শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

‘সাহায্য’ চেয়ে ‘হাতপাতা’র ভোগান্তি

‘ভিক্ষুকমুক্ত কলারোয়া উপজেলা’ শুক্রবারে ‘ফকিরবার’

কলারোয়া ‘ভিক্ষুক মুক্ত উপজেলা!’ অথচ খোদ উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের সামনে-ই ভিক্ষুকদের মিলন মেলা। শুক্রবার (৮নভেম্বর) এ দৃশ্য চোখে পড়েছে।

সপ্তহের অন্যদিনগুলোতে একটু কম হলেও শুক্রবার এলে ভিক্ষুকদের আধিক্যতা বেড়েই চলেছে। বাজারের দোকানদার, ব্যবসায়ী, বাসা-বাড়ির বাসিন্দা ও সাধারণ জনগণও ভিক্ষুকদের ‘হাত পাতা’র কাছে রীতিমতো অসহায়।

মঞ্জুরুল আলম লিটনসহ মুসল্লি ও ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন- ‘কলারোয়া উপজেলাকে কয়েকবছর আগে ‘ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা’ ঘোষনা করা হলেও আজো তা বাস্তবে পরিলক্ষিত হয় না। শুক্রবার খোদ উপজেলা মসজিদের সামনে জুম্মার নামাজের পরে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ভিক্ষুকেরা লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে। এমন দৃশ্য অন্য মসজিদগুলোর সামনেও। এমনকি সকাল থেকে দোকানগুলো পর্যায়ক্রমে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিক্ষুকরা। আর পুরুষ ভিক্ষুকরা জুম্মার নামাজের সময় শেষের কাতারে অবস্থান করেন, ফরজ নামাজের সালাম শেষে হতেই তারা মসজিদের বাইরে দাড়িয়ে যান।’

তারা আরো জানান- ‘ভিক্ষুকরা এখন আর ভিক্ষা চান না, সকলেই এসে ‘সাহায্য’ চান। এসকল ভিক্ষুকদের অধিকাংশ ব্যক্তি-ই কর্মক্ষম। কাজ করার কথা বললে তারা নানান অজুহাত দেখান।’

কয়েকজন দোকানদার জানান- ‘তাদের অনেকে ১টাকার কয়েন দিলে নিতে চান না, কমপক্ষে ২টাকার কয়েন দিতে হয়। একেকজন দোকানদার প্রতি শুক্রবার ভিক্ষুকপ্রতি ১/২টাকার কতগুলো কয়েন অর্থাৎ কত টাকা ভিক্ষুকদের দিতে হয় তার হিসাব নেই, তবে তা ১’শ টাকার নিচে নয়।’

সাধারণ মানুষ মন্তব্য করেছেন- ‘ভিক্ষুক মুক্ত, তবে কী ফ‌কিরমুক্ত হয়‌নি? উপজেলা সদর শুক্রবার ‘ফ‌কিরবার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এসব ফকিরেরা বেশ নিয়ম মেনে ভিক্ষা করেন। তাদের মধ্যে সারিবদ্ধ শৃংখলাও দেখা যায়।’

সপ্তাহের অন্য দিন এসকল ভিক্ষুকরূপী ফকিররা কলারোয়া পৌরসদরের দোকানদারদের তেমন বিরক্ত করেন না। তবে শুক্রবার জুম্মার দিনে সকাল থেকেই শুর হয় ভিক্ষুকদের ফকিরি কার্যক্রম। দলবেঁধে ও এককভাবে তারা বাজারের দোকানে দোকানে গিয়ে ভিক্ষার টাকা সংগ্রহ ক‌রেন। জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলা মসজিদ, থানা জামে মসজিদ, কাছারী মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড মসজিদ, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদের সামনে তাদের উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন- ‘দু:খজনক হলেও সত্য যে, ভিক্ষুকমুক্ত করণ প্রকল্পে এদের অনেকে সহায়তাপ্রাপ্ত। তবে পেশা আর নেশায় অনেকে এটা ছাড়তে পারছেন না। অনেকে আবার বেশ স্বচ্ছল তবুও তারা ভিক্ষুক।’

বাসা-বাড়ির বাসিন্দারা জানান- ‘আগত ভিক্ষুকরা এখন আর চাউল নিতে চান না। তারা টাকা দাবি করেন।’

উপস্থিত ভিক্ষুকদের পরিচয় জানাতে চাইলে তারা অধিকাংশ অন্য উপজেলার বাসিন্দা বলে জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অগ্রগতি সংস্থার পিস প্রকল্পের সাইকো সোসাল সাপোর্ট গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত

কলারোয়ায় অগ্রগতি সংস্থার পিস প্রকল্পের আয়োজনে সাইকো সোসাল সাপোর্ট গ্রুপবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় ৫ দিন ব্যাপী উপজেলা স্কাউট সমাবেশের উদ্বোধন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৫ দিন ব্যাপী উপজেলা স্কাউট সমাবেশের উদ্বোধন করাবিস্তারিত পড়ুন

  • ক্রিকেটার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী কে সংবর্ধনা দিল চন্দনপুরের প্রিমিয়াম ছাত্র সংঘ
  • কলারোয়ায় অগ্রগতি সংস্থার সাইকো সোসাল সাপোর্ট গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় ৫ দিন ব্যাপী উপজেলা স্কাউট সমাবেশের উদ্বোধন
  • ‘ক্লিন সাতক্ষীরা, গ্রিন সাতক্ষীরা’ বাস্তবায়নে কলারোয়ায় মতবিনিময় সভা
  • কলারোয়ার কাকডাঙ্গা সীমান্তে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার
  • কলারোয়ার বড়ালিতে দিনের বেলায় তাফসিরুল কোরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ায় শতবর্ষী আতর আলীর ইন্তেকাল ।। দাফন সম্পন্ন
  • কলারোয়ায় ওয়ারেন্টভুক্ত ৫ আসামি গ্রেপ্তার
  • ক্রিকেটার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে কলারোয়া ড্রিম আইটি এ্যান্ড রিসার্স সেন্টারের সংবর্ধনা
  • ১৭বছর ধরে বাইসাইকেল চালিয়ে সাতক্ষীরা থেকে রাজশাহীর ইজতেমায় যান আব্দুল বারী
  • কলারোয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
  • কলারোয়ায় ৩ দিন ব্যাপী কৃষি মেলার উদ্বোধন