সোমবার, জুন ১, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কেশবপুরে আমের বাম্পার ফলন, ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না চাষিরা

যশোরের কেশবপুরে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল জুড়ে হিমসাগর ল্যাংড়া গোবিন্দভোগ আমরূপালী গোপালভোগ সহ বিভিন্ন প্রজাতির আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। পরিচর্যায় ব্যস্ত আমচাষিরা। তবে চাষিরা আমের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। ফলে আম বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন উপজেলার শতাধিক আমচাষি।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, ৫৫০ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে বলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

আমচাষিরা বলছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই গাছ থেকে আম পাড়তে ও পাইকারদের কাছে বিক্রি করতে হবে। এ সময় আমের বাজার মন্দা হলে লোকসান গুনতে হবে। একাধিক আম চাষি বলেন, গতবারের তুলনায় এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলনও ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমের পাইকারেরাও চলে এসেছেন।

উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার কয়েকজন আমচাষির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেশবপুরে আ¤্রপালি জাতের আম পাকার সময় হয়েছে। অধিকাংশ চাষি এক সপ্তাহের মধ্যে অর্ধেক আম গাছ থেকে পাড়বেন। ইতিমধ্যে কিছু আম বাগানের গাছ থেকে পেকে ঝরে পড়ছে। চাষিদের অভিযোগ, আমের এ ভরা মৌসুমে আমের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না তাঁরা। বাজিতপুর গ্রামের আমচাষী নজরুল ইসলাম বলেন, বসত বাড়ির আঙ্গীনায় আম চাষ করে প্রতি বছরই বাড়তি আয়ের উৎস হয়ে আছে। কৃষি অফিসের পরামর্শে আম চাষ করায় ভার ফলন হয়েছে।

উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের চুয়াডাঙ্গা গ্রামের দিঘদিনের একজন সফল আম চাষী আলহাজ¦ মোঃ গোলাম মোস্তফা সরদার বলেন, আমার হারি নেওয়া ১২ বিঘা জমিতে ৫‘শ আমগাছে আম ধরেছিল। কিন্তু কৃষি অফিসের সাথে বারংবার যোগাযোগ করা হলেও কোন প্রকার সহযোগীতা না পাওয়ায় আমের ফলন বেশী ভালো হয়নি। এবার কমপক্ষে ৪ লক্ষাধীক টাকার আম বিক্রি করবেন বলে আশা করেছিলেন। তবে আমের বাজার ভালো অবস্থায় নেই। পাইকারেরা ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি ধরে হাঁকছেন। এক কেজি আম উৎপাদনে একজন চাষির খরচ পড়ে ৪০-৪৫ টাকা। কমপক্ষে ৫৫-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হলে চাষিরা লাভের মুখ দেখবেন। সারা বছর ৭-৮ জন শ্রমিক আমবাগানের দেখভাল করেন। ধান চাষ করলে বছরে কমপক্ষে দুইবার ফলন পাওয়া যায়, কিন্তু আম চাষে বছরে একবার ফলন আসে। ফলনের মৌসুমে যদি চাষিরা দাম না পান, তাহলে চাষিরা আম চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। সরকারের সহযোগীতা পেলে আর্থীক খতি পুশিয়ে ইঠতে পারবো। ওই এলাকার বেশ কয়েকজন আমচাষি বলেন, তাঁরা আমের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে গাছের আম বিক্রি করতে না পারলে আম গাছে ধরে রাখা যাবে না। পেকে পেকে ঝরে পড়ে আম নষ্ট হয়ে যাবে। লোকসান গুনতে হবে চাষিকে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যাপক আম চাষ হয়েছে। ফলনও ভালো। এখানকার মাটি আম চাষের জন্য উপযোগী। আমের গুণগত মানও ভালো। আমের এ ভরা মৌসুমে চাষিকে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আম প্রক্রিয়াজাতকরণে জন্য পরামর্শ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি অফিসারা মহাদেব চন্দ্র সানা বলেন, কৃষকদের বাণিজ্যিকভাবে আম চাষে তেমন আগ্রহ না থাকলেও কৃষি অফিসেরবিভিন্ন পরামর্শের মাধ্যমে চাষীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যার ফলে এ বছরে ৫৫০ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আমের বাম্পার ফলন হওয়ায় সে লক্ষমাত্রা অর্জিত হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

করোনা ও আম্পান মোকাবেলায় মানবিক হৃদয়ে যশোর সেনানিবাস

করোনা এবং আম্পানের প্রভাবে দেশের মানুষ এক কঠিন সংকটময় দুর্বিষহবিস্তারিত পড়ুন

ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুতে লুৎফুল্লাহ এমপি’র শোক

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য যশোরের পরিচিতজন প্রিয় কমরেডবিস্তারিত পড়ুন

মনিরামপুরের রাজগঞ্জের তাঁজপুর মাঠ থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকা থেকে নজরুল ইসলাম (৫০) নামের একবিস্তারিত পড়ুন

  • কেশবপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৩ জনই সুস্থ্য
  • এসএসসিতে যশোর বোর্ডের শীর্ষে সাতক্ষীরা, দ্বিতীয় খুলনা
  • করোনা ও আম্পান মোকাবেলায় যশোর সেনানিবাস
  • কেশবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
  • কেশবপুরে করোনা ভাইরাস ও ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন
  • ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে মনিরামপুরের রতনদিয়া বালিকা মাদ্রাসা লন্ডভন্ড
  • দাখিলে মনিরামপুরের ঝাঁপা আলিম মাদ্রাসার সফলতা
  • মনিরামপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত, র‌্যাবের দাবি মাদক ব্যবসায়ী
  • মনিরামপুরের রতনদিয়া ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা লন্ডভন্ড
  • আশাশুনিতে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ বেঁড়িবাধ নির্মাণ কাজ শুরু করেছে সেনা বাহিনী
  • করোনা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে যশোর সেনানিবাস
  • ঝিকরগাছা-চৌগাছার সাবেক এমপি আবু সাইদ আর নেই