বুধবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

মনিরামপুরের রাজগঞ্জে রসুনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

দেশের যেসব স্থানে রসুন আবাদ বেশি হয় তার মধ্যে অন্যতম যশোরের মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের খালিয়া গ্রাম।
আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং গত কয়েক বছর ধরে ভালো দাম পাওয়ায় এটি বাণিজ্যিক ভাবে আবাদ করছে এখানকার কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি বিভাগও এবার রাজগঞ্জের খালিয়া গ্রামে রসুনের বাম্পার ফলনের আশা করছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌমুমে রাজগঞ্জের খালিয়া গ্রামে প্রায় ৩৫ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। আকস্মিক কোনও দুর্যোগ না হলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

রাজগঞ্জের যেসব স্থানে রসুনের আবাদ বেশি হয় তার মধ্যে খালিয়া, হানুয়ার, ঝাঁপা, চালুয়াহাটি গ্রাম অন্যতম।

খালিয়া গ্রামের কয়েকজন কৃষক কলারোয়া নিউজকে জানান- ‘প্রতি একর জমিতে রসুন চাষে জন (শ্রমিক) ও চাষ বাবদ খরচ হয় প্রায় ২০ হাজার টাকার মতো। আর বীজ, রাসায়নিক সার ও সেচ বাবদ খরচ হয় আরও ৩০ হাজার টাকার মতো। এতে করে প্রতি একরে খরচ হয় প্রায় ৫০ হাজার টাকার কম-বেশি। ভালো ফলন হলে একর প্রতি ৫৫ থেকে ৬০ মণ রসুন পাওয়া যায়। গড়ে প্রতি মণ রসুন আড়াই থেকে ৩ হাজার টাকা করে হলে দাম পাওয়া যায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা থেকে দেড় লাখ টাকার মতো।’

তারা আরো জানান- ‘রসুন ঘরে তোলা, বাছাই ও বাজারজাতকরণে আরও প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ বাদ দিলেও লাভ থাকে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা।’

তবে এই দামে রসুন বিক্রি করতে হলে মৌসুমের শুরুতেই নয়, একটু অপেক্ষা করতে হয় বলে অভিমত অধিকাংশ কৃষকের।

কৃষকরা আরো জানিয়েছেন- ‘বিগত কয়েক বছর ধরে ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দাম পাওয়ায় দিন দিন রসুন চাষে তাদের আগ্রহ বাড়ছে।’
এ বছর রসুনের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।

রাজগঞ্জের খালিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুস সালাম কলারোয়া নিউজকে জানান- ‘এবারে রসুনের ভাল দাম পেয়েছেন কৃষকরা। তাই অধিক লাভের আশায় এবারও তারা এটি চাষের প্রতি ঝুঁকেছেন। তাছাড়া এবার রসুন চাষাবাদের জন্য আবহাওয়া ভালো রয়েছে। প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগ না হলে এবার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা যায়।’

খালিয়া গ্রামের কৃষক আবু হানিফা, জুলফিকার আলীসহ রসুন চাষে সম্পৃক্ত আরো কয়েকজন কলারোয়া নিউজকে জানান- ‘প্রথম দিকে ভালো দাম না থাকলেও পরে এসে দাম পেয়েছেন। আবাদের মৌসুমে এবার রসুন বীজের অঙ্কুরোদগমও ভালো হয়েছে। গত বছর রসুন বিক্রি করে লাভজনক দাম পেয়েছি।’

কৃষক সফিকুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান- ‘রসুন আবাদে তেমন ঝাঁমেলা পোহাতে হয় না। সামান্য সেচ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সার ও কীটনাশক দিলেই ভালো ফলন পাওয়া যায়।’

ইউনিয়ন ভিত্তিক উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা জানান- ‘বর্তমানে সেখানকার কৃষকদের কাছে রসুন প্রধান অর্থকরী ফসল। তাই দিন দিন তারা এর আবাদে ঝুঁকছেন। কৃষকরা যেন কোনও ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হয় সেজন্য কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।’

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে- ‘ভালো ফলন হওয়ায় রসুনের ব্যাপক আবাদ হয়। এবার আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। এটি বজায় থাকলে রসুনের বাম্পার ফলন হবে। তখন নিজ এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব হবে।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যবিস্তারিত পড়ুন

কেশবপুরে সুপেয় পানির সংযোগ উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য

যশোরের কেশবপুর পৌরসভায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে মঙ্গলবার বিকালে সুপেয় পানিবিস্তারিত পড়ুন

কেশবপুরে প্রয়াত ইসমাত আরা সাদেক এমপির স্মরণ সভা ও দোয়ানুষ্ঠান

যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনায় সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী সদ্যপ্রয়াত ইসমাত আরাবিস্তারিত পড়ুন

  • বেনাপোলের বারপোতা ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন শার্শার পুটখালি
  • বেনাপোল দিয়ে ভারতে ফেরত মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর কাছে মুসলমান হওয়া ১১জনকে
  • কেশবপুরের সাগরদাঁড়িতে মধুমেলার ৬ষ্ঠ দিনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  • মণিরামপুরে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচন না করায় মাদরাসা সুপারকে শোকজ
  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লিটন হোসেন আর নেই
  • শার্শায় মাছ চাষে সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালা
  • কেশবপুরে প্রতিবন্ধীদের মাঝে কম্বল বিতরণ
  • কেশবপুরে ৩য় শ্রেণীর কর্মচারীদের কর্মবিরতী পালন
  • দেবহাটার এক সংগ্রামী পরিবার: বাবা ছিলেন সিকিউরিটি গার্ড, ছেলে এখন সহকারী জজ
  • বেনাপোলে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস পালিত
  • কেশবপুরে মধুমেলার ৫ম দিনে বক্তারা: মধুসূদন বংলা নাটককে সমৃদ্ধশালী করেছে
  • কেশবপুরে মধুমেলা : মধুসূদন পদক পেয়েছেন দুই কবি অনীক মাহমুদ ও মাসুদ আলম