বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

‘সাহায্য’ চেয়ে ‘হাতপাতা’র ভোগান্তি

‘ভিক্ষুকমুক্ত কলারোয়া উপজেলা’ শুক্রবারে ‘ফকিরবার’

কলারোয়া ‘ভিক্ষুক মুক্ত উপজেলা!’ অথচ খোদ উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের সামনে-ই ভিক্ষুকদের মিলন মেলা। শুক্রবার (৮নভেম্বর) এ দৃশ্য চোখে পড়েছে।

সপ্তহের অন্যদিনগুলোতে একটু কম হলেও শুক্রবার এলে ভিক্ষুকদের আধিক্যতা বেড়েই চলেছে। বাজারের দোকানদার, ব্যবসায়ী, বাসা-বাড়ির বাসিন্দা ও সাধারণ জনগণও ভিক্ষুকদের ‘হাত পাতা’র কাছে রীতিমতো অসহায়।

মঞ্জুরুল আলম লিটনসহ মুসল্লি ও ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন- ‘কলারোয়া উপজেলাকে কয়েকবছর আগে ‘ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা’ ঘোষনা করা হলেও আজো তা বাস্তবে পরিলক্ষিত হয় না। শুক্রবার খোদ উপজেলা মসজিদের সামনে জুম্মার নামাজের পরে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ভিক্ষুকেরা লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে। এমন দৃশ্য অন্য মসজিদগুলোর সামনেও। এমনকি সকাল থেকে দোকানগুলো পর্যায়ক্রমে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিক্ষুকরা। আর পুরুষ ভিক্ষুকরা জুম্মার নামাজের সময় শেষের কাতারে অবস্থান করেন, ফরজ নামাজের সালাম শেষে হতেই তারা মসজিদের বাইরে দাড়িয়ে যান।’

তারা আরো জানান- ‘ভিক্ষুকরা এখন আর ভিক্ষা চান না, সকলেই এসে ‘সাহায্য’ চান। এসকল ভিক্ষুকদের অধিকাংশ ব্যক্তি-ই কর্মক্ষম। কাজ করার কথা বললে তারা নানান অজুহাত দেখান।’

কয়েকজন দোকানদার জানান- ‘তাদের অনেকে ১টাকার কয়েন দিলে নিতে চান না, কমপক্ষে ২টাকার কয়েন দিতে হয়। একেকজন দোকানদার প্রতি শুক্রবার ভিক্ষুকপ্রতি ১/২টাকার কতগুলো কয়েন অর্থাৎ কত টাকা ভিক্ষুকদের দিতে হয় তার হিসাব নেই, তবে তা ১’শ টাকার নিচে নয়।’

সাধারণ মানুষ মন্তব্য করেছেন- ‘ভিক্ষুক মুক্ত, তবে কী ফ‌কিরমুক্ত হয়‌নি? উপজেলা সদর শুক্রবার ‘ফ‌কিরবার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এসব ফকিরেরা বেশ নিয়ম মেনে ভিক্ষা করেন। তাদের মধ্যে সারিবদ্ধ শৃংখলাও দেখা যায়।’

সপ্তাহের অন্য দিন এসকল ভিক্ষুকরূপী ফকিররা কলারোয়া পৌরসদরের দোকানদারদের তেমন বিরক্ত করেন না। তবে শুক্রবার জুম্মার দিনে সকাল থেকেই শুর হয় ভিক্ষুকদের ফকিরি কার্যক্রম। দলবেঁধে ও এককভাবে তারা বাজারের দোকানে দোকানে গিয়ে ভিক্ষার টাকা সংগ্রহ ক‌রেন। জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলা মসজিদ, থানা জামে মসজিদ, কাছারী মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড মসজিদ, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদের সামনে তাদের উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন- ‘দু:খজনক হলেও সত্য যে, ভিক্ষুকমুক্ত করণ প্রকল্পে এদের অনেকে সহায়তাপ্রাপ্ত। তবে পেশা আর নেশায় অনেকে এটা ছাড়তে পারছেন না। অনেকে আবার বেশ স্বচ্ছল তবুও তারা ভিক্ষুক।’

বাসা-বাড়ির বাসিন্দারা জানান- ‘আগত ভিক্ষুকরা এখন আর চাউল নিতে চান না। তারা টাকা দাবি করেন।’

উপস্থিত ভিক্ষুকদের পরিচয় জানাতে চাইলে তারা অধিকাংশ অন্য উপজেলার বাসিন্দা বলে জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় চাউল, পিয়াজ ও লবনের মূল্য বৃদ্ধির গুজব সংক্রান্ত জরুরী মতবিনিময় সভা

চাউল, পিয়াজ ও লবনের মূল্য বৃদ্ধির গুজব সংক্রান্ত জরুরী মতবিনিময়বিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় মারামারি, আহত ৩

কলারোয়ায় তুচ্ছ ঘটনার জেওে মারামারিতে ৩ব্যক্তি আহত হয়েছে। আহতরা হলেনবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরায় তৃতীয় দিনের বাস ধর্মঘটে প্রভাব পড়ছে ভোমরা বন্দরে

নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে সাতক্ষীরায় তৃতীয় দিনের মতবিস্তারিত পড়ুন

  • লবণ: কলারোয়ার বিভিন্ন বাজারে গুজব রোধে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, ওসির অভিযান
  • গুজবে কান দেবেন না, লবনের সংকট নেই : লবনের দাম বৃদ্ধির গুজবে কলারোয়ায় হুলস্থুল কান্ড
  • কলারোয়ার সোনাবাড়ীয়ায় দুর্নীতি-সন্ত্রাস বিরোধী জনসভা
  • কলারোয়ায় মহিলাসহ ৬ আসামি আটক
  • সাতক্ষীরায় চলছে দ্বিতীয় দিনের বাস ধর্মঘট
  • সাতক্ষীরা জেলা ব্যাপী মাদক মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ১২
  • সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে কলারোয়ার বিস্তীর্ণ মাঠ
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে প্রয়াত এড.কিনুলাল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
  • কলারোয়ার গয়ড়ায় ব্র্যাক ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন
  • নতুন সড়ক পরিবহন আইন : প্রতিবাদে সাতক্ষীরার সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ
  • কলারোয়ায় আগামি পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে মজনু চৌধুরীর নাম মুখে মুখে
  • কলারোয়ায় সমাপনী পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৪২ পরীক্ষার্থী