শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

১২১ বছর ধরে বন্দী রয়েছে এই বটগাছ!

১২১ বছর ধরে পাকিস্তানে বন্দী রয়েছে এই বটগাছ!

১২১ বছর আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে। মুক্তি মেলেনি আজও।
সারা গায়ে শিকল জড়িয়ে, বোর্ড লাগিয়ে সে দাঁড়িয়ে রয়েছে জনসমক্ষে।

রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা বদলে গেছে, ভেঙে গেছে গোটা দেশ।

বদলে গেছে সব কিছু। শুধু বন্দীদশা থেকে মুক্তি পায়নি সে। কোনও অপরাধ না করেও এই ভাবেই বন্দী অবস্থায় রয়েছে পাকিস্তানে পেশোয়ারের একটি বটগাছ!

শুনলে মনে হয় অবিশ্বাস্য ঘটনা।

কিন্তু পেশোয়ারে গেলে এই গাছ এখনও দেখতে পাবেন সকলে। তবে কেন বন্দী করা হয়েছিল একটি গাছকে?

জানা গেছে, ব্রিটিশ শাসনকালের একটি ঘটনা এই বন্দীত্বের পিছনে দায়ী। ১৮৯৮ সালে লান্ডি কোটাল সেনা ক্যান্টনমেন্টে এই গাছটিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার পর থেকে কোনও বিচার ছাড়াই বন্দী রয়েছে সে।

শোনা যায়, ওই ক্যান্টনমেন্টে ব্রিটিশ সেনা অফিসার জেমস স্কোয়াইড নাকি মদ খেয়ে নেশা করেছিলেন এক দিন।

সেই নেশার ঘোরে হাঁটার সময় দেখতে পান, বটগাছটি তার দিকে তেড়ে আসছে। ব্যস, সঙ্গে সঙ্গে সে অফিসারের হুকুম, অ্যারেস্ট করা হোক গাছটিকে। হুকুম মতোই কাজ হলো। পাইক-পেয়াদারা ছুটে এসে আষ্টেপৃষ্ঠে শিকল পরিয়ে দিল অত বড় গাছটিকে।

তখন থেকেই নাকি শিকলে বাঁধা রয়েছে বেচারা বটগাছ। তারপরে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পায় পাকিস্তান। নতুন সরকারের শাসন শুরু হয়। তারপরে কালের নিয়ম মেনেই কত সরকার বদলে গেল। কিন্তু গাছটির ভাগ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এত বছর পরে, এখনও ওই বটগাছে একটি বোর্ড ঝুলছে। তাতে লেখা ‘আই অ্যাম আন্ডার অ্যারেস্ট’।

কেউ কেউ অবশ্য দাবি করেন, পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের লান্ডি কোটালের উপজাতি সম্প্রদায়কে ভয় দেখাতেই বটগাছকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেয় ব্রিটিশরাজ। যাতে ওই এলাকার উপজাতিরা বুঝতে পারেন, কোনও রকম বিরুদ্ধাচারণ করলে, দরকারে এমন শাস্তি তাদেরও দেওয়া হবে।

সেসবই না হয় ঠিক আছে। কিন্তু সে যুগ তো পেরিয়ে গেছে কবেই। তারপরেও এখন পর্যন্ত গাছটিকে কী কারণে বেঁধে রাখা হয়েছে, তার কোনও উত্তর নেই কারও কাছে। তার পক্ষ নিয়ে কোনেও আইনজীবীও কথা বলতে আসেননি আজ পর্যন্ত। ফলে কোনও মামলাও দায়ের করা হয়নি। দুনিয়ার বিরলতম অপরাধী বটগাছ হয়ে দর্শনীয় একটি বিষয় হয়ে থেকে গেছে সেটি।

পেশোয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মুখতিয়ার দুরানি জানিয়েছেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক হলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ব্রিটিশ শাসনের সময় উপজাতি বহুল এই এলাকায় আইন কানুন কতটা ভয়াবহ ছিল, তার উদাহরণ হয়েই রয়েছে এই বন্দী বটগাছ। বন্দী গাছকে দেখতে এখন অনেকেই যান সেখানে। গাছটি কি তাদের কাছে মুক্তির আকুল আবেদন জানায়? জানা যায় না।

সূত্র : দ্য ওয়াল।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সিদ্ধ তিনটি ডিমের দাম ১৯০০ টাকা, বিল দেখেই চোখ কপালে!

কিছুদিন আগেই পাঁচতারা হোটেলে কলার দাম শুনিয়ে সবাইকে অবাক করেছিলেনবিস্তারিত পড়ুন

পর্যটক টানতে নারী পুলিশদের ‘হট’ প্যান্ট পরার নির্দেশ মেয়রের

পর্যটক টানতে এক অভিনব উদ্যোগ নিয়েছেন এক লেবানিজ মেয়র! যাবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় এপার বাংলা বনাম ওপার বাংলা ফ্রেন্ডশীপ ক্রিকেট ম্যাচ উদ্বোধন
  • এবার আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘নাকরি’
  • মাকে বিয়ে দিতে পাত্র চেয়ে বিজ্ঞাপন ছেলের
  • সীমান্তে এসে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইলেন দেব
  • খালি হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়ের নামের ভাণ্ডার, নতুন নাম তৈরিতে ব্যস্ত যে ৮ দেশ
  • পুরুষ সেজে কিশোরীকে ধর্ষণ তরুণীর! অতঃপর…
  • আধুনিক যুগেও ১০ বছরের দাসত্ব!
  • বাবরি মসজিদ রায় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া নজরদারি, ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা
  • যৌন মিলনে ডেঙ্গুর সংক্রমণ!
  • বুলবুলের আঘাতে কলকাতায় একজনের মৃত্যু
  • ভারতের বাবরি মসজিদ রায়: উল্লেখযোগ্য দিকগুলো এক নজরে
  • পর্নো তারকা থেকে নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ড ক্রিকেট ম্যাচের আম্পায়ার