বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

‘সাহায্য’ চেয়ে ‘হাতপাতা’র ভোগান্তি

‘ভিক্ষুকমুক্ত কলারোয়া উপজেলা’ শুক্রবারে ‘ফকিরবার’

কলারোয়া ‘ভিক্ষুক মুক্ত উপজেলা!’ অথচ খোদ উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের সামনে-ই ভিক্ষুকদের মিলন মেলা। শুক্রবার (৮নভেম্বর) এ দৃশ্য চোখে পড়েছে।

সপ্তহের অন্যদিনগুলোতে একটু কম হলেও শুক্রবার এলে ভিক্ষুকদের আধিক্যতা বেড়েই চলেছে। বাজারের দোকানদার, ব্যবসায়ী, বাসা-বাড়ির বাসিন্দা ও সাধারণ জনগণও ভিক্ষুকদের ‘হাত পাতা’র কাছে রীতিমতো অসহায়।

মঞ্জুরুল আলম লিটনসহ মুসল্লি ও ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন- ‘কলারোয়া উপজেলাকে কয়েকবছর আগে ‘ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা’ ঘোষনা করা হলেও আজো তা বাস্তবে পরিলক্ষিত হয় না। শুক্রবার খোদ উপজেলা মসজিদের সামনে জুম্মার নামাজের পরে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ভিক্ষুকেরা লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে। এমন দৃশ্য অন্য মসজিদগুলোর সামনেও। এমনকি সকাল থেকে দোকানগুলো পর্যায়ক্রমে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিক্ষুকরা। আর পুরুষ ভিক্ষুকরা জুম্মার নামাজের সময় শেষের কাতারে অবস্থান করেন, ফরজ নামাজের সালাম শেষে হতেই তারা মসজিদের বাইরে দাড়িয়ে যান।’

তারা আরো জানান- ‘ভিক্ষুকরা এখন আর ভিক্ষা চান না, সকলেই এসে ‘সাহায্য’ চান। এসকল ভিক্ষুকদের অধিকাংশ ব্যক্তি-ই কর্মক্ষম। কাজ করার কথা বললে তারা নানান অজুহাত দেখান।’

কয়েকজন দোকানদার জানান- ‘তাদের অনেকে ১টাকার কয়েন দিলে নিতে চান না, কমপক্ষে ২টাকার কয়েন দিতে হয়। একেকজন দোকানদার প্রতি শুক্রবার ভিক্ষুকপ্রতি ১/২টাকার কতগুলো কয়েন অর্থাৎ কত টাকা ভিক্ষুকদের দিতে হয় তার হিসাব নেই, তবে তা ১’শ টাকার নিচে নয়।’

সাধারণ মানুষ মন্তব্য করেছেন- ‘ভিক্ষুক মুক্ত, তবে কী ফ‌কিরমুক্ত হয়‌নি? উপজেলা সদর শুক্রবার ‘ফ‌কিরবার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এসব ফকিরেরা বেশ নিয়ম মেনে ভিক্ষা করেন। তাদের মধ্যে সারিবদ্ধ শৃংখলাও দেখা যায়।’

সপ্তাহের অন্য দিন এসকল ভিক্ষুকরূপী ফকিররা কলারোয়া পৌরসদরের দোকানদারদের তেমন বিরক্ত করেন না। তবে শুক্রবার জুম্মার দিনে সকাল থেকেই শুর হয় ভিক্ষুকদের ফকিরি কার্যক্রম। দলবেঁধে ও এককভাবে তারা বাজারের দোকানে দোকানে গিয়ে ভিক্ষার টাকা সংগ্রহ ক‌রেন। জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলা মসজিদ, থানা জামে মসজিদ, কাছারী মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড মসজিদ, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদের সামনে তাদের উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন- ‘দু:খজনক হলেও সত্য যে, ভিক্ষুকমুক্ত করণ প্রকল্পে এদের অনেকে সহায়তাপ্রাপ্ত। তবে পেশা আর নেশায় অনেকে এটা ছাড়তে পারছেন না। অনেকে আবার বেশ স্বচ্ছল তবুও তারা ভিক্ষুক।’

বাসা-বাড়ির বাসিন্দারা জানান- ‘আগত ভিক্ষুকরা এখন আর চাউল নিতে চান না। তারা টাকা দাবি করেন।’

উপস্থিত ভিক্ষুকদের পরিচয় জানাতে চাইলে তারা অধিকাংশ অন্য উপজেলার বাসিন্দা বলে জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী যানবাহন ও জনচলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা

সাতক্ষীরা জেলায় জরুরী সেবা ব্যতীত সকল যানবাহন ও মানুষের চলাচলবিস্তারিত পড়ুন

অঘোষিত লকডাউনে কলারোয়ায় মৎস শিকারে সময় কাটাচ্ছেন মৎস শিকারিরা!

সারা বিশ্ব যেখানে করোনা মহামারির কবলে বাংলাদেশেও তার বেতিক্রম নয়।বিস্তারিত পড়ুন

করোনায় দোকান খোলা ও বাইরে ঘোরাঘুরি: কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা

সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অভিযোগে কলারোয়ায় কয়েকজনবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় মৃত ব্যক্তির নামে কৃষি ঋণ!!
  • কলারোয়ায় কর্মহীনদের মাঝে ১০ টাকায় চাল বিক্রি শুরু
  • কলারোয়ায় প্রতিপক্ষের দ্বারা মহিলা আহত!
  • সাবেক এমপি এমএ জব্বারের মৃত্যুতে দিদার বখত ও কলারোয়া জাপার শোক
  • করোনা: কলারোয়ার জালালাবাদে রাতে সচেতনামূলক মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ
  • কলারোয়ায় মৃত ব্যক্তির নামে কৃষি ঋণ
  • করোনা ভাইরাস আছে কিনা নিশ্চিত হতে কলারোয়ায় ১১জনের নমুনা সংগ্রহ
  • করোনা ঝুঁকির মধ্যেও চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রেখেছেন কলারোয়ার ডাক্তার শফিকুল
  • কলারোয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক এক
  • করোনার ছুটিতে শিক্ষার্থীদের মাথা ন্যাড়ার হিড়িক
  • সাতক্ষীরা মেডিকেলে জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে মালয়েশিয়া ফেরত যুবক ভর্তি
  • অহেতুক ঘোরাঘুরি: সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী ২৪ ঘণ্টায় ৫৮জনকে জরিমানা