শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

খালি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের নামের ভাণ্ডার, নতুন নাম তৈরিতে ব্যস্ত যে ৮ দেশ

খালি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের নামের ভাণ্ডার, নতুন নাম তৈরিতে ব্যস্ত ৮ দেশ।

বুলবুল এখন অতীত।
উত্তর ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় (আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর) এবার যে ঘূর্ণিঝড়টি জন্ম নেবে, তার নাম হবে পবন। এর পর আম্ফান।
কিন্তু তারপর? তৃতীয় ঘূর্ণিঝড়ের নাম কী হবে?

সূত্র বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের নামের ভাণ্ডার ফাঁকা হতে চলেছে।

তালিকায় রয়েছে আর মাত্র দু’টি নাম। তাই দ্রুত নতুন নামের তালিকা তৈরি করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে উত্তর ভারত মহাসাগর অঞ্চলের ৮ দেশ (ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ওমান এবং মলদ্বীপ)। কিন্তু নামকরণে বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে।

সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেই নতুন বছরে জানুয়ারি মাসের মধ্যে তালিকাও তৈরি করে ফেলার চেষ্টাও চলছে।

শীতের শুরুতে যেভাবে ‘কিয়ার’, ‘মহা’ এবং ‘বুলবুল’-এর আবির্ভাব ঘটল, তা আরও চিন্তায় ফেলেছে আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের।
সমুদ্রের উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে। তা নিয়ে চিন্তিত বিজ্ঞানীরা। তেমনই এর পর যে ঘূর্ণিঝড়গুলো সাগরে ‘জন্ম’ নেবে, তাদের কী নাম রাখা হবে, তা নিয়েও সমান গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা চলছে।

ভারতের আবহবিজ্ঞান বিভাগের ঘূর্ণিঝড় বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। তিনি বলেন, ‘নতুন বছরের জানুয়ারির মধ্যে নতুন তালিকা তৈরি হয়ে যাবে। সব দেশের সঙ্গেই আলোচনা চলছে।’

ইতোমধ্যেই ভারত-সহ আটটি দেশ, নিজেদের মতো করে বেশ কিছু নাম ঠিক করে ফেলেছে। তার মধ্যে থেকেই বেছে নেওয়া হবে বেশ কিছু নাম। এই প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব শেষ করে ফেলতে চাইছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা।

নামকরণের সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে ভারতের আবহাওয়া ভবনের অধীন দিল্লির ‘রিজিওনাল স্পেশ্যালাইজড মেটেরিওলজিক্যাল সেন্টার’। দেড় দশক আগে নামকরণের রীতি চালু হয়। তবে এই নামকরণের বিষয়টি বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় অনেক আগেই শুরু হয়েছে। ভারতের দেওয়া প্রথম নাম ছিল ‘অগ্নি’।

সিডার, আয়লা, পিলিন, লেহর, মাদি, বায়ু, কিয়ার, মহা, বুলবুলের নামকরণ করেছে ওই আটটি দেশ। এবার যে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হবে। তার নাম হবে পবন। এই নামটি দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নাম আম্ফান। এটি থাইল্যান্ডের দেওয়া নাম।

নামকরণের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নিয়ম আছে। সাধারণত ছোট এবং সহজভাবে উচ্চারণ করা যাবে, এমনই নাম ঠিক করা হয়। ওই নামের মধ্যে দেশের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য থাকা জরুরি। ঘূর্ণিঝড় নামকরণে বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। একই সঙ্গে দুটি ঘূ্র্ণিঝড় তৈরি হলে, আলাদাভাবে তা চিহ্নিত করা যায়।

সূত্র: আনন্দবাজার।

একই রকম সংবাদ সমূহ

১৬ ডিসেম্বর থেকে রাষ্ট্রীয় সব অনুষ্ঠানে ‘জয়বাংলা’স্লোগান বলতে হবে: হাইকোর্ট

আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে রাষ্ট্রীয় সকল অনুষ্ঠানের শুরুতে ও শেষেবিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে রোকেয়া পদক নিলেন পাঁচ নারী

নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বেগম রোকেয়াবিস্তারিত পড়ুন

নারী-পুরুষের সমন্বিত কাজে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সমাজের অর্ধেক মানুষ নারীদের বাদ দিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়বিস্তারিত পড়ুন

  • শেখ হাসিনা নামটাই শুধু নয়, তিনি মন থেকেও সুন্দর: সালমান খান (ভিডিও)
  • মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারের বাফার গোডাউন নির্মাণ হবে : শিল্প প্রতিমন্ত্রী
  • সাতক্ষীরা মুক্ত দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিজয় শোভাযাত্রা
  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের মতবিনিময়
  • বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ১০টি কুকুর উপহার দিল ভারত
  • আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন, যেমন হবে সভামঞ্চ
  • সাতক্ষীরার কৃতি সন্তান ডা. সুব্রত আ.লীগের জাতীয় কাউন্সিলের স্বাস্থ্য উপ-কমিটি’র সদস্য নিযুক্ত
  • আগামী সপ্তাহে অনলাইন নিউজ পোর্টালের নিবন্ধন শুরু : তথ্যমন্ত্রী
  • ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেট্রোল পাম্পের ধর্মঘট স্থগিত
  • চলতি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা
  • অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের নিয়ম
  • ট্যুরিস্ট ভিসায় ভারতে চিকিৎসা নিতে পারবে বাংলাদেশিরা