
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে ভিজিএফ এর তালিকা প্রস্তুতের উদ্যোগকে ভিন্নখাতে