বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

ট্রাম্পের হয়ে প্রচারণা চালানো মোদি’র তা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থী

২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা চালানোয় ভারতের বিরোধী দলগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে তার হয়ে ভোটের প্রচার করেছেন, সেটির সমালোচনা করেছেন তারা।

কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা অভিযোগ করেছেন, ‘হাউডি মোদি!’ নামে ওই মেগা-ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ট্রাম্পকে আবার জেতানোর জন্য প্রকাশ্যে স্লোগান দিয়েছেন তা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থী।

পর্যবেক্ষকরাও অনেকেই মনে করছেন, আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হয়ে মোদির এই প্রচারণা এক অভূতপূর্ব ঘটনা – যদিও ভারতের শাসক দল বিজেপি বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা এই সব সমালোচনা আদৌ গায়ে মাখছে না।

টেক্সাসের হিউস্টনে রোববার রাতে প্রায় পঞ্চাশ হাজার ভারতীয়-আমেরিকান দর্শকের সামনে হাত-ধরাধরি করে নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘুরে বেড়ানোর দৃশ্য ব্যাপকভাবে হইচই ফেলেছে।

কিন্তু অনেকে তার চেয়েও বেশি অবাক হয়েছেন মোদি সরাসরি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আবার জেতানোর আহ্বান জানানোয়।

ভারতে নিজের জনপ্রিয় নির্বাচনী স্লোগান ‘আবকি বার মোদি সরকার’ এ যেভাবে তিনি ট্রাম্পের নাম বসিয়ে আবার তার সরকারকে ক্ষমতায় আনানোর ডাক দিয়েছেন, ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রী দেশে বা বিদেশে কখনও তা করার কথা সম্ভবত ভাবতেও পারেননি।

তবে এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কংগ্রেস নেতা ও সাবেক ক্যাবিনেট মন্ত্রী আনন্দ শর্মা টুইট করে প্রধানমন্ত্রীকে মনে করিয়ে দেন, আমেরিকার প্রতি ভারতের নীতি বরাবরই ছিল ‘বাইপার্টিসান’।

অর্থাৎ রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে ভারত কখনই একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি পক্ষপাত দেখায়নি। তিনি আরও দাবি করেন, ট্রাম্পের হয়ে স্লোগান দিয়ে মোদি আসলে দুই দেশেরই সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক মর্যাদাকেই খর্ব করেছেন।

কংগ্রেস মুখপাত্র ব্রিজেশ কালাপ্পা বিবিসিকে বলছিলেন, “এটা তো পরিষ্কার আমেরিকার ঘরোয়া রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ। তা ছাড়া আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয়রা বরাবরই ডেমোক্র্যাটদের সমর্থক, বারাক ওবামাকে তারা খুবই পছন্দ করতেন।”

“সেখানে একজন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট যদি ভারতীয়-আমেরিকানদের ভোট জিততেও চান, মোদি কেন তার ফাঁদে পা দেবেন? কই, চীনের নেতারা তো তাদের ডায়াস্পোরার কাছে গিয়ে কখনও এরকমটা করেন না!”

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী তথা প্রবীণ রাজনীতিবিদ ওমপ্রকাশ মিশ্রও মনে করছেন, নরেন্দ্র মোদি গত রাতে হিউস্টনে যা করেছেন ভারতের ইতিহাসে তা সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।

বিবিসি’কে ওমপ্রকাশ মিশ্র বলেন, “কূটনীতিতে এটা খুবই বিরল একটা ঘটনা। আরও যেটা অভূতপূর্ব তা হল, একে অপরের পিঠ চাপড়ানি চললেও দেওয়া-নেওয়াটা কিন্তু হচ্ছে সম্পূর্ণ এক পক্ষে।”

“মানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিন্তু এমন কিছু এবারে বলেননি যা মোদি সরকারকে নিজের দেশের ভেতরে সাহায্য করবে। অথচ উনি দুম করে ঘোষণা করে দিলেন ‘আবকি বার ট্রাম্প সরকার’!”

“মাসকয়েকের ভেতরই যেখানে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রাথমিক ধাপ শুরু হচ্ছে, সেখানে একজন বিদেশি নেতার যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে এভাবে প্রচারণা করার কোনও নজির নেই।”

“আমার ধারণা এতে ভারতের পররাষ্ট্রনীতির ওপর মানুষের যে আস্থা ছিল তা কিছুটা হলেও দুর্বল হবে। তা ছাড়া আমেরিকার নাগরিকদের কাছেও ভারত সম্পর্কে একটা ভুল বার্তা বহন করবে।”

নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপি কিন্তু এই সব সমালোচনা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে বলছে, আসলে আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে মোদির অসাধারণ সাফল্যে বিরোধীরা ঈর্ষাণ্বিত বলেই এই সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

বিজেপি নেতা সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেনের কথায়, “একটা সময় ছিল যখন পাকিস্তান বিদ্রূপ করে বলত ভারতের প্রধানমন্ত্রী না কি আমেরিকায় গিয়ে গ্রাম্য মহিলাদের মতো শুধু নালিশ করেন।”

“আর আজ যখন মোদিজির হাতে হাত রেখে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোরেন, তখন কী বার্তা যায়? এটাই যায় – যে ভারত হল মার্কিনিদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত, ভরসা করার বন্ধু।”

“ভারতীয়দের আসলে গর্বিত হওয়া উচিত, তারা এমন একজন নেতা পেয়েছে যিনি ভারতকে আমেরিকার সঙ্গে এক কাতারে নিয়ে এসেছেন।”

তবে নরেন্দ্র মোদির সমালোচকরা এটাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হয়ে তিনি খোলাখুলি ভোটের প্রচার করলেও চলমান ভারত-মার্কিন বাণিজ্য সংঘাতে দিল্লি কিন্তু ওয়াশিংটনের কাছ থেকে এখনও বিন্দুমাত্র ছাড় পায়নি।

সূত্র: বিবিসি

একই রকম সংবাদ সমূহ

আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়েই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে : প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় দেশের স্বার্থই আগে বিবেচনা করে উল্লেখবিস্তারিত পড়ুন

সরকার আবরারের খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর: হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বুয়েটের ছাত্র আবরার ফরহাদকে হত্যার ব্যাপারেবিস্তারিত পড়ুন

বেনাপোল দিয়ে দেশ ত্যাগে নিষেধজ্ঞা যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের

আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে যাতেবিস্তারিত পড়ুন

  • রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচন
  • হীনমন্যতার কারণেই শুদ্ধি অভিযানকে বিএনপি স্বাগত জানাতে পারছে না : ওবায়দুল কাদের
  • ছাত্রদলের কাউন্সিল: ৮ভোটে হেরে গেলেন কেশবপুরের সেই শ্রাবণ
  • ছাত্রদলের নতুন সভাপতি খোকন, সম্পাদক শ্যামল
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭টি পদক লাভ
  • ড. কালাম ‘এক্সিলেন্স এওয়ার্ড’ গ্রহণ করেই দেশবাসীকে উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • শোভন-রাব্বানী বাদ, ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জয় ও লেখক
  • শোভন-রাব্বানীকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • তৃণমূল থেকে সংগঠনকে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শোভন-রাব্বানির ভাগ্য নির্ধারণ
  • পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী