মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সাতক্ষীরায় শহরের বাইপাস সড়কের উদ্বোধন করা হয়েছে।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

গণভবন থেকে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এসময় পাশে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।

উদ্বোধন হওয়া উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নিয়ে ভিডিও চিত্র উপস্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

সাতক্ষীরা প্রান্ত থেকে কথা বলেন জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল ও একজন মসজিদের ইমাম।

স্থানীয় ভাবে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদস সদস্য এসএম জগলুল হায়দার, জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম (বার), জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, জেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাংসদ প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাজকিন আহমেদ চিশতি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. বদিউজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এ্যাড. আব্দুল লতিফ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ আল-মামুন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক আবু আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আরা, পৌর কাউন্সিলর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন কালুসহ প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষক, পেশাজীবীসহ বিভিন্নস্থরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর থেকে সাতক্ষীরাবাসির দীর্ঘ প্রতিক্ষিত বাইপাস সড়কটি সাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ ১৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ থেকে বিনেরপোতা বিসিক মোড় পর্যন্ত ১২ দশমিক ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নির্মান কাজ বাস্তবায়ন করেছে।

এদিকে, ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সাতক্ষীরাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সাতক্ষীরা শহর বাইপাস সড়কের উদ্বোধন করার পাশাপাশি প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহ-গফরগাঁও-টোক সড়কে বানার নদীর উপর সেতু, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় ৪ লেনের ফ্লাইওভার, মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে ১৩টি সেতু, পটিয়া বাইপাস সড়ক উদ্বোধন করেন।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।

এসব উন্নয়ন কাজের মধ্যে ভোমরা স্থল বন্দর সংযোগসহ সাতক্ষীরা শহর বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রকল্পটি নির্মাণে ব্যয় হয় ১৮৩.৫১ কোটি টাকা। ৭.৩ মিটার প্রস্থের ২৩.৮৫ কিলোমিটার মহাসড়কটিতে ৩টি ব্রিজ, ৫০ টি কালভার্টও রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো যে সব প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন তারমধ্যে ৩৩৮.৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় ৪ লেনের ফ্লাইওভার প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক বরাবর ১২৩৯ মিটার দৈর্ঘের একটি ও ঢাকা বাইপাস মহাসড়ক বরাবর ৬১১ মিটার ৪ লেনের দুই ফ্লাইওভার নির্মাণ এবং ঢাকা সিলেট মহাসড়ক বরাবর ২.১৩ কিলোমিটার এবং ঢাকা বাইপাস সড়ক বরাবর ১.০৮৪ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্থকরণ করা হয়।

ময়মনসিংহ- গফরগাঁও-টোক সড়কে বানার নদীর উপর ২৮২.৫৫৮ মিটার দৈর্ঘের সেতুটি নির্মাণ করতে ব্যয় হয় ৩২৯০.৮০ লাখ টাকা (৩২ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা )। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার জাতীয় মহাসড়কের ইন্দ্রপুল থেকে চক্রশালা পর্যন্ত বাঁক সরলীকরণ প্রকল্প (পটিয়া বাইপাস সড়ক) বাস্তবায়নে খরচ হয় ৮৭.৭০ কোটি টাকা।

এছাড়া মুন্সিগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর পরিবর্তে ১৩ স্থায়ী কংক্রিট সেতু নির্মাণ করা হয়।

এসব সেতুরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে প্রধানমন্ত্রী এসব এলাকার উপকারভোগীসহ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময় করেন।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব উন্নয়ন কাজ রক্ষণাবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানান।

বক্তব্য নিরাপদ সড়ক প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি চালক, পথচারী থেকে শুরু করে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ মোটেও সচেতন নয়। চালক থেকে শুরু করে সবার সচেতন হওয়া একান্তভাবে প্রয়োজন।

সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে স্কুল থেকেই ট্রাফিক আইন সম্পর্কে পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের সচেতন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ছবিতে…

একই রকম সংবাদ সমূহ

সড়ক আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি না করার নির্দেশ মন্ত্রীর

নতুন সড়ক পরিবহন আইন প্রয়োগে যেন কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি নাবিস্তারিত পড়ুন

৩০ টাকায় পেঁয়াজ আমদানি করে ২৫০ টাকায় বিক্রি

বিভিন্ন দেশ থেকে মাত্র ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেবিস্তারিত পড়ুন

‘মুজিববর্ষ’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন মোদি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মুজিববর্ষে’র উদ্বোধনীবিস্তারিত পড়ুন

  • রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের একটি হাত রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
  • আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই: সেতুমন্ত্রী
  • ট্রেন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
  • মাত্র ৩০ সেকেন্ডের খেসারতে ঝরল এতগুলো প্রাণ
  • কসবা ট্রেন দুর্ঘটনা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের শোক
  • মঙ্গলবারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও পেছাল
  • রোহিঙ্গারা গোটা অঞ্চলের জন্যই হুমকি: প্রধানমন্ত্রী
  • খালি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের নামের ভাণ্ডার, নতুন নাম তৈরিতে ব্যস্ত যে ৮ দেশ
  • বুলবুলকে ‘রুখে দিল’ প্রকৃতির ঢাল সুন্দরবন
  • ৮ জেলায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কেড়ে নিল ১০ প্রাণ
  • জাতীয় প্রতিবন্দী ক্রিকেট দল বেনাপোল দিয়ে ভারত গেলেন খেলতে
  • উপকূলীয় জেলাগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ১১ ও ১২ নভেম্বর