শুক্রবার, জুন ৫, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কলারোয়ায় আজো ভাতার কার্ড হয়নি ৭৭ বছরের বৃদ্ধার

কলারোয়ায় ৭৭ বছরেও বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতা অথবা প্রতিবন্ধী ভাতা কিংবা সরকারি সহায়তার অন্য যেকোনো ভাতার কার্ড হয়নি অভাবী বৃদ্ধা রুপিয়ার। আর কত বয়স হলে তার ভাতার কার্ড হবে?

কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা রুপিয়া খাতুন। তার জাতীয় পরিচয়পত্রে (ন্যাশনাল আইডি কার্ড) বয়স ৭৭বছর পেরিয়ে গেছে।
স্বামী মারা গেছেন প্রায় ২৫ বছর আগে।
তার দুই ছেলেও মারা গেছে অনেক আগে। চোখে দেখতে পান না প্রায়, কানেও শোনেন না। চলেন কোনরকম খুড়িয়ে।
দেখলেই বোঝা যায় জীবনের প্রান্তসীমায় তিনি।
নাতিপুতনির অভাবের সংসারে দিন কাটছে তার।

তারপরেও আজো তার কপালে জোটেনি একটা ভাতা কার্ড। জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও অসহায় জীবন-যাপন করছেন রুপিয়া খাতুন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- রুপিয়া খাতুন এখন ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না। ভুগছেন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে। তার মৃত ছেলেদের স্ত্রী ও নাতীদের সাথে থাকছেন তিনি।
নাতীরা চাষাবাদ করে সংসার চালান। কোন রকমে দিন চলে তাদের। এর মধ্যে দাদির জন্য ওষুধ কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে তাদের জন্য।

রুপিয়া খাতুনের নাতী জয়নাল আবেদিন জানান- ‘দাদির অনেক বয়স হয়েছে। সবসময়ই নানানরকম রোগে ভুগছেন। তার জন্য ওষুধ কেনা লাগে প্রায় সময়। আবার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু খেতে চান কিন্তু অর্থাভাবে সব সময় কিনে দিতে পারিনা। এজন্য খুব খারাপ লাগে আমাদের।’

তিনি বলেন- ‘দাদির যদি একটা ভাতার কার্ড থাকতো তাহলে তার ওষুধ কেনাসহ বিভিন্ন চাওয়া পূরণ করতে পারতাম।’

রুপিয়া খাতুনের পুত্রবধূ রাহিলা খাতুন জানান- ‘দীর্ঘ ২৫ বছর আগে আমার শশুর মারা গেছেন। কিন্তু আমার শাশুড়ি একটা বয়স্ক বা বিধবা ভাতার কার্ড আজো পর্যন্ত পাননি। শাশুড়ি কানে শোনেন না, চোখেও দেখতে পান না দীর্ঘদিন। তবুও কার্ড তার হয়নি।’

তিনি আরো বলেন- ‘আমরা কয়েকবার ছবি দিয়েছিলাম কিন্তু মেম্বর-চেয়ারম্যান কার্ড দেন নি।’

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেম জানান- ‘আসলে এতোদিন উনার আইডি কার্ড আমরা হাতে পায়নি। তাই ভাতা কার্ড করে দিতে পারেনি। মূলত তার আইডি কার্ড হারিয়ে গিয়েছিলো, এজন্য সমস্যা হয়েছিলো। তবে নতুন করে সে স্মার্ট কার্ড পেয়েছে এবং আমি তার স্মার্ট কার্ডের ফটোকপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি।’

এ ব্যাপারে কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল জানান- ‘সম্প্রতি আমি তার আইডি কার্ডের কপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেয়েছি। এবার নতুন কার্ড আসলেই তার কার্ড হয়ে যাবে।’

তবে স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে বলেছেন- ‘আইডি কার্ড হারিয়ে গেলেও সেটার সংস্থান কিংবা বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারতো। এমন অজুহাতে সরকারি সহায়তার কোন কার্ড না দেয়া সমীচীন হয়নি।’
এজন্য দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতাকে-ই দুষছেন তারা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় আম্ফানে লন্ডভন্ড বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্থের তালিকায় নেই এক হতদরিদ্র

কলারোয়ায় সুপার সাইক্লোন ঘুর্ণিঝড় আম্ফানে লন্ডভন্ড হয়ে যায় শাহাজাহান মোল্যাবিস্তারিত পড়ুন

দরিদ্রতাকে হার মানিয়ে ‘এ+’ অর্জন করলো কলারোয়ার কেঁড়াগাছির ইকরামুল

দরিদ্রতাকে হার মানিয়ে ‘এ+’ অর্জন করলো কলারোয়ার কেঁড়াগাছির ইকরামুল ইসলাম।বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদ) উদ্যোগে সহায়তা প্রদান

কলারোয়ায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় হতদারিদ্রদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • ক্ষমতা ক্ষণ স্থায়ী, তবে কর্মের ভিতরে মানুষ চির স্মরনীয় হয়ে থাকে
  • কলারোয়ায় বিদায়ী ইউএনও’কে সম্মাননা আ.লীগের
  • কলারোয়ায় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায়ী ইউএনও’কে সম্মাননা
  • বাগআঁচড়া গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার উদ্যোগে মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লাভস বিতরণ
  • কলারোয়ার গোয়ালচাতর বাজার কমিটির উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে
  • এসএসসি’তে কলারোয়ার নাহিদ মল্লিক ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছে
  • কলারোয়ার ইউএনও এবং সমবায় কর্মকর্তার বিদায় সম্মাননা
  • কলারোয়ায় বিধবা ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ
  • কলারোয়া ইউএনও, সমাজসেবা ও কৃষি অফিসে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রদান
  • কলারোয়ায় আম্পান ঝড়ে বিধস্ত বেত্রবতী প্রতিবন্ধী স্কুল, স্তম্ভিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন
  • কলারোয়ার আরো এক যুবক করোনায় আক্রান্ত।। এ পর্যন্ত শনাক্ত ৭
  • কলারোয়ায় অসহায় মধ্যবিত্তদের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা