@media screen and (min-width: 1279px) { body, .special-cat-sub, h5.fcpt, .m-menu a { font-size: 17px; } .subheading h2.post-title { font-size: 23px; } h4 { font-size: 19px; } }
.special-cat-sub .fb_iframe_widget { display: none; }
#footer, #container, #top-menu-container, .breaking-news { width: 90%; }
@keyframes blink { 0% { color: #cccccc; } 100% { color: white; } }
.blink { animation: blink 1s linear infinite; }

window.dataLayer = window.dataLayer || [];
function gtag(){dataLayer.push(arguments);}
gtag('js', new Date());

gtag('config', 'UA-10014966-26');

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

আরো খবর...

মাসে পেরিয়ে গেলেও ট্রলি চালু হয়নি বেনাপোল চেকপোস্টে

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে পাসপোর্ট যাত্রীদের ভোগান্তি দূর করতে ট্রলি উদ্বোধন করা হলেও এখনও পর্যন্ত তা চালু হয়নি। ১ মাস আগে এনবিআর চেয়ারম্যান ট্রলি উদ্বোধন করেন।

গত এক মাস আগে এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বেনাপোল বন্দরের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনে যাত্রীদের ল্যাগেজ বহনের সুবিধার্থে ট্রলি চালুর উদ্বোধন করেন। তিনি চলে যাওয়ার পর অদৃশ্য শক্তির কারনে তা চালু হয়নি। তবে ট্রলি গুলো বন্দর কর্তৃপক্ষের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় মজুদ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ট্রলি ব্যবহার না করেও পাসপোর্ট যাত্রীদের কাছ থেকে ৪৫ টাকা ট্যাক্স আদায় অব্যাহত আছে। রশিদে লেখা আছে ৪১.৭৫ টাকা। কিন্তু প্যাসেঞ্জার চার্জস্লিপ নামে আদায় হচ্ছে ৪৫ টাকা।

বাংলাদেশের ঢাকার পাসপোর্টযাত্রী সুমি বেগম কলারোয়া নিউজকে জানান- আমাদের নিকট থেকে কি কারনে এই ৪৫ টাকা নিচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। নেই বসার স্থান, রেষ্টুরেন্ট, শুধু রয়েছে অপরিচ্ছন্ন টয়লেট। রোদ বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা। আমাদের ভারত থেকে আসার পথে ট্রলি দিলে আমরা আমাদের ল্যাগেজ নিয়ে নিজেদের দায়িত্বে ইমিগ্রেশন-কাস্টমসে প্রবেশ করতে পারি। এতে আমাদের ল্যাগেজ ঝুকিতে থাকে না। অপরদিকে এ পথে আমরা ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঝামেলায় পড়তে হয়।

যশোরের পাসপোর্ট যাত্রী সোহরাব হোসেন কলারোয়া নিউজ’কে বলেন- (পাসপোর্ট নং- বি ওয়াই ০৭৯৭৬২৭) ভারত থেকে তার অসুস্থ্য মাকে নিয়ে আসার সময় ট্রলি বা হুইল চেয়ারের জন্য অনুরোধ করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা করেনি। আমি খুব কষ্টে মাকে নিয়ে নোম্যান্সল্যান্ড থেকে বাসস্টান্ড পর্যন্ত আসি।

এ ব্যাপারে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবির তরফদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- আমার কাছে কাস্টমসের ১০০ ট্রলি দেয়ার কথা। কিন্তু দিয়েছে মাত্র ৫০টি। ঈদের পর ট্রলি গুলোর নাম্বারিং করে পূর্নমাত্রায় চালু করব বলে আশা করছি।

ট্রলি গুলো যাতে হারিয়ে না যায় সে ব্যাপারেও একজন নির্দিষ্ট লোক নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

শার্শা হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বর সনাক্তের ব্যবস্থা না থাকার অভিযোগ

সারাদেশে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটলেও যশোরের শার্শা উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বর সনাক্তের কোন ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

