শুক্রবার, মে ২৯, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

প্রভাব পড়তে পারে বোরো আবাদেও

পানির অভাবে কেশবপুরে পাট নিয়ে বিপাকে কৃষকরা..

যশোরের কেশবপুরে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারনে কৃষকরা পাট পচাতে পারছেন না। পানি নেই খানাখন্দ, পুকুর, জলাশয় কোথাও। ভূগর্ভের পানি সেচ দিয়ে পাট চাষ করেছিলেন চাষীরা করলেও ফলন ভালো হয়নি বৃষ্টির অভাবে। পানির জন্য চাষীদের মধ্যে হতাশ হয়ে পড়েছেন। কৃষি অফিস থেকে চাষীদের পাটের ছাল বের করে মাটির নিচে পুতে পাটের রিবন রেটিং করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। রিবন রেটিং করতে চাষিরা মেশিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।

কৃষি অফিসার মনির হোসেন সকালের সময়কে জানান, এ বছর কেশবপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্র ছিল ৭ হাজার হেক্টর জমিতে। চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৬শ’ ৮০ হেক্টর জমিতে। গত বছর পাট চাষ হয়েছিল লক্ষ্যমাত্রার অনেক বেশী। পানির অভাবে এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। পাট রোপনের সময় বৃষ্টিপাত না থাকায় কৃষকরা স্যালো মেশিন দিয়ে ভূগর্ভের পানি তুলে পাট চাষ করেছেন। আর আকাশ পানি না পাওয়ায় পাটের ফলনও ভাল হয়নি। সারা বছর বৃষ্টি হয়নি বলে বর্তমানে খাল, বিল, নালায় পানি নেই। সেকারনে কৃষকদের এক মিটার গর্ত ও ৮ মিটার চওড়া করে সেখানে পাট প্রক্রিয়া করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে কৃষকরা জানিয়েছেন, অফিস থেকে পাটের আশ ছাড়ানোর কোন মেশিন সরবরাহ করা হয়নি। তিনি আরও জানান, পানির অভাবে পাট কাটতে দেরি হওয়ায় এবার বোরো আবাদেও এর প্রভাব পড়তে পারে। সেজন্য এবারের ৮ হাজার ৮শ’ হেক্টর বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে আশংকা দেখা দিয়েছে।

অনেকেই পাট কাটছেন না। আবার অনেক কৃষকরা পাট পচাতে শুকনো খালে, পুকুরে সেচযন্ত্র দিয়ে ভূগর্ভের তুলে পাট পচানো চেষ্টা করছেন। বাগদাহ গ্রামের রফিকুল ইসমান জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে এবার পাট চাষ করেছেন। সেচ পানি দিয়ে আবাদ করে এখন পাট পচানোর জায়গা পাচ্ছেন না। শনিবার সকালে তিনি স্যালো মেশিন দিয়ে ভূগর্ভের পানি পুকুরে তুলে সেখানে পাট পচানোর চেষ্টা করছেন। কাকিলাখালী গ্রামের কল্লোল দাস জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে পাঠ চাষ করেছেন কিন্তু পানি অভাবে পাট কাটছেন না। সাতবাড়িয়া গ্রামের আমজাদ হোসেন জানান, দুই বিঘা জমির পাট পানির অভাবে কাটছেন না। ওই আনছার দফাদার, অমেদ আলী মোড়ল, কুদ্দুস দফাদার, খোকন সরদার, মঙ্গলকোট গ্রামের মোশারফ হোসেন মোড়ল, গোলাম মোস্তফা মোড়ল, রকি গোলদার, মজিবর গাজীর মতো অনেক কৃষকই পানির অভাবে পাট পচাতে (জাগ) পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

কেশবপুর প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষক পাট কেটে ওই জমিতে বোরো আবাদ করে থাকেন। সেজন্য কৃষকরা পাট কাটতে না পেরে হতাশয় পড়েছেন। কৃষকদের মধ্যে পানির জন্য হাহাকার বিরাজ করছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

মনিরামপুরেল রাজগঞ্জে ছেলের শাবলের আঘাতে পিতার মৃত্যু

মনিরামপুরের রাজগঞ্জ এলাকায় মানষিক ভারসাম্যহীন ছেলের শাবলের আঘাতে মারা গেছেবিস্তারিত পড়ুন

করোনা ও আম্পান মোকাবেলায় যশোর সেনানিবাসের জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত

করোনার প্রকোপে যখন সমগ্র বাংলাদেশ বিপর্যস্ত ঠিক তখনই দেশের উপরবিস্তারিত পড়ুন

করোনা আর আম্পানের তান্ডবে জামাইষষ্ঠীর দফারফা!

আজ বৃহস্পতিবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আর একটা উৎসব জামাইষষ্ঠী। কিন্ত বুধবারেওবিস্তারিত পড়ুন

  • করোনা ও আম্পান মোকাবেলায় ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষের পাশে সেনাবাহিনী
  • করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন করলো যশোর জেলা যুবলীগ নেতা
  • অসহায় এবং দুস্থ মানুষের পাশে থেকে ঈদ উদযাপন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
  • ঈদ আনন্দ উপেক্ষা করে যশোর অঞ্চলের অসহায় ও হত দরিদ্র মানুষের পাশে সেনাবাহিনী
  • ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  • কেশবপুরে বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ
  • রাজগঞ্জে নিহত ৫ পরিবারের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রি বিতরণ
  • রাজগঞ্জবাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা রাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি রবি’র
  • ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সেনা ও বিমান বাহিনী
  • ঘুর্ণিঝড় আম্পান ও করোনায় মানবসেবায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  • ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাধ মেরামত করবে সেনাবাহিনী: খুলনার বিভাগীয় কমিশনার
  • ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে কলারোয়া লন্ডভন্ড