি-ঝুঁকি দিয়ে মন জুড়াত গাঁয়ের বধূ, কখনও মা-চাচি, উঠতি বয়সের চঞ্চল মেয়েরাও বাদ পড়েনি। পালকি মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন ছিল।

সাধারণত বর-কনের জন্য পালকি হলেও এ বাহনটি ছিল রাজরাজাদের একমাত্র বাহন। আধুনিক আমলের গাড়ির প্রচলন ছিল না বলে অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা পালকিতে চড়েই যাতায়াত করত। পালকি রাজা-বাদশাদের জন্য চেয়ারের মতো করে নির্মাণ শৈলীতে তৈরি করা হতো। পালকির অপর নাম ছিল পালঙ্ক। এপার-ওপার দু’বাংলায় পালকি নামেই পরিচিত। তবে কোনো কোনো জায়গায় পালকিকে ডুলি বা শিবিকা ও দোলনা হিসেবেও চেনে।

বরকে যখন পালকিতে বেহারারা বহন করে নির্দিষ্ট ছন্দের তালে তালে, তাল মিলিয়ে নেচে-গেয়ে পা ফেলে চলত। তার অনুভূতি এখনও অনুভব করে বৃদ্ধরা। পালকি সচরাচর দু’রকমের হয়ে থাকে যেমন আয়না পালকি ও ময়ূরপঙ্খি নামেও স্থান পায় কোনো কোনো এলাকায়। পালকিতে পাখি, পুতুল ও লতাপাতার নকশা মানুষকে বিমোহিত করত।

গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে অনুষ্ঠানে বর-কনের জন্য পালকি ব্যবহারের নিয়ম প্রথা চালু ছিল। তবে প্রকৃতি থেকে একেবারে বিলীন না হলেও হয়তো কোথাও কোথাও এখনও টিকে আছে। তবে ধারণা করে যেতে পারে পালকি বিলুপ্তির পথে।

প্রাচীনকাল থেকেই রাজা-বাদশারা এবং জমিদার শ্রেণী ছাড়া বেহারাদের প্রতি তেমন একটা সুনজর ছিল না, কোনো রকমে বেহারাদের জীবন ও জীবিকা চলত। সেই সময়ে স্থায়ী বেহারা রাখা ছিল খুবই ব্যয়সাধ্য ব্যাপার। প্রাচীনকালে বাহকদের সাজ পোশাকেও ছিল রকমারি পাগড়ি পাশাপাশি গায়ে থাকত লাল রঙের ব্যয়সাধ্য জোব্বা। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন পালকি সাতক্ষীরায়াসহ সারা দেমে আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

সাতক্ষীরার জেলার আশাশুনি উপজেলার পালকি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, এখন অধিকাংশ লোকজন পালকিতে উঠে বিয়ে করতে চায় না। আধুনিক যুগের মাইক্রোবাস,প্রাইভেট নিয়ে বিয়ে করতে যায়। তাই পালকি বিলুপ্তির পথে। ফলে তারা পালকির ব্যবসা বাদ দিয়ে নতুন কোন ব্যবস্য করে ঘর-সংসার চালাতে হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরায় বসন্তের শুরুতে গাছজুড়ে আমের মুকুলে ভালো ফলনের হাতছানি

ৠতুরাজ বসন্তের শুরুতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকাজুড়ে ম-ম ঘ্রাণে সৌরভ ছড়াচ্ছেবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার!!

কলারোয়া উপজেলার ২৬৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেইবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের উন্মুক্ত ভাতা বাছাই

কলারোয়া উপজেলার ৫নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বয়স্ক, বিধবা ও অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ার হিজলদীতে কৃষকদের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়া সীমান্তে ৫লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার
  • কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ যুবক আটক
  • সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৫
  • সাতক্ষীরা জেলা জজ শেখ মফিজুর রহমানের কবিতা ‘শো-কেসে সাহিত্য’
  • কলারোয়ায় কৃষকের ইরি ক্ষেতে পানি দিচ্ছেন না বিএডিসি’র সেচ ম্যানেজার!
  • কলারোয়ায় ভিক্ষুক মুক্ত ও পূনর্বাসনে মতবিনিময় সভা
  • কলারোয়ায় প্রতিবন্ধী মাদরাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
  • কলারোয়ায় নিটল টাটার ‘বন্ধুত্ব সবসময়’ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
  • সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে মাদক মামলার ৭ জনসহ গ্রেপ্তার ২২
  • কলারোয়ায় প্রাথমিক শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা