মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ, ১৯ আসামি-শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আবরার ফাহাদ হত্যায় বুয়েটের অভিযুক্ত ১৯ জনকে অস্থায়ী বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া এই মুহূর্ত থেকে বুয়েটে সব দলের ছাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন তিনি।

ভিসি বলেন, ‘আমার নিজ ক্ষমতায় বুয়েটের সব রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করছি।’

এ সময় জোর করতালিতে এ সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানান শিক্ষার্থীরা।

অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন থেকে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শিক্ষার্থীদের আলটিমেটামের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

আবরারের বিষয়ে ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে এবং মামলার খরচ বুয়েট কর্তৃপক্ষ বহন করবে। বিচারকাজ দ্রুত শেষ করতে সরকারকে চিঠি দেয়া হবে।

হলগুলোয় র‌্যাগিংয়ের নামে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে দ্রুততম সময়ে তদন্ত কমিটি করে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে ভিসি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্যাম্পাসের মধ্যে সিসিটিভি বসানো হবে। এ জন্য সময়ের প্রয়োজন রয়েছে।

বক্তব্যের শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নেন ভিসি। বলেন, ‘‘আমার কিছুটা ভুল হয়েছে, আমি তোমাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমার ভুল আমি স্বীকার করেছি, তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দাও।’

‘আবরার আমার সন্তানের মতো ছিল। তোমাদের যেমন কষ্ট লাগছে তার মৃত্যুতে আমারও অনেক খারাপ লেগেছে। এটি আমি মেনে নিতে পারিনি। তার মৃত্যুতে দুঃখ তোমরা পেয়েছ, আমিও পেয়েছি। আমরা সকলেই মর্মাহত।’

এর আগে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে উপাচার্য অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করেন। তিনি ও ডিএসডব্লিউ পরিচালকসহ সাতজন মঞ্চে বসেন। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনরাও আলোচনায় উপস্থিত রয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, বৈঠকে ১০ দফা দাবি ও আবরার হত্যার ঘটনায় উঠে আসা ইস্যুগুলো নিয়ে ভিসির কাছে জবাব চাওয়া হবে।

এর আগে আলোচনায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে সারিবদ্ধভাবে অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করেন। অডিটোরিয়ামে প্রবেশের জন্য সাংবাদিকদের প্রেস কার্ড দেন শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দুইতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’ নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে বুয়েট ক্যাম্পাস।

অভিযুক্ত ১৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘোষণা

আবরার ফাহাদ হত্যায় বুয়েটের অভিযুক্ত ১৯ জনকে অস্থায়ী বহিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। বুয়েটের অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় এ কথা জানান তিনি। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে উপস্থিত হন।

এদিকে বুয়েট ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একাংশ প্রবেশ করলেও অডিটোরিয়াম ভরে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী বাইরে রাস্তায় অবস্থান করছেন।

শিক্ষার্থীদের আলটিমেটামের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম শুক্রবার (১১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এর আগে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে উপাচার্য অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করেন। তিনি ও ডিএসডব্লিউ পরিচালকসহ সাতজন মঞ্চে বসেন। শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনরাও বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, বৈঠকে ১০ দফা দাবি ও আবরার হত্যার ঘটনায় উঠে আসা ইস্যুগুলো নিয়ে ভিসির কাছে জবাব চাওয়া হবে।

এর আগে বৈঠকে অংশ নিতে শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে সারিবদ্ধভাবে অডিটোরিয়ামে প্রবেশ করেন। অডিটোরিয়ামে প্রবেশের জন্য সাংবাদিকদের প্রেস কার্ড দেন শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দুইতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

buet-student

সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’ নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে বুয়েট ক্যাম্পাস।

অভিযুক্ত ১৯ বুয়েট শিক্ষার্থীর পরিচয়

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় সোমবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে করা এই মামলায় আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ১৯ জনের নাম।

মামলার এক নম্বর আসামি করা হয়েছে মেহেদী হাসান রাসেল (২৪) কে। তিনি ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাধারণ সম্পাদক। তার বাবার নাম রুহুল আমিন, গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সালথা থানার সূর্যদিয়া রাংগারদিয়ায়। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ৩০১২ নম্বর রুমের শিক্ষার্থী তিনি।

দুই নম্বর আসামি মুহতাসিম ফুয়াদ (২৩) ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সহসভাপতি। তার বাবার নাম আবু তাহের। গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়ার দৌলতপুর লাঙ্গলমোড়ায়। একই হলের ২০১০ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থী।

মামলার তিন নম্বর আসামি অনিক সরকার (২২) ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। তার বাবার নাম আনোয়ার হোসেন। গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর থানার বড়ইকুড়িতে। তিনি একই হলের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

