শনিবার, জুন ৬, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

মৃত্যুর কোলেই ঢোলে পড়লো কলারোয়ায় দূর্ঘটনায় আহত সেই ভ্যানচালক

মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে কলারোয়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় আহত ভ্যান চালক মনিরুল ইসলাম মারা গেছে।

রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। সোমবার দুপুরে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

নিহত মনিরুল উপজেলা কুশোডাঙ্গার গ্রামের মৃত নওশের আলীর পুত্র পুত্র।

গত ১০ অক্টোবর বেলা ১০টার দিকে কাজিরহাটের দিগং-এ কাজিরহাট-কুশোডাঙ্গা সড়কে পানির বোতল বাহী নছিমনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- ওইদিন ভ্যানচালক মনিরুল কাজিরহাট থেকে ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দিগং চৌরাস্তার নিকট পৌছুলে পিছন দিক থেকে পানির বোতল ভর্তি একটি নছিমন সজোরে ধাক্কা দেয় মনিরুলের ভ্যানে। এতে সে রাস্তার পাশে গাছের সাথে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তার মেরুদন্ডের হাড় ভেঙ্গে যায়। দূর্ঘটনাকবলিত পানির বোতলবাহী নছিমনের মালিক কাজিরহাটের নিউ গাজী পানির সত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম লিটন আহত মনিরুলকে কলারোয়া হাসপাতালে পৌছে দেন। সেখানে ৩দিন চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে মনিরুলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লো আহত ভ্যানচালক মনিরুল।

এদিকে, টাকার অভাবে মনিরুলের সুচিকিৎসা হয়নি বলে জানিয়েছেন নিহতের মা ও স্ত্রী জয়তুন বেগম। নিহতের মা জানান- ছেলের চিকিৎসার জন্য গাজী পানির মালিক লিটনের গ্রামের বাড়িতে গেলে তারা কোন টাকা দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেন। এমনকি ছেলের মৃত্যুর পরে তার জানাজা নামাজেও আসেনি তারা।

সোমবার (২১অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে মনিরুলের লাশ খুলনা থেকে গ্রামের বাড়ি কুশোডাঙ্গায় আনা হয়। বেলা ১১টার দিকে নামাজে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে, আহত ভ্যানচালকের মৃত্যুর খবরে কলারোয়া থানার ওসি শেখ মুনীর-উল-গীয়াস দুইজন পুলিশ অফিসারকে নিহতের বাড়িতে পাঠিয়ে সার্বিক অবস্থার খোজ খবর নেন ও সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি জানান- অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

নিহত মনিরুলের স্ত্রী কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন- ৩টি মেয়ে সন্তান নিয়ে আমি কোথায় দাঁড়াবো? আমার স্বামী ভ্যান চালিয়ে ৬জন সদস্যের এই সংসার চালাতো। দু’বছর আগে আমার শ্বশুর বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছেন। আমার শ্বাশুড়ীর ভরণপোষনের দায়িত্ব ছিল আমার স্বামীর উপর। তার পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

নিহত মনিরুলের পরিবার আরো জানান- যারা অন্যায়ভাবে আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে তারা যেন আমার ৩টা এতিম সন্তানের মুখে দু’বেলা ভাত তুলে দেয়ার একটা ব্যবস্থা করে দেয়। আমরা তাদের নামে এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়েরও করিনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় করোনা আক্রান্ত সকলেই দৃশ্যমান ভালো, ফলোআপ রিপোর্টের অপেক্ষা

কলারোয়ায় করোনা পজিটিভ হওয়া ৭ ব্যক্তির সকলেই সুস্থ ও ভালোবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় পানিতে ডুবে প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু

কলারোয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে সোনিয়া (১২) নামের শারীরিক প্রতিবন্ধী একবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় ‘আমরা সেবক একতা সংঘ’র সূধী সমাবেশ ও কমিটি গঠন

‘শাসন নয় সহযোগিতা, শোষন নয় সেবা’- এই মূলনীতিকে সামনে রেখেবিস্তারিত পড়ুন

  • বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কলারোয়ায় ছাত্রলীগের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি
  • কলারোয়ায় জগ্ননাথ দেবের স্ন্যানযাত্রা অনুষ্ঠিত
  • অভিজ্ঞতায় মহাপ্রলয়ংকারী আম্পান
  • সাতক্ষীরার গ্রাম ডাক্তার মিজানুরের মৃত্যুতে কলারোয়া গ্রাম ডাক্তার সমিতির শোক
  • করোনা আক্রান্তদের জন্য পাঠানো হলো সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের সুষম ফুড প্যাকেজ
  • কলারোয়ার দেয়াড়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
  • কলারোয়ায় আম্ফানে লন্ডভন্ড বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্থের তালিকায় নেই এক হতদরিদ্র
  • দরিদ্রতাকে হার মানিয়ে ‘এ+’ অর্জন করলো কলারোয়ার কেঁড়াগাছির ইকরামুল
  • কলারোয়ায় ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদ) উদ্যোগে সহায়তা প্রদান
  • ক্ষমতা ক্ষণ স্থায়ী, তবে কর্মের ভিতরে মানুষ চির স্মরনীয় হয়ে থাকে
  • কলারোয়ায় বিদায়ী ইউএনও’কে সম্মাননা আ.লীগের
  • কলারোয়ায় উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিদায়ী ইউএনও’কে সম্মাননা