মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কলারোয়ায় শুটকি মাছে খাদ্যে তৈরীতে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ।। প্রতিকার চেয়ে গণদরখাস্ত

কলারোয়ায় শুটকি মাছের দুর্গন্ধে পরিবেশ দুষিত হয়ে পড়েছে।

বিভিন্ন রোগের আশঙ্কায় ভুগছে পথচারীসহ এলাকাবাসী।

শনিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে- উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের গণপতিপুরে ওই শুটকি মাছের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করেছে তরিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী। ওই ব্যবসায়ীর শুটকি মাছের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে পুরা এলাকায়। শুটকি মাছের দুর্গন্ধে এলাকায় বসবাস করা অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এঘটনার প্রতিকার চেয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।

ঘটনাটি ঘটেছে-সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের গণপতিপুরে।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে-হেলাতলা ইউনিয়নে গণপতিপুরে মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিলের স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলাম সরকারের কোন প্রকার অনুমতি না নিয়ে তিনি গোপনে মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড নামে একটি শুটকি মাছের খাদ্য তৈরীর মিল স্থাপন করেন। ওই এলাকায় এ ধরনের শুটকি মাছের খাদ্যে তৈরী মিল হওয়ায় একটি কলেজ, একটি স্কুল, একটি গ্রামীণ ব্যাংক, একটি মসজিদসহ এলাকাবাসী তাদের সকল কাজ কর্ম করতে দারুন অসুবিধা হচ্ছে। এত দুর্গন্ধ যে রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করতেও পারছে না। এই শুটকি মাছের দুর্গন্ধে আমিনুর রহমান ও তার শিশু কন্যা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন।

এলাকাবাসীরা জানান-মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিলের স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলাম প্রতি মাসে তার মিল থেকে প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকার মাছের খাদ্যে তৈরী করে বিক্রয় করছেন। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ফায়ার ব্রিগেড, ইনকাম ট্যাক্স ভ্যাট না দিয়ে সম্পর্ন অবৈধ ভাবে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শনিবার সকালে এধরনের অভিযোগ তুলে ধরে এলাকাবাসীর পক্ষে আমিনুর রহমান নামে এক ব্যক্তি।

তিনি বলেন- এলাকাবাসীর পক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা, জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলারোয়াসহ সরকারে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন- গণপতিপুরের সাধারণ মানুষ অস্বাস্থকর পরিবেশ, শব্দ দূষন ও পচা দুরগন্ধের হাত থেকে রক্ষা করতে অবিলম্বে মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিল বন্ধের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এদিকে, এবিষয়ে কলারোয়ার হেলাতলার গণপতিপুরের মেসার্স ভাই ভাই ফিস ফিড মিলের স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন- তার মিলের সকল ধরনের কাগজ পত্র, ছাড়পত্র নবায়ন করার জন্য আবেদন করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আর এম সেলিম শাহনেওয়াজ জানান- একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন এবং মিল বন্ধ রেখে বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য মিল মালিককে জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

৪জন করোনা শনাক্ত: কলারোয়ার চন্দনপুর ইউনিয়ন লকডাউনের অনুরোধে চিঠি

২৬মে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত কলারোয়ায় ৪জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সেইবিস্তারিত পড়ুন

করোনামুক্তি ও জাতির শান্তি কামনায় কলারোয়ায় ঈদের জামাত

করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি এবং দেশ ও জাতির শান্তি কামনায়বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় এবার পল্লী চিকিৎসকের করোনা শনাক্ত, সেও চন্দনপুর ইউনিয়নের

কলারোয়ায় এবার ৪র্থ ব্যক্তি হিসেবে একজন পল্লী চিকিৎসকের করোনা শনাক্তবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়া পাইলট হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আনিছ স্যার আর নেই
  • কলারোয়ায় ঈদ উপহার নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে ছাত্রলীগ নেতা
  • কলারোয়ায় শতাধিক পরিবারকে ঈদ সামগ্রী প্রদান
  • কলারোয়ায় স্বপ্নসিঁড়ির উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
  • কলারোয়ায় ঈদ সামগ্রী নিয়ে অসহায় পরিবারের পাশে আমাদের কলারোয়া গ্রুপ
  • কলারোয়ায় করোনা শনাক্ত ৩য় ব্যক্তির বাড়িসহ ৮/১০টি বাড়ি লকডাউন।। সংস্পর্শে আসা ১৮জনের নমুনা সংগ্রহ
  • কলারোয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে ৪দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
  • কলারোয়ায় দু:স্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ
  • তালায় করোনাজয়ী সঞ্জয় সরকারকে ফুলেল শুভেচ্ছা, লকডাউন প্রত্যাহার
  • কলারোয়ায় ঈদ উপলক্ষে দু:স্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী দিলেন জাপা সভাপতি মশিউর রহমান
  • কলারোয়ায় অসহায় ১০৮টি পরিবারে ঈদ উপহার পৌঁছে দিলো উপজেলা ছাত্রলীগ
  • কলারোয়ায় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নিন্ম আয়ের মানুষের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান