বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

ঐতিহ্যের সেই পালকি এখন বিলুপ্তির পথে

গ্রাম-বাংলার হাজার বছরের প্রাচীন বিয়ের ঐতিহ্য পালকি। এ বাহনে চড়া দারুণ মজা। বিয়ে উৎসবে পালকির কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। একটা সময় ছিল বিয়েতে পালকিই ছাড়াই বিয়ে হতো না। গ্রামীণ আঁকা-বাঁকা মেঠো পথে, কখনও আলপথে বর-কনে পালকি চড়ে উভয়ের শ্বশুর বাড়িতে আসা-যাওয়ার আনন্দঘন একটা দারুণ সময় ছিল। গাঁও-গ্রামের পথে পালকিতে করে নববধূকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য উঁকি-ঝুঁকি দিয়ে মন জুড়াত গাঁয়ের বধূ, কখনও মা-চাচি, উঠতি বয়সের চঞ্চল মেয়েরাও বাদ পড়েনি। পালকি মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন ছিল।

সাধারণত বর-কনের জন্য পালকি হলেও এ বাহনটি ছিল রাজরাজাদের একমাত্র বাহন। আধুনিক আমলের গাড়ির প্রচলন ছিল না বলে অভিজাত শ্রেণীর লোকেরা পালকিতে চড়েই যাতায়াত করত। পালকি রাজা-বাদশাদের জন্য চেয়ারের মতো করে নির্মাণ শৈলীতে তৈরি করা হতো। পালকির অপর নাম ছিল পালঙ্ক। এপার-ওপার দু’বাংলায় পালকি নামেই পরিচিত। তবে কোনো কোনো জায়গায় পালকিকে ডুলি বা শিবিকা ও দোলনা হিসেবেও চেনে।

বরকে যখন পালকিতে বেহারারা বহন করে নির্দিষ্ট ছন্দের তালে তালে, তাল মিলিয়ে নেচে-গেয়ে পা ফেলে চলত। তার অনুভূতি এখনও অনুভব করে বৃদ্ধরা। পালকি সচরাচর দু’রকমের হয়ে থাকে যেমন আয়না পালকি ও ময়ূরপঙ্খি নামেও স্থান পায় কোনো কোনো এলাকায়। পালকিতে পাখি, পুতুল ও লতাপাতার নকশা মানুষকে বিমোহিত করত।

গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বিয়ে অনুষ্ঠানে বর-কনের জন্য পালকি ব্যবহারের নিয়ম প্রথা চালু ছিল। তবে প্রকৃতি থেকে একেবারে বিলীন না হলেও হয়তো কোথাও কোথাও এখনও টিকে আছে। তবে ধারণা করে যেতে পারে পালকি বিলুপ্তির পথে।

প্রাচীনকাল থেকেই রাজা-বাদশারা এবং জমিদার শ্রেণী ছাড়া বেহারাদের প্রতি তেমন একটা সুনজর ছিল না, কোনো রকমে বেহারাদের জীবন ও জীবিকা চলত। সেই সময়ে স্থায়ী বেহারা রাখা ছিল খুবই ব্যয়সাধ্য ব্যাপার। প্রাচীনকালে বাহকদের সাজ পোশাকেও ছিল রকমারি পাগড়ি পাশাপাশি গায়ে থাকত লাল রঙের ব্যয়সাধ্য জোব্বা। ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন বাহন পালকি সাতক্ষীরায়াসহ সারা দেমে আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।

সাতক্ষীরার জেলার আশাশুনি উপজেলার পালকি ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, এখন অধিকাংশ লোকজন পালকিতে উঠে বিয়ে করতে চায় না। আধুনিক যুগের মাইক্রোবাস,প্রাইভেট নিয়ে বিয়ে করতে যায়। তাই পালকি বিলুপ্তির পথে। ফলে তারা পালকির ব্যবসা বাদ দিয়ে নতুন কোন ব্যবস্য করে ঘর-সংসার চালাতে হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাথে ভাইস চেয়ারম্যানের মতবিনিময়

কলারোয়া উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন উপজেলাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ যুবক গ্রেপ্তার

কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী’রবিস্তারিত পড়ুন

দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে কলারোয়ায় ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকবিরোধীবিস্তারিত পড়ুন

  • এমবিবিএসে চান্স পেয়েছে কলারোয়ার টিউশনি মাস্টারের পুত্র মেহেদী
  • শুরু হচ্ছে ‘ক্লিন সাতক্ষীরা গ্রীন সাতক্ষীরা’ বাস্তবায়নে স্কুল বিতর্ক
  • সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী গ্রেফতার ২৪ ।। ফেন্সিডিল, গাঁজা উদ্ধার
  • কলারোয়ায় বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত
  • চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চান্স পেলো কলারোয়ার মেধাবী শিক্ষার্থী পঙ্কজ
  • সরকারি খরচে আইনী সহায়তা বিষয়ে কলারোয়ায় লিগ্যাল এইড কমিটির ওরিয়েন্টেশন
  • কলারোয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় কৃষককে মারপিটের অভিযোগ
  • কলারোয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের একাংশের সভা
  • কলারোয়ায় উন্নত ওয়াশ সেবা প্রদান বিষয়ক কর্মশালা
  • কলারোয়ার জয়নগরের ৩নং ওয়ার্ড আ.লীগের কমিটি গঠন
  • কলারোয়ায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত
  • কলারোয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রস্তুতি সভা