মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

কলম থেকে কলাম..

জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব সমন্বয় সুন্দরবন

‌বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়গুলোর মধ্যে অন্যতম সুন্দরবন বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত৷ গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনা এই তিন নদীর অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা এবং বাগেরহাট জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গরাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগণা এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জুড়ে বিস্তৃত। ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ রয়েছে ভারতের মধ্যে। নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় বনভূমি হলো সুন্দরবন।

মোট বনভূমির ৩১.১ শতাংশ অর্থাৎ ১,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার জুড়ে রয়েছে নদীনালা,খাঁড়ি,বিল মিলিয়ে জনাকীর্ণ অঞ্চল।
সুন্দরবনে বিভিন্ন প্রকার জীববৈচিত্র্য যেমন – রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, কুমির এবং সাপসহ বিভিন্ন জাতের প্রাণী। জরিপ অনুযায়ী ১০৬টি বাঘ এবং ১,০০,০০০থেকে ১,৫০,০০০ চিত্রা হরিণ রয়েছে সুন্দরবন এলাকায়। ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সুন্দরবন বাংলাদেশে “সুন্দরবন” এবং ভারতে “সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান” নামে পরিচিত। সুন্দরবন ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সুন্দরবনে জালের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা, চর এবং ছোটো ছোটো দ্বীপমালা।

পুরো সুন্দরবন অঞ্চল জুড়ে রয়েছ সুন্দরী এবং গেওয়ার পাশাপাশি ধুন্দল,কেউড়া,শন,নল খাগড়া,গোলপাতা। কেউড়া নতুন তৈরি হওয়া পলিভূমিকে নির্দেশ করে।বনভূমির পাশাপাশি সুন্দরবনের বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে নোনা এবং মিঠা পানির জলাধার, আন্ত:স্রোতীয় পলিভূমি, বালুচর, বালিয়াড়ি। বেলে মাটিতে উন্মুক্ত তৃণভূমি এবং গাছ ও গুল্মের এলাকা।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের অর্থনীতিতে যেমন, ঠিক তেমনি জাতীয় অর্থনীতিতেও সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।এটি দেশের বনজ সম্পদের মধ্যে একক বৃহত্তম উৎস। এই বন কাঠের উপর নির্ভরশীল শিল্পে কাঁচামালের যোগান দেয়।এছাড়াও কাঠ, জ্বালানি ও মন্ডের পাশাপাশি এই বন থেকে নিয়মিত ব্যাপকভাবে আহোরণ করা হয় ঘর ছাওয়ার পাতা,মধু,মৌচাকের মোম, মাছ, কচ্ছপ,কুঁচি, কাঁকড়া,শামুক এবং ঝিনুক।বৃক্ষপূর্ণ সুন্দরবনের ভূমি একই সাথে প্রয়োজনীয় আবাসস্থল, পুষ্টি উৎপাদক, পানি বিশুদ্ধকারক, পলি সঞ্চয়কারী, ঘূর্ণিঝড় প্রতিরোধক, উপকূল স্থিতিকারী, শক্তি সম্পদের আধার এবং পর্যটনকেন্দ্র।

লেখক:
ওসমান গনি শুভ
শিক্ষার্থী, পালি এ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

নর্দান ইউনিভার্সিটির ২২ শিক্ষার্থী পেলেন চীন সরকারের শিক্ষা বৃত্তি

নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ২২ জন শিক্ষার্থী শতভাগ চীনা সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন

মঙ্গলবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও পেছাল

মঙ্গলবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও পেছাল। ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতিরবিস্তারিত পড়ুন

সীমান্তে এসে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইলেন দেব

সীমান্তে এসে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইলেন দেব।বিস্তারিত পড়ুন

  • খালি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের নামের ভাণ্ডার, নতুন নাম তৈরিতে ব্যস্ত যে ৮ দেশ
  • বুলবুলকে ‘রুখে দিল’ প্রকৃতির ঢাল সুন্দরবন
  • ৮ জেলায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কেড়ে নিল ১০ প্রাণ
  • ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে জন্ম হওয়ায় নাম তার ‘বুলবুলি’
  • সাতক্ষীরা জেলায় সেরা করদাতা বিশ্বজিৎ সাধু, আক্কাজ, হাসান, আশিক, দিপঙ্কর, গোলাম আকবর ও নিলুফা ইয়াসমিন
  • উপকূলীয় জেলাগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ১১ ও ১২ নভেম্বর
  • বুলবুলের আঘাতে কলকাতায় একজনের মৃত্যু
  • ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’: সোমবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও স্থগিত
  • ১০নং মহাবিপদ সংকেতে সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র প্রভাব, প্রস্তুতি সম্পন্ন
  • ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ : ১০ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত জারি
  • বাংলাদেশে যেদিক দিয়ে আঘাত হানবে বুলবুল
  • ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র প্রভাবে সাতক্ষীরার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি