মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কলারোয়ায় আজো ভাতার কার্ড হয়নি ৭৭ বছরের বৃদ্ধার

কলারোয়ায় ৭৭ বছরেও বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতা অথবা প্রতিবন্ধী ভাতা কিংবা সরকারি সহায়তার অন্য যেকোনো ভাতার কার্ড হয়নি অভাবী বৃদ্ধা রুপিয়ার। আর কত বয়স হলে তার ভাতার কার্ড হবে?

কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা রুপিয়া খাতুন। তার জাতীয় পরিচয়পত্রে (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) বয়স ৭৭বছর পেরিয়ে গেছে।
স্বামী মারা গেছেন প্রায় ২৫ বছর আগে।
তার দুই ছেলেও মারা গেছে অনেক আগে। চোখে দেখতে পান না প্রায়, কানেও শোনেন না। চলেন কোনরকম খুড়িয়ে।
দেখলেই বোঝা যায় জীবনের প্রান্তসীমায় তিনি।
নাতিপুতনির অভাবের সংসারে দিন কাটছে তার।

তারপরেও আজো তার কপালে জোটেনি একটা ভাতা কার্ড। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও অসহায় জীবন-যাপন করছেন রুপিয়া খাতুন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- রুপিয়া খাতুন এখন ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না। ভুগছেন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে। তার মৃত ছেলেদের স্ত্রী ও নাতীদের সাথে থাকছেন তিনি।
নাতীরা চাষাবাদ করে সংসার চালান। কোন রকমে দিন চলে তাদের। এর মধ্যে দাদির জন্য ওষুধ কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে তাদের জন্য।

রুপিয়া খাতুনের নাতী জয়নাল আবেদিন জানান- ‘দাদির অনেক বয়স হয়েছে। সবসময়ই নানানরকম রোগে ভুগছেন। তার জন্য ওষুধ কেনা লাগে প্রায় সময়। আবার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু খেতে চান কিন্তু অর্থাভাবে সব সময় কিনে দিতে পারিনা। এজন্য খুব খারাপ লাগে আমাদের।’

তিনি বলেন- ‘দাদির যদি একটা ভাতার কার্ড থাকতো তাহলে তার ওষুধ কেনাসহ বিভিন্ন চাওয়া পূরণ করতে পারতাম।’

রুপিয়া খাতুনের পুত্রবধূ রাহিলা খাতুন জানান- ‘দীর্ঘ ২৫ বছর আগে আমার শশুর মারা গেছেন। কিন্তু আমার শাশুড়ি একটা বয়স্ক বা বিধবা ভাতার কার্ড আজো পর্যন্ত পাননি। শাশুড়ি কানে শোনেন না, চোখেও দেখতে পান না দীর্ঘদিন। তবুও কার্ড তার হয়নি।’

তিনি আরো বলেন- ‘আমরা কয়েকবার ছবি দিয়েছিলাম কিন্তু মেম্বর-চেয়ারম্যান কার্ড দেন নি।’

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেম জানান- ‘আসলে এতোদিন উনার আইডি কার্ড আমরা হাতে পায়নি। তাই ভাতা কার্ড করে দিতে পারেনি। মূলত তার আইডি কার্ড হারিয়ে গিয়েছিলো, এজন্য সমস্যা হয়েছিলো। তবে নতুন করে সে স্মার্ট কার্ড পেয়েছে এবং আমি তার স্মার্ট কার্ডের ফটোকপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি।’

এ ব্যাপারে কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল জানান- ‘সম্প্রতি আমি তার আইডি কার্ডের কপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেয়েছি। এবার নতুন কার্ড আসলেই তার কার্ড হয়ে যাবে।’

তবে স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে বলেছেন- ‘আইডি কার্ড হারিয়ে গেলেও সেটার সংস্থান কিংবা বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারতো। এমন অজুহাতে সরকারি সহায়তার কোন কার্ড না দেয়া সমীচীন হয়নি।’
এজন্য দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতাকে-ই দুষছেন তারা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় আ.লীগের সম্মেলন উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভা

কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সম্মেলনকে সামনে রেখে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়ায় মাসিক আইন শৃঙ্খলা, চোরাচালান-সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও এনজিও সমন্বয় সভাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘দামোদর ব্রত’ অনুষ্ঠিত

কলারোয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান দামোদর ব্রত অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবারবিস্তারিত পড়ুন

  • বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে সরদার মুজিব
  • কলারোয়ার জয়নগরে বুলবুল’র আঘাতে ফসল ও পানের বরজের ক্ষতি
  • কলারোয়া শিশু ল্যাবরেটরী স্কুলের সমাপনী পরীর্ক্ষীদের বিদায় সংবর্ধনা
  • সাতক্ষীরায় মাদক মামলার ২জনসহ ২৩ জন গ্রেপ্তার
  • কলারোয়ার চন্দনপুরে র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার
  • কলারোয়ার সোনাবাড়িয়ার সোনারবাংলা কলেজে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
  • কলারোয়া সীমান্তে ভারতীয় জালনোটসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
  • সাতক্ষীরায় ‘মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা’ অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় ঈদে মিলাদ-উন-নবী (সাঃ) পালিত
  • বড়ধরণের ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই কলারোয়ায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’…
  • ঘূণিঝড় বুলবুল: লন্ডভন্ড সাতক্ষীরায় এক ব্যক্তির মৃত্যু ।। ফসল নষ্ট, কাঁচা ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাটের ক্ষতি
  • সাতক্ষীরা জেলায় সেরা করদাতা বিশ্বজিৎ সাধু, আক্কাজ, হাসান, আশিক, দিপঙ্কর, গোলাম আকবর ও নিলুফা ইয়াসমিন