বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কলারোয়ায় আম গাছে মুকুলের সমারহ ।। বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে, মামার বাড়ে যাই। ঝড়ের দিনে মামার দেশে, আম কুড়াতে সুখ, পাকা জামের মধুর রসে, রঙিন করি মুখ।’ পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের ‘মামার বাড়ি’ কবিতার পংক্তিগুলো বাস্তব রূপ পেতে বাকি রয়েছে আর মাত্র কয়েক মাস। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল।

প্রকৃতির পালাবদলে শীতের শেষে ঋতুরাজ বসন্তের কোকিলের সুমিষ্ট কুহুতালে উত্তাল বাসন্তী হাওয়া দোলা দিয়ে কলারোয়ায় নানা ফুলের সঙ্গে আমের মুকুলও সৌরভ ছড়াচ্ছে।

এরই মধ্যে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম গাছগুলোতে মুকুলে ভরে গেছে। জানান দিচ্ছে মধুুমাসের।

আমের মুকুলের মিষ্টি সুবাসে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি। সেই সুমিষ্ট ঘ্রাণ আন্দোলিত করে তুলছে মানুষের মন। কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই আম গাছে মুকুল দেখা দিতে শুরু করেছে। এখন সময়ের ব্যবধানে তা আরো বাড়ছে। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রায় সব গাছে আমের গুটি আসতে শুরু করবে। আমচাষীরা এবার আমের বাম্পার ফলন আশা করছেন। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে, বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ও সময়মতো পরিচর্যা হলে চলতি মৌসুমে আমের ভালো ফলন হবে। আর এ কারণেই আশায় বুক বেধে আমচাষীরা শুরু করেছেন পরিচর্যা। অবশ্য গাছে মুকুল আসার আগে থেকেই বাগান পরিচর্যা করছেন তারা।

কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, এই উপজেলার প্রধান ফসল ধান হলেও এখন অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে আম বাগান গড়ে তুলছেন। কৃষকদের বাণিজ্যিকভাবে আম চাষে তেমন আগ্রহ না থাকলেও গত ৪-৫ বছরে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ব্যাপক ভাবে জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ হচ্ছে। লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই আম বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। বারি আম-৪, বারি আম-৫, আম্রপালি, ফজলি, ল্যাংড়া, রাজভোগ ও গোপালভোগ, মোহনভোগ, মল্লিকাসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের আমের বাগান করেছেন কৃষকরা। অনেকে আবার ছোট পরিত্যাক্ত জমি এবং বাড়ীর আশে-পাশের জায়গাগুলোতে স্বল্প পরিসরে গড়ে তুলছেন আম বাগান।

অভিজ্ঞমহলের মতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার গাছে খুব একটা কীটনাশক প্রয়োগের প্রয়োজন নেই। তবে ছত্রাকজনিত রোগে আমের মুকুল-ফুল-গুটি আক্রান্ত হতে পারে। এক্ষেত্রে ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক দুই গ্রাম অথবা ইমিডাক্লোরিড গ্রুপের দানাদার প্রতি লিটার পানিতে দশমিক দুই গ্রাম, তরল দশমিক ২৫ মিলিলিটার ও সাইপারম্যাক্সিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আবার মুকুল গুটিতে রূপান্তর হলে একই মাত্রায় দ্বিতীয়বার স্প্রে করতে হবে। এছাড়া পাউডারী মিলডিউ নামের এক প্রকার ছত্রাকজনিত রোগেও আমের ফলনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। গাছে ছত্রাকজনিত রোগের আক্রমণ দেখা দিলে অবশ্যই সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর দুইবার স্প্রে করতে হবে।

উপজেলার পিছলাপোল গ্রামের আমচাষি শফিকুল ইসলাম জানান, এরই মধ্যে অনেক গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। আশা করা যাচ্ছে, কয়েক দিনের মধ্যে গাছগুলোতে পর্যাপ্ত মুকুল আসবে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে আমের বাম্পার ফলন হবে।

কৃষি অফিসের পরামর্শে গাছে মুকুল আসার ১৫-২০ দিন আগেই পুরো গাছ সাইপারম্যাক্সিন ও কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক দিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করে গাছ ধুয়ে দিয়েছেন। এতে গাছে বাস করা হপার বা শোষক জাতীয় পোকাসহ অন্যান্য পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। যদি সঠিক সময়ে হপার বা শোষক পোকা দমন করা না যায় তাহলে আমের ফলন কমে যাবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আম চাষে কৃষকদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। আম গাছে মুকুল আসার আগে এবং আমের গুটি হবার পর নিয়মিত ছত্রাকনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে আমসহ অন্যান্য ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী যানবাহন ও জনচলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা

সাতক্ষীরা জেলায় জরুরী সেবা ব্যতীত সকল যানবাহন ও মানুষের চলাচলবিস্তারিত পড়ুন

যান ও জন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা: কলারোয়ার প্রবেশমুখে রাস্তায় ব্যারিকেড

কলারোয়ায় সড়কে ব্যরিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার কেঁড়াগাছি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজা উদ্ধার

কলারোয়ার কেঁড়াগাছি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ার বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বাবু আর নেই
  • কলারোয়ার চন্দনপুরে ভিজিডি’র চাল পৌছাচ্ছে কার্ডধারীদের বাড়িতে বাড়িতে
  • করোনা: একটি মহামারি ও আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি
  • অঘোষিত লকডাউনে কলারোয়ায় মৎস শিকারে সময় কাটাচ্ছেন মৎস শিকারিরা!
  • করোনায় দোকান খোলা ও বাইরে ঘোরাঘুরি: কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা
  • কলারোয়ায় মৃত ব্যক্তির নামে কৃষি ঋণ!!
  • কলারোয়ায় কর্মহীনদের মাঝে ১০ টাকায় চাল বিক্রি শুরু
  • কলারোয়ায় প্রতিপক্ষের দ্বারা মহিলা আহত!
  • সাবেক এমপি এমএ জব্বারের মৃত্যুতে দিদার বখত ও কলারোয়া জাপার শোক
  • করোনা: কলারোয়ার জালালাবাদে রাতে সচেতনামূলক মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ
  • কলারোয়ায় মৃত ব্যক্তির নামে কৃষি ঋণ
  • করোনা ভাইরাস আছে কিনা নিশ্চিত হতে কলারোয়ায় ১১জনের নমুনা সংগ্রহ