শুক্রবার, জুন ৫, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

‘সাহায্য’ চেয়ে ‘হাতপাতা’র ভোগান্তি

‘ভিক্ষুকমুক্ত কলারোয়া উপজেলা’ শুক্রবারে ‘ফকিরবার’

কলারোয়া ‘ভিক্ষুক মুক্ত উপজেলা!’ অথচ খোদ উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের সামনে-ই ভিক্ষুকদের মিলন মেলা। শুক্রবার (৮নভেম্বর) এ দৃশ্য চোখে পড়েছে।

সপ্তহের অন্যদিনগুলোতে একটু কম হলেও শুক্রবার এলে ভিক্ষুকদের আধিক্যতা বেড়েই চলেছে। বাজারের দোকানদার, ব্যবসায়ী, বাসা-বাড়ির বাসিন্দা ও সাধারণ জনগণও ভিক্ষুকদের ‘হাত পাতা’র কাছে রীতিমতো অসহায়।

মঞ্জুরুল আলম লিটনসহ মুসল্লি ও ভুক্তভোগিরা জানিয়েছেন- ‘কলারোয়া উপজেলাকে কয়েকবছর আগে ‘ভিক্ষুকমুক্ত উপজেলা’ ঘোষনা করা হলেও আজো তা বাস্তবে পরিলক্ষিত হয় না। শুক্রবার খোদ উপজেলা মসজিদের সামনে জুম্মার নামাজের পরে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ভিক্ষুকেরা লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকে। এমন দৃশ্য অন্য মসজিদগুলোর সামনেও। এমনকি সকাল থেকে দোকানগুলো পর্যায়ক্রমে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিক্ষুকরা। আর পুরুষ ভিক্ষুকরা জুম্মার নামাজের সময় শেষের কাতারে অবস্থান করেন, ফরজ নামাজের সালাম শেষে হতেই তারা মসজিদের বাইরে দাড়িয়ে যান।’

তারা আরো জানান- ‘ভিক্ষুকরা এখন আর ভিক্ষা চান না, সকলেই এসে ‘সাহায্য’ চান। এসকল ভিক্ষুকদের অধিকাংশ ব্যক্তি-ই কর্মক্ষম। কাজ করার কথা বললে তারা নানান অজুহাত দেখান।’

কয়েকজন দোকানদার জানান- ‘তাদের অনেকে ১টাকার কয়েন দিলে নিতে চান না, কমপক্ষে ২টাকার কয়েন দিতে হয়। একেকজন দোকানদার প্রতি শুক্রবার ভিক্ষুকপ্রতি ১/২টাকার কতগুলো কয়েন অর্থাৎ কত টাকা ভিক্ষুকদের দিতে হয় তার হিসাব নেই, তবে তা ১’শ টাকার নিচে নয়।’

সাধারণ মানুষ মন্তব্য করেছেন- ‘ভিক্ষুক মুক্ত, তবে কী ফ‌কিরমুক্ত হয়‌নি? উপজেলা সদর শুক্রবার ‘ফ‌কিরবার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এসব ফকিরেরা বেশ নিয়ম মেনে ভিক্ষা করেন। তাদের মধ্যে সারিবদ্ধ শৃংখলাও দেখা যায়।’

সপ্তাহের অন্য দিন এসকল ভিক্ষুকরূপী ফকিররা কলারোয়া পৌরসদরের দোকানদারদের তেমন বিরক্ত করেন না। তবে শুক্রবার জুম্মার দিনে সকাল থেকেই শুর হয় ভিক্ষুকদের ফকিরি কার্যক্রম। দলবেঁধে ও এককভাবে তারা বাজারের দোকানে দোকানে গিয়ে ভিক্ষার টাকা সংগ্রহ ক‌রেন। জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলা মসজিদ, থানা জামে মসজিদ, কাছারী মসজিদ, বাসস্ট্যান্ড মসজিদ, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদের সামনে তাদের উপস্থিতি দৃশ্যমান হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন- ‘দু:খজনক হলেও সত্য যে, ভিক্ষুকমুক্ত করণ প্রকল্পে এদের অনেকে সহায়তাপ্রাপ্ত। তবে পেশা আর নেশায় অনেকে এটা ছাড়তে পারছেন না। অনেকে আবার বেশ স্বচ্ছল তবুও তারা ভিক্ষুক।’

বাসা-বাড়ির বাসিন্দারা জানান- ‘আগত ভিক্ষুকরা এখন আর চাউল নিতে চান না। তারা টাকা দাবি করেন।’

উপস্থিত ভিক্ষুকদের পরিচয় জানাতে চাইলে তারা অধিকাংশ অন্য উপজেলার বাসিন্দা বলে জানান।

একই রকম সংবাদ সমূহ

করোনা আক্রান্তদের জন্য পাঠানো হলো সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের সুষম ফুড প্যাকেজ

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফাবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় আম্ফানে লন্ডভন্ড বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্থের তালিকায় নেই এক হতদরিদ্র

কলারোয়ায় সুপার সাইক্লোন ঘুর্ণিঝড় আম্ফানে লন্ডভন্ড হয়ে যায় শাহাজাহান মোল্যাবিস্তারিত পড়ুন

দরিদ্রতাকে হার মানিয়ে ‘এ+’ অর্জন করলো কলারোয়ার কেঁড়াগাছির ইকরামুল

দরিদ্রতাকে হার মানিয়ে ‘এ+’ অর্জন করলো কলারোয়ার কেঁড়াগাছির ইকরামুল ইসলাম।বিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদ) উদ্যোগে সহায়তা প্রদান
  • ক্ষমতা ক্ষণ স্থায়ী, তবে কর্মের ভিতরে মানুষ চির স্মরনীয় হয়ে থাকে
  • কলারোয়ায় বিদায়ী ইউএনও’কে সম্মাননা আ.লীগের
  • কলারোয়ায় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায়ী ইউএনও’কে সম্মাননা
  • বাগআঁচড়া গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার উদ্যোগে মাস্ক ও হ্যান্ডগ্লাভস বিতরণ
  • কলারোয়ার গোয়ালচাতর বাজার কমিটির উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে
  • এসএসসি’তে কলারোয়ার নাহিদ মল্লিক ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছে
  • কলারোয়ার ইউএনও এবং সমবায় কর্মকর্তার বিদায় সম্মাননা
  • কলারোয়ায় বিধবা ভাতা ও শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ
  • কলারোয়া ইউএনও, সমাজসেবা ও কৃষি অফিসে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রদান
  • কলারোয়ায় আম্পান ঝড়ে বিধস্ত বেত্রবতী প্রতিবন্ধী স্কুল, স্তম্ভিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন
  • কলারোয়ার আরো এক যুবক করোনায় আক্রান্ত।। এ পর্যন্ত শনাক্ত ৭