বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে প্রকৃতিতে হেমন্ত

হেমন্ত প্রেমী কবি জীবনানন্দ দাশের ‘নির্জন স্বাক্ষর কবিতায় হেমন্ত ধরা দিয়েছে। কবি তার ভাষায় লিখেছেন “যখন ঝরিয়া যাব হেমন্তের ঝড়ে, পথের পাতার মতো তুমিও তখন আমার বুকের পরে শুয়ে রবে?। ঠিক তেমনি শরতের শেষে শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে প্রকৃতির দরজায় করা নারছে হেমন্ত।

হেমন্তের আগমনে প্রকৃতি সেজেছে এক অপরুপ সাজে। সন্ধ্যার মৃদু কুয়াশা, হিমেল বাতাস, রাতের রানী শিউলী, সকালে সবুজ ঘাসের মাথায় জমে থাকা শিশির কণাই জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে এসেছে হেমন্ত। হেমন্তর আগমন ঘটলেই যেন শান্ত হয়ে উঠে উত্তপ্ত এই প্রকৃতি। হেমন্তের আগমনে গ্রামের মেঠোপথে সকালে হাঠলেই পা ভিজে যাই শিশির কণাতে। তাই তো হেমন্তের আগমনে রাজগঞ্জের মাঠে মাঠে হেসে উঠেছে সোনালী ধান।

রাজগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মাঠে মাঠে পাকাধানের মৌ মৌ সুমৃষ্ট সুভাসে মুখরিত চারিপাশ। আর কয়দিন পরেই কৃষকের ঘরে ঘরে উঠবে রক্তজলকরা সোনালী রোপা ধান আর এই নতুন ধানের চাউল থেকে বাংলার গৃহবধুরা গুরা তৈরী করে নতুন খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরী করবে হরেক রকমের বাঙ্গালী পিঠা-পুলি। আসতে শুরু করবে মেয়ে-জামাই। বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশে প্রতি দুই মাস পর পর প্রকৃতি বদলায় তার রুপ আর রং। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে এখন দুইমাস পর পর ঋতু পরিবর্তন হয়না।

সন্ধ্যার শুরুতেই মৃদুহিমেল বাসাত সাথে সাদা কুয়াশার চাদর ভোরে বাড়ি থেকে বের হলেই রাস্তার দুই ধারের দুর্বার ওপর ঘন শিশির কণা, মাঠে সোনালী রোপা ধানের শীষে শিশিরই জানান দিচ্ছে হেমন্ত প্রকৃতিতে এনে দিয়েছে শীত। শীতের আগমনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে লেপ-তোষক তৈরীর কাজ। শুরু হবে হাট-বাজারের পথে ঘাটে চটি পেতে পুরাতন কাপড় বিক্রয়। বাজার গুলিতে উঠতে শুরু করেছে শীতের আগাম সবজি। স্থানীয়রা বলছে, ‘হেমন্ত মানেই যেমন শীতের আগমনী বার্তা।

অপরদিকে গ্রামবাংলার মানুষের জীবনে হেমন্ত মানেই নবান্ন উৎসবের আমেজ। আগে হেমন্ত এলেই এই জনপদের মানুষের মাঝে আনন্দ বিরাজ করতো। গ্রামের পুরুষেরা সকাল থেকে শুরু করে জমিতে নতুন ধান কাটতো আর গৃহবধুরা লালপেড়ে শাড়ী পরে গ্রামের মেঠোপথ ধরে খাবার নিয়ে জমিতে যেতো।

সারাদিনের কাটা ধান রাতভর বাড়ির উঠানে মাড়াই করতো বাড়ির পুরুষেরা আর গৃহবধুরা সেই ধান রোদে শুকিয়ে ঘরে তুলতো। ঢেঁকিতে নতুন ধানের গুড়া তৈরী করে ঐতিহ্যবাহী নতুন খেজুরের গুড় দিয়ে প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে তৈরী হতো পিঠা-পুলি, খির ও পায়েশ আর গ্রাম গুলিতে পালিত হতো নবান্ন উৎসব কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার যুগে কালের আবর্তে এই গুলি এখন সবই যেন পুঁথি কথা হয়ে গেছে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ঢাকার কুয়েত মৈত্রীতে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন সাতক্ষীরার ডা. শেখর

রাজধানীর কভিড হাসপাতালগুলোতে দিন দিন করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েবিস্তারিত পড়ুন

করোনা ও আম্পান মোকাবেলায় সাহসিকতায় মানবিক পরিচয়ে যশোর সেনানিবাস

প্রাণঘাতী করোনা এবং সুপার সাইক্লোন আম্পান মোকাবেলায় নিজেদের পেশাদারিত্ব, সততাবিস্তারিত পড়ুন

‘ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে আসতে হবে না’

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা রেড জোনে থাকাবিস্তারিত পড়ুন

  • ছাত্রলীগ নেতার সাথে পরকীয়া, স্ত্রীর বিয়েতে সম্মতি দিলেন ব্যবসায়ী স্বামী
  • ৩জুন: দেশে করোনায় ৩৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৯৫
  • করোনা: জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ নির্দেশনা
  • সচেতন না হলে সরকার কঠোর হতে বাধ্য হবে: কাদের
  • করোনায় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে ১০ কোটি মানুষ
  • করোনাভাইরাস সহনশীল এলাকা প্রতিষ্ঠায় সুজন-এর মতবিনিময় সভা
  • নড়াইলের এসপি’র পুত্র গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে
  • পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এখনো তাকিয়ে আছে উপকূলের ক্ষতিগ্রস্থরা
  • ২ ঘণ্টায় কাজ শেষ করলেই বাসায় যেতে পারবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
  • মানবিক মূল্যবোধ থেকেই মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  • লকডাউন শিথিলে মানুষের ঢল, যানজট
  • সাতক্ষীরায় শুরু হয়েছে গণ পরিবহন চলাচল, দ্বিগুন ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ যাত্রীদের