এ মামলার চার নম্বর আসামি ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন (২২)। তার বাবার নাম মাকসুদ আলী। গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর পবা থানার চৌমহনীর কাপাসিয়ায়। একই হলের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

পাঁচ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ আছে ইফতি মোশারফ সকালের (২১) নাম। তিনি ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার উপসমাজসেবা সম্পাদক। বাবার নাম ফকির মোশারফ হোসেন। স্থায়ী ঠিকানা রাজবাড়ী সদরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ৩৯৫ নম্বর বাসা। একই হলের ২০১১ নম্বর কক্ষের ও বায়ো মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তিনি।

মামলার ছয় নম্বর আসামি মনিরুজ্জামান মনির (২১) ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার সাহিত্য সম্পাদক। বাবার নাম মাহতাব আলী। গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার ভাঙ্গারীপাড়ায়। একই হলের পানি সম্পদ বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। সাত নম্বর আসামি- মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (২২)। ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার ক্রীড়া সম্পাদক। বাবার নাম শহিদুল ইসলাম। গ্রামের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর থানার শঠিবাড়ী এলাকায়। একই হলের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ৮ নম্বর আসামি হলো মাজেদুল ইসলাম (২১)। তার সাংগঠনিক পরিচয় এখনো জানা যায়নি, ঠিকানাও অজ্ঞাত। শেরেবাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ম্যাটেরিয়াল অ্যান্ড ম্যাটার্লজিক্যাল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র তিনি।

নয় নম্বর আসামি মোজাহিদুল ওরফে মোজাহিদুর রহমান (২১)। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সদস্য, ঠিকানা অজ্ঞাত। বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ৩০৩ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থী ও ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচ। ১০ নম্বর আসামি হলো- তানভীর আহম্মেদ (২১)। সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১১ নম্বর আসামি হলো হোসেন মোহাম্মদ তোহা (২০), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের ২১১ নম্বর কক্ষের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১২ নম্বর আসামি হলো- জিসান (২১), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের ৩০৩ নম্বর কক্ষের ছাত্র ও ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

এ মামলার ১৩ নম্বর আসামি আকাশ (২১) শেরেবাংলা হলের ১০০৮ নম্বর কক্ষের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তবে সাংগঠনিক পরিচয় এখনো জানা যায়নি। ১৪ নম্বর আসামি শামীম বিল্লাহর (২০) সাংগঠনিক পরিচয় এবং ঠিকানাও অজ্ঞাত। একই হলের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ১৫ নম্বর আসামি শাদাত (২০) একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র। ১৬ নম্বর আসামি হলো এহতেশামুল রাব্বি তানিম (২০), ছাত্রলীগের বুয়েট শাখা কমিটির সদস্য। তিনি একই হলের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মামলার ১৭ নম্বর আসামি মোর্শেদের (২০), সাংগঠনিক পরিচয় ও ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তিনি। ১৮ নম্বর আসামি হলো- মোয়াজ (২০)। একই হলের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

১৯ নম্বর আসামি হলো- মুনতাসির আল জেমি (২০), ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার সদস্য। ঠিকানা অজ্ঞাত। একই হলের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সড়ক আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি না করার নির্দেশ মন্ত্রীর

নতুন সড়ক পরিবহন আইন প্রয়োগে যেন কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি নাবিস্তারিত পড়ুন

৩০ টাকায় পেঁয়াজ আমদানি করে ২৫০ টাকায় বিক্রি

বিভিন্ন দেশ থেকে মাত্র ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেবিস্তারিত পড়ুন

‘মুজিববর্ষ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন মোদি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিববর্ষে’র উদ্বোধনীবিস্তারিত পড়ুন

  • রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের একটি হাত রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই: সেতুমন্ত্রী
  • ট্রেন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
  • মাত্র ৩০ সেকেন্ডের খেসারতে ঝরল এতগুলো প্রাণ
  • কসবা ট্রেন দুর্ঘটনা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের শোক
  • মঙ্গলবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও পেছাল
  • রোহিঙ্গারা গোটা অঞ্চলের জন্যই হুমকি: প্রধানমন্ত্রী
  • খালি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের নামের ভাণ্ডার, নতুন নাম তৈরিতে ব্যস্ত যে ৮ দেশ
  • বুলবুলকে ‘রুখে দিল’ প্রকৃতির ঢাল সুন্দরবন
  • ৮ জেলায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কেড়ে নিল ১০ প্রাণ
  • জাতীয় প্রতিবন্দী ক্রিকেট দল বেনাপোল দিয়ে ভারত গেলেন খেলতে
  • উপকূলীয় জেলাগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ১১ ও ১২ নভেম্বর