শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

প্রস্তুত ১৩৭ সাইক্লোন সেন্টার

জেলা প্রশাসকের জরুরি সভা : সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি

ঘূর্ণিঝড় ফণীর সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এই দুর্যোগের সম্ভাব্য আঘাত হানার বিষয়ে জনগনকে আগাম সতর্ক করা হয়েছে। জেলার তিনটি ঝুঁকিপূর্ন উপজেলা শ্যামনগর, আশাশুনি এবং কালিগঞ্জে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে এরই মধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। অপর চারটি উপজেলায়ও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(২ মে) দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তিনি জানান- সাতক্ষীরাকে ৭ নং সংকেত দেওয়া হয়েছে। জেলার ১৩৭ টি সরকারি সাইক্লোন সেন্টার এবং বেসরকারি পর্যায়ের আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে স্কুল ,কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ, কমিউনিটি সেন্টার দুর্যোগ কবলিত জনগনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে । নদী ও সমুদ্রে থাকা মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলারগুলিকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আশাশুনি ও শ্যামনগরে ৩ হাজার ৬৫৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছেন।

এসব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সতর্ক সংকেত হিসাবে লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান- পানি উন্নয়ন বোর্ডের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ১১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রক্ষায় সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এসব এলাকায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে এক বা একাধিক মেডিকেল টীম গঠন করা হয়েছে। তাদের হাতে পর্যাপ্ত ওষুধ খাবার স্যালাইন মজুদ রাখা হয়েছে। জলযান ও স্থল যান, শুকনো থাবার , শিশু খাদ্য এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলা এবং উদ্ধার কাজ পরিচালনায় ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড,বিজিবি, আনছার ভিডিপি, রেড ক্রিসেন্ট, স্কুল কলেজের স্কাউট টীম এবং স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও পুলিশ সদস্যদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ও তাদের সহযোগী কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। নারী শিশু প্রতিবন্ধী গর্ভবতী মা, রোগগ্রস্থ মানুষ এবং বৃদ্ধ, বৃদ্ধাদের উদ্ধারে অতি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান- জনগনের জানমালের পাশাপাশি গবাদি পশুর জীবন রক্ষায় উঁচু জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিকটেই যাতে পশু খাদ্য মেলে সে ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সতর্কতা প্রচারের জন্য পাড়ায় পাড়ায় মসজিদের মাইক ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা সদর এবং সব উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।

তিনি জানান- সাতক্ষীরার মাঠভরা পাকাধান সম্ভব হলে দুই দিনের মধ্যে কেটে নেওয়ার জন্য কৃষি বিভাগের মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলাগুলির নির্বাহী অফিসারগন ফণীর সম্ভাব্য আঘাত মোকাবেলায় পৃথক পৃথক সভা করেছেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রেডিট ইউনিয়ন দিবস পালন ও সমবায়ের উদ্বুদ্ধকরণ সভা

কলারোয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রেডিট ইউনিয়ন দিবস পালন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন-বিপনন প্রশিক্ষণের সমাপনী

কলারোয়ায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, বিপনন ও বাজারজাতকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরবিস্তারিত পড়ুন

এমবিবিএসে চান্স পেয়েছে কলারোয়ার টিউশনি মাস্টারের পুত্র মেহেদী

এমবিবিএস- এ চান্স পেয়েছে কলারোয়ার মেধাবী শিক্ষার্থী মেহেদী। অতি সম্প্রতিবিস্তারিত পড়ুন

  • দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে কলারোয়ায় ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল
  • কলারোয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাথে ভাইস চেয়ারম্যানের মতবিনিময়
  • কলারোয়ায় ফেনসিডিলসহ যুবক গ্রেপ্তার
  • শুরু হচ্ছে ‘ক্লিন সাতক্ষীরা গ্রীন সাতক্ষীরা’ বাস্তবায়নে স্কুল বিতর্ক
  • সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী গ্রেফতার ২৪ ।। ফেন্সিডিল, গাঁজা উদ্ধার
  • কলারোয়ায় বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত
  • চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে চান্স পেলো কলারোয়ার মেধাবী শিক্ষার্থী পঙ্কজ
  • সরকারি খরচে আইনী সহায়তা বিষয়ে কলারোয়ায় লিগ্যাল এইড কমিটির ওরিয়েন্টেশন
  • কলারোয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় কৃষককে মারপিটের অভিযোগ
  • কলারোয়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের একাংশের সভা
  • কলারোয়ায় উন্নত ওয়াশ সেবা প্রদান বিষয়ক কর্মশালা
  • কলারোয়ার জয়নগরের ৩নং ওয়ার্ড আ.লীগের কমিটি গঠন