রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

ছাত্রদলের নতুন সভাপতি খোকন, সম্পাদক শ্যামল

কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে নতুন নেতৃত্ব পেল বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল।

এই সংগঠনটির নতুন সভাপতি হয়েছেন ফজলুর রহমান খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইকবাল হোসেন শ্যামল।

লন্ডনে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে স্কাইপে আলোচনার পর বুধবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাড়িতে ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়।

ষষ্ঠ কাউন্সিলে নয়জন সভাপতি প্রার্থী এবং ১৯ জন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর মধ্য থেকে দুই পদে দুজনকে বেছে নিতে ভোট দেন ছাত্রদলের ১১৭টি সাংগঠনিক শাখার ৫৩৪ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৪৮১ জন।

মধ্যরাতে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শেষে ভোরে ফল ঘোষণা করেন মির্জা আব্বাস। ছাত্রদলের এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক, সংগঠনটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল কবির খোকনসহ অন্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে সভাপতি হয়েছেন খোকন। তিনি পেয়েছেন ১৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের ভোট ১৭৮।

খোকন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। তিনি সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের আবাসিক ছাত্র। ছাত্রদলের গত কমিটিতে গণশিক্ষা বিষয়ক সহ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

সাধারণ সম্পাদক পদে শ্যামল পেয়েছেন ১৩৯ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকিরুল ইসলাম ভোট ৭৪।

শ্যামল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, তারা খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন সফলে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবেন তারা।

ছাত্রদলের শীর্ষনেতা নির্বাচনে ১৯৯২ সালের পর এই প্রথম ভোট হল। ওই কাউন্সিলে রুহুল কবির রিজভী সভাপতি এবং এম ইলিয়াস আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে কয়েক মাস পরই কমিটিটি ভেঙে দেওয়া হয়।

ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটি গঠন হয়েছিল ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর। ওই কমিটিতে সভাপতি ছিলেন রাজীব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আকরামুল হাসান।

শুরুতে ১৫৩ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘদিন পর এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়, যাতে ৭৩৬ জনকে পদ দেওয়া হয়েছিল।

গত ৩ জুন ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেয় বিএনপি। এরপর ৪৫ দিনের মধ্যে কাউন্সিলে প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এবার বয়সের শর্ত যোগ করা হলে তা নিয়ে সংগঠনটির একাংশ প্রকাশ্যে বিরোধিতায় নেমেছিল। নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও ভাংচুর চালানো হয়। তখন কয়েকজনকে বহিষ্কারও করা হয় ছাত্রদল থেকে। পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

১৪ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের দিন ঠিক করে নানা প্রস্তুতি নেওয়ার পর আকস্মিকভাবে ছাত্রদলের এক নেতার আবেদনে আদালতের স্থগিতাদেশ আসে। ফলে নির্ধারিত দিনে আর কাউন্সিল হয়নি।

সরকারের হস্তক্ষেপে আদালত এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে অভিযোগের পর বিএনপি নেতারা বলেছিলেন, আইনিভাবে মোকাবেলা করেই ছাত্রদলের কাউন্সিল করবেন তারা।

বিএনপি নেতারা পরে বলেন, আইনজীবীরা মত দিয়েছেন যে কাউন্সিল করায় আইনগত কোনো বাধা নেই।

এর পরপরই বুধবার বিকালে নয়াপল্টনের কার্যালয়ে প্রার্থী ও কাউন্সিলরদের ডাকে এই কাউন্সিলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

তখন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছিলেন, “বিকাল ৫টায় সাবেক ছাত্রনেতাদের সঙ্গে জনাব তারেক রহমানের (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) বৈঠক আছে। সেজন্য নেতাদের থাকতে বলা হয়েছে।”

তবে ছাত্রদলের একাধিক সাবেক নেতা জানিয়েছিলেন, রাতের যে কোনো সময়ে ভোটগ্রহণ হতে পারে।

নয়া পল্টনের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় সাবেক ছাত্রনেতাদের সঙ্গে স্কাইপে বৈঠক করেন লন্ডনে থাকা তারেক রহমান। তখন তৃতীয় তলায় কনফারেন্স কক্ষে প্রার্থীরা বসেছিলেন।

এরপর সন্ধ্যায় প্রার্থী ও কাউন্সিলরদের কাছের শাহজাহানপুরে মির্জা আব্বাসের বাড়িতে যেতে বলা হয়।

তখন জানতে চাইলে রিজভী বলেন, “সেখানে কাউন্সিলরদের ভোটগ্রহণ হবে।”

কাউন্সিলর ও প্রার্থীরা কার্ড দেখিয়ে ঢোকার পর রাত পৌনে ৯টার দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

চারটি বুথে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে লন্ডন থেকে স্কাইপে যুক্ত হয়ে তারেক রহমান কাউন্সিলর ও প্রার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।

ভোটগ্রহণ শুরুর পর খোকন বলেন, “নানা প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতা নির্বাচনের কাজটি শুরু করেছি।”

ভোটগ্রহণ বিরতি ছাড়াই চলে রাত পৌনে ১টা পর্যন্ত; এরপর গণনা শেষে ফল ঘোষণা হয়।

ছাত্রদলের কাউন্সিলে নির্বাচন পরিচালনায় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি ফজলুল হক মিলন।

তার সঙ্গে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন সাবেক দুই সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও আজিজুল বারী হেলাল। সাবেক ছাত্রদল নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন, শফিউল বারী বাবু ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু পোলিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়েই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় দেশের স্বার্থই আগে বিবেচনা করে উল্লেখবিস্তারিত পড়ুন

সরকার আবরারের খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর: হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বুয়েটের ছাত্র আবরার ফরহাদকে হত্যার ব্যাপারেবিস্তারিত পড়ুন

বেনাপোল দিয়ে দেশ ত্যাগে নিষেধজ্ঞা যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের

আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে যাতেবিস্তারিত পড়ুন

  • রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচন
  • হীনমন্যতার কারণেই শুদ্ধি অভিযানকে বিএনপি স্বাগত জানাতে পারছে না : ওবায়দুল কাদের
  • ট্রাম্পের হয়ে প্রচারণা চালানো মোদি’র তা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থী
  • ছাত্রদলের কাউন্সিল: ৮ভোটে হেরে গেলেন কেশবপুরের সেই শ্রাবণ
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭টি পদক লাভ
  • ড. কালাম ‘এক্সিলেন্স এওয়ার্ড’ গ্রহণ করেই দেশবাসীকে উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • শোভন-রাব্বানী বাদ, ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জয় ও লেখক
  • শোভন-রাব্বানীকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • তৃণমূল থেকে সংগঠনকে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শোভন-রাব্বানির ভাগ্য নির্ধারণ
  • পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী