সোমবার, জুন ১, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

৪২ লাখ টাকার ব্রেসলেট আবার ফেরত পাবেন মাশরাফি

নব্বই দশকে কিশোরদের মধ্যে ফ্যাশনটি রীতিমতো ক্রেজ ছিল। হাতে ব্রেসলেট, চোখে রোদ চশমা, রঙ চটা জিন্স আর টি-শার্ট। মাশরাফি বিন মুর্তজার শৈশব ও কৈশোর যেহেতু এ সময়ে, তাই এসব সাজ-পোশাক পছন্দ করাই স্বাভাবিক।

কাল রাতে নিজের ব্রেসলেটের নিলামে পছন্দের পোশাক হিসেবে জিন্স, টি-শার্ট ও অতি অবশ্যই লুঙ্গির কথা জানান জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক। তবে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মাশরাফির ব্রেসলেট। করোনা যুদ্ধে নিজের ১৮ বছরের সঙ্গী ব্রেসলেট নিলামে তুলেছেন বাংলাদেশের সাবেক এ অধিনায়ক। ৪২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে এ ব্রেসলেট। করোনা যুদ্ধে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের নিলামে তোলা সরঞ্জামের মধ্যে মাশরাফির ব্রেসলেটই সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হলো। এটি কিনেছে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান—বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইনান্স কোম্পানি। ব্রেসলেটের বিক্রয় মূল্য করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু সেটি আবার ফিরিয়ে দেওয়া হবে মাশরাফিকে। কাল নিলামে বাংলাদেশ লিজিংয়ের প্রতিনিধি মুমিনুল ইসলাম জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ককে ‘উপহার’ হিসেবে ব্রেসলেটটি ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকে নিলামের লাইভ অনুষ্ঠানে মাশরাফির এই ব্রেসলেটের পেছনের ইতিহাস জানতে প্রচুর প্রশ্ন করছিলেন ভক্তরা। সঞ্চালক তা জানানোর পর নিজের ব্রেসলেটপ্রীতির কথা খুলে বলেন মাশরাফি, ‘দুটো জিনিসের ওপর আমার ছোটবেলা থেকে অনেক শখ ছিল। কিন্তু বাসার ভয়ে বিশেষ করে বাবার ভয়ে কখনো ব্যবহার করতে পারতাম না। সেগুলো হচ্ছে ব্রেসলেট ও সানগ্লাস (রোদ চশমা)। যখন আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শুরু করলাম তখন ভাবলাম ঠিক আছে এখন ব্যবহার করি। আমি নিশ্চিত বাবা এখন কিছু বলবে না।’

মাশরাফি এরপর বলেন, ‘আমি তখন একটা ব্রেসলেট ব্যবহার করা শুরু করি। কিন্তু মাঠে ডাইভ দিলে ব্রেসলেটটি খুলে যায়। পরে খুঁজে পেলেও ওটা টেকেনি। তারপর আমার বন্ধুকে বললাম, আমাকে একটা ব্রেসলেট তৈরি করে দে।’

এরপর মাশরাফি নিলামে ওঠা তাঁর হাতের ব্রেসলেটটি দেখিয়ে বলেন, ‘তো এটা সবাই যা ভাবছে তা নয়। খুব সাধারণ। অনেকে ভেবেছিল রুপার, তাও না। এটা সাধারণ স্টেইনলেস স্টিলে তৈরি (ব্রেসলেট)। আমার বন্ধুর মামা ওখান থেকে বানিয়ে দিয়েছিল। এরপর থেকেই এটা পরে থাকি। কয়েকবার হাত থেকে খুলে রেখেছি। মনে করে দেখবেন, আমাদের একটা ব্রেসলেট ধরনের প্লাস্টিকের ছিল, বাংলাদেশের লাল-সবুজ নিয়ে। বাংলাদেশের জার্সির মতো। বগুড়ায় খেলেছি, কয়েকবার পরেছি। কিন্তু এটা (হাতের ব্রেসলেট দেখিয়ে) ছাড়া ভালো লাগেনি।তারপর থেকেই এটা আমার সঙ্গী। ভালো-মন্দ সবকিছুর সঙ্গেই এটা জড়িয়ে আছে। একটা পর্যায়ে গিয়ে এটা ছাড়া কখনো আর কিছু পরিনি। সেটা বলতে পারেন, অস্ত্রোপচারে (ধাতব কোনোকিছু খুলে রাখতে হয়) এমআরআইয়ে খুলতে হয়েছে। আর ওই দুটো জায়গাতেই আমাকে বেশি যেতে হয়েছে (হেসে)। সব মিলিয়ে এটা (ব্রেসলেট) সব সময়ই আমার সঙ্গে ছিল।’

একই রকম সংবাদ সমূহ

জাতীয় দলের খেলোয়াড়েরা পড়াশোনাতেও ভালো

২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব– ১৫ নারীদের সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়নবিস্তারিত পড়ুন

টিকটক ভিডিওর জন্য কোহলির জান খেয়ে ফেলছেন ওয়ার্নার

লকডাউনের এই সময়টা বুঝি সবচেয়ে ভালো উপভোগ করছেন ডেভিড ওয়ার্নার!বিস্তারিত পড়ুন

ঘুমের মধ্যে কী বিড় বিড় করেন ধোনি

গত বিশ্বকাপের পর থেকেই ক্রিকেটের বাইরে সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্রবিস্তারিত পড়ুন

  • ‘ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আম্পায়ারিং করা ভীতিকর অভিজ্ঞতা’
  • করোনা: সাতক্ষীরা জেলার খেলোয়াড়দের আর্থিক সহযোগিতা
  • ভদ্রলোক’ সাকিব আছেন দশকসেরা একাদশে
  • টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি কি রোহিতের হবে
  • পাঁচ ভক্তকে পাঁচ তারকা হোটেলে খাওয়াবেন মুশফিক
  • শাহরুখ খানের পাশে বসে আইপিএল দেখার অভিজ্ঞতা
  • মেসিদের ফেরার দিন ঠিক করে দিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
  • মুশফিক না মাশরাফি, কাকে বাঁচাবেন তামিম
  • নারী ফুটবলারদের কেউ রান্না শিখছেন, কেউ খেলছেন লুডু
  • নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করছেন উমর
  • কোহলিকে সেরা বানানোয় আছে মুশফিকেরও অবদান
  • ইমরান খান হতে চান বাবর