মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

প্রভাব পড়তে পারে বোরো আবাদেও

পানির অভাবে কেশবপুরে পাট নিয়ে বিপাকে কৃষকরা..

যশোরের কেশবপুরে দীর্ঘদিন অনাবৃষ্টির কারনে কৃষকরা পাট পচাতে পারছেন না। পানি নেই খানাখন্দ, পুকুর, জলাশয় কোথাও। ভূগর্ভের পানি সেচ দিয়ে পাট চাষ করেছিলেন চাষীরা করলেও ফলন ভালো হয়নি বৃষ্টির অভাবে। পানির জন্য চাষীদের মধ্যে হতাশ হয়ে পড়েছেন। কৃষি অফিস থেকে চাষীদের পাটের ছাল বের করে মাটির নিচে পুতে পাটের রিবন রেটিং করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। রিবন রেটিং করতে চাষিরা মেশিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।

কৃষি অফিসার মনির হোসেন সকালের সময়কে জানান, এ বছর কেশবপুরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্র ছিল ৭ হাজার হেক্টর জমিতে। চাষ হয়েছে ৪ হাজার ৬শ’ ৮০ হেক্টর জমিতে। গত বছর পাট চাষ হয়েছিল লক্ষ্যমাত্রার অনেক বেশী। পানির অভাবে এবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। পাট রোপনের সময় বৃষ্টিপাত না থাকায় কৃষকরা স্যালো মেশিন দিয়ে ভূগর্ভের পানি তুলে পাট চাষ করেছেন। আর আকাশ পানি না পাওয়ায় পাটের ফলনও ভাল হয়নি। সারা বছর বৃষ্টি হয়নি বলে বর্তমানে খাল, বিল, নালায় পানি নেই। সেকারনে কৃষকদের এক মিটার গর্ত ও ৮ মিটার চওড়া করে সেখানে পাট প্রক্রিয়া করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে কৃষকরা জানিয়েছেন, অফিস থেকে পাটের আশ ছাড়ানোর কোন মেশিন সরবরাহ করা হয়নি। তিনি আরও জানান, পানির অভাবে পাট কাটতে দেরি হওয়ায় এবার বোরো আবাদেও এর প্রভাব পড়তে পারে। সেজন্য এবারের ৮ হাজার ৮শ’ হেক্টর বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে আশংকা দেখা দিয়েছে।

অনেকেই পাট কাটছেন না। আবার অনেক কৃষকরা পাট পচাতে শুকনো খালে, পুকুরে সেচযন্ত্র দিয়ে ভূগর্ভের তুলে পাট পচানো চেষ্টা করছেন। বাগদাহ গ্রামের রফিকুল ইসমান জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে এবার পাট চাষ করেছেন। সেচ পানি দিয়ে আবাদ করে এখন পাট পচানোর জায়গা পাচ্ছেন না। শনিবার সকালে তিনি স্যালো মেশিন দিয়ে ভূগর্ভের পানি পুকুরে তুলে সেখানে পাট পচানোর চেষ্টা করছেন। কাকিলাখালী গ্রামের কল্লোল দাস জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে পাঠ চাষ করেছেন কিন্তু পানি অভাবে পাট কাটছেন না। সাতবাড়িয়া গ্রামের আমজাদ হোসেন জানান, দুই বিঘা জমির পাট পানির অভাবে কাটছেন না। ওই আনছার দফাদার, অমেদ আলী মোড়ল, কুদ্দুস দফাদার, খোকন সরদার, মঙ্গলকোট গ্রামের মোশারফ হোসেন মোড়ল, গোলাম মোস্তফা মোড়ল, রকি গোলদার, মজিবর গাজীর মতো অনেক কৃষকই পানির অভাবে পাট পচাতে (জাগ) পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

কেশবপুর প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষক পাট কেটে ওই জমিতে বোরো আবাদ করে থাকেন। সেজন্য কৃষকরা পাট কাটতে না পেরে হতাশয় পড়েছেন। কৃষকদের মধ্যে পানির জন্য হাহাকার বিরাজ করছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ঝিকরগাছায় রেললাইনের উপর চাইল্ড একাডেমীর থ্রি-হুইলার বিকল, ট্রেনের ধাক্কায় আহত ৬

যশোরের ঝিকরগাছায় রেললাইনের উপর থ্রি-হুইলার বিকল হয়ে পড়ায় ট্রেনের ধাক্কায়বিস্তারিত পড়ুন

শার্শার ভুলোটে ১৬দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে বাঁগআচড়া

যশোরের শার্শার ভুলোটে ১৬দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে ৪-০গোলেবিস্তারিত পড়ুন

শার্শা ও বেনাপোলে মদ, ইয়াবাসহ ৩ব্যক্তি আটক

যশোরের শার্শার রুদ্রপুর সীমান্ত থেকে ১০ বোতল বাংলা মদসহ একজনবিস্তারিত পড়ুন

  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জে পটল ক্ষেতের ফলন্ত গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
  • কেশবপুরের কলাগাছি বাজারে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন
  • কেশবপুরে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান উদ্বোধন
  • কেশবপুরে জাতীয় স্যানিটেশন মাস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
  • শার্শায় অন্যদের অশ্লীল দৃশ্য ভিডিও করায় যুবক নিখোঁজ! পরস্পর বিরোধী বক্তব্য
  • শার্শার ধলদায় ১৬দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাঁগআচড়া
  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জে ‘হেলাল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের’ উদ্বোধন
  • কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি সড়কটি চলাচলের অযোগ্য ॥ সংস্কার না হলে মধুমেলা ম্লানের শংকা
  • বেনাপোলে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আটক
  • কেশবপুরে মধুসূদন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় খেলায় প্রভাতী ক্লাবের জয়
  • কেশবপুরে জাতীয় কৃষক পার্টির মতবিনিময় সভা
  • নানা সমস্যায় জর্জরিত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স