৮ আগষ্ট বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শার্শা উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৭/৮জন জ্বরে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসার জন্য আসেন। এর মধ্যে তিনজনকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৎ চিকিৎসা দিতে না পারায় যশোর ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অন্যদেরকের অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে।

যারা মারাত্বক জ্বরে আক্রান্ত হয়ে যশোর ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে তার হলো নাভারন কাজীরবেড় গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান উৎস(১৭), পাকশিয়া গ্রামের রায়হান(২৬) ও সেতাই গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৩১)।
অন্যরা যশোর বিভিন্ন প্রাই হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছে বলে জানা গেছে।

সারাদেশে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটলেও যশোরের সীমান্ত শার্শা উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বর সনাক্তের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সাধারন মানুষের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু আতংক বিরাজ করছে। এজন্য শিশু, কিশোর ও বয়ষ্কদের কোন প্রকার জ্বর হলে ভয়ে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা না পেয়ে বিভিন্ন ভাবে যশোর, খুলনা, ঢাকা ছুটে বেড়াচ্ছে।

শার্শা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্যাথলজিষ্ট কবির হোসেন জানান- এ হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের পরীক্ষা করার কোন মেডিসিন নেই। যে কারনে এ হাসপাতালে আসা জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ডেঙ্গু সনাক্ত করনের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না। এ জন্য জ্বরে আক্রাতদের যশোর ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভতি ও চিকিৎসার জন্য বলা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.অশোক সাহার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- ডেঙ্গু জ্বর সনাক্তের কোন কিট মেডিসিন তার হাসপাতালে নেই। যে কারনে এ হাসপাতালে আসা জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ডেঙ্গু সনাক্ত করনের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।

তিনি জানান- চাহিদা মোতাবেক মেডিসিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ঈদের আগে তা পাবো বলে তিনি জানান। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি প্রয়োজন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কেশবপুরের বরনডালি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে কলারোয়ার কেঁড়াগাছি

কেশবপুরের বরনডালিতে ৮দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ১ম সেমিফাইনাল খেলায় টাইব্রেকারে ৪-১গোলেবিস্তারিত পড়ুন

ঝিকরগাছার উজ্জলপুরে ৭১’র ৫শহীদের ৪৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের উজ্জলপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জামাল উদ্দীনবিস্তারিত পড়ুন

কেশবপুরে কওমী উলামা পরিষদের ইসলামী মহাসম্মেলন

যশোরের কেশবপুরে কওমী উলামা পরিষদের প্রথম বার্ষিকী ইসলামী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

  • বেনাপোলের ঘিবা সীমান্তে ২কেজি স্বর্ণের বারসহ এক ব্যক্তি আটক
  • বেনাপোলের দৌলতপুর থেকে ৬পিস স্বর্ণের বারসহ নারী পাচারকারী আটক
  • বেনাপোলে সোনারবার সহ যুবক আটক
  • ঝিকরগাছার উজ্জলপুরে শহীদ দিবস ১৩ নভেম্বর
  • বেনাপোল কাস্টমস্ ভোল্টে সোনা চুরির ঘটনায় থানায় মামলা
  • বেনাপোলে কাস্টম ভল্ট ভেঙে চুরি: ১৯ কেজি সোনা গায়েব, ভল্ট ইনচার্জসহ ৭জন হেফাজতে
  • কেশবপুরে ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা কেন্দ্রের দাবি সাংবাদিক সাঈদের
  • কেশবপুরে রাসুল (সা:) জীবনীর উপর রচনা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা
  • বেনাপোল কাস্টমসে লকার ভেঙ্গে চুরি, তোলপাড়
  • কেশবপুরে বালতির পানিতে পড়ে ঘুমন্ত শিশুর করুন মৃত্যু
  • বেনাপোলে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
  • ঘুর্ণিঝড় বুলবুল : মনিরামপুরে দরিদ্র পেঁপে চাষি সরোয়ারের স্বপ্নভঙ্গ