রবিবার, জানুয়ারি ২৬, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ‘ঈগল’ মারা গেলে কী হয়?

ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে এই পাখি মারা গেলে কী হয়?যুক্তরাষ্ট্রে গোল্ডেন ঈগল আর বল্ড ঈগল রাখা, তাদের উপর নির্যাতন করা এবং মারা যাওয়ার পর তা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। যদি না কোনও বিশেষ ছাড় থাকে। ‘বল্ড অ্যান্ড গোল্ডেন ঈগল প্রটেকশন অ্যাক্ট, ১৯৪০’ অনুযায়ী ঈগলের পড়ে যাওয়া পালক সংগ্রহে রাখাও বৈধ নয়।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র আর আলাস্কার অনেক অধিবাসীর মতে ঈগল পবিত্র। তাই নানা অনুষ্ঠানে এই পাখির বিভিন্ন অংশ রাখার চল রয়েছে। আর এখান থেকেই কাজ শুরু হয় ‘ন্যাশনাল রিপোজিটরি ইন কলোরাডো’র। প্রতিদিন প্রায় ৩০-৪০টি ঈগলের মৃতদেহ সেন্টারে আসে। পরের যাত্রাপথ কী হবে তা ঠিক করে এই সেন্টার। যা যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস’ দ্বারা পরিচালিত। চারজনের একটি দল হাওয়াই ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য জায়গাগুলো থেকে পাখি সংগ্রহ করে তা দেশটির বিভিন্ন জনজাতির মধ্যে বন্টন করে দেয়।

লিজা রোমান এই রিপোজিটরিতে ৬ বছর কাজ করেছেন। তার দায়িত্ব ছিল আবেদন দেখে এই পদ্ধতি যাতে ঠিকমতো চলে সে দিকে নজর রাখা। তিনি জানান, ‘আমরা মাসে ৫০০ অর্ডার নেই। প্রথমে আবেদনকারীকে উপযুক্ত পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। এবং তাদের বয়স হতে হবে ১৮ বছরের উপরে।
তিনি আরও বলেন, ‘ন্যাশনাল ঈগল প্রোগ্রাম’ বিভিন্ন জনজাতির ধর্মীয় এবং উৎসব উদযাপনের জন্যেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা পুরো পাখি বা পাখির একটি পালক সংগ্রহ করতে পারেন। পাখির বয়স এবং কোন ধরনের ঈগল চান তাও জানিয়ে দিতে পারেন। চাহিদা অনুযায়ী জিনিস দেওয়াই আমাদের রিপোজিটরির কাজ। এখন সব থেকে চাহিদা ছোট গোল্ডেন ঈগলের। যার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে প্রায় সাড়ে সাত বছর। যত তাড়াতাড়ি আবেদন জমা পড়বে, যত তাড়াতাড়ি ঈগল পাওয়া যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্ডিয়ান ট্রাইব ইন কলোরাডো’ সাংস্কৃতিক সমিতির সদস্য হ্যানলি ফ্রস্টের বক্তব্য, আমাদের কাছে ঈগল আধ্যাত্মিকতার প্রতীক। আমরা মনে করি ঈগল আমাদের প্রার্থনা ঈশ্বরের কাছে পৌঁছে দেয়। কারণ একমাত্র এই পাখিই অত উঁচুতে উড়তে পারে। অনেক দূর দেখতে পারে ঈগল।

রেপোজিটরির সদস্যরা জানাচ্ছেন, তারা মৃত ঈগল সংরক্ষণের কাজটি পছন্দ করেন দু’টো কারণে। এক- ঈগল যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পাখি। আর দুই- মানুষ যেহেতু এই পাখি পছন্দ করে, তাই গোটা বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে বন্টন করায় তারা তৃপ্তি পান।

পরিসংখ্যান বলছে, গত পঞ্চাশ বছরে কোনও-কোনও প্রজাতির ঈগলের সংখ্যা কমেছে। গোল্ডেন ঈগল সাধরণত উঁচু পাহাড়ে থাকে। আইন করে সংরক্ষেণের আওতায় আনা হয়েছে। রিপোজিটরি স্থাপিত হয় ১৯৭০ সালে। সংরক্ষণের নানা বিষয়েও তারা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে থাকেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে কাল মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল

বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয়বিস্তারিত পড়ুন

যেভাবে ভ্রমণ করবেন ঢাকা-কলকাতার রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে

ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে চলাচল করছে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন। আন্তঃদেশীয় মৈত্রী এক্সপ্রেসবিস্তারিত পড়ুন

কোয়ালাকে দুধ পান করাচ্ছে শিয়াল, ভিডিও ভাইরাল

বিধ্বংসী দাবানলে ভস্মীভূত অস্ট্রেলিয়ার বিস্তীর্ণ জঙ্গল। এর জেরে প্রাণ হারিয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

  • ৩ হাজার বছর আগের মমির ‘কণ্ঠস্বর’ বের করল বিজ্ঞানীরা!
  • কতটা ক্ষতিকর করোনা ভাইরাস?
  • দফায় দফায় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আসাম
  • ঘোড়ায় চড়ে হাতে তলোয়ার নিয়ে বিয়ে করতে গেলেন দুই বোন!
  • ৩৩৮ ফুটের দানব আকৃতির পিৎজা! (ভিডিও)
  • বিয়ে এড়াতে চুরি করে পুলিশ হেফাজতে যুবক!
  • শক্তিশালী ভুমিকম্পে কেঁপে উঠলো তুরস্ক, নিহত ১৪
  • বাংলাদেশ যুবাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন করে দিল বৃষ্টি
  • হারের হতাশায় বাংলাদেশের শুরু
  • পাকিস্তানের মাটিতে বেজে উঠল ‘আমার সোনার বাংলা’ 
  • এমন নিরাপত্তা কখনও দেখেনি -মাহমুদউল্লাহ
  • ফেসবুক তৈরি করাটাই ছিল ‘ভয়ংকর ভুল’: জাকারবার্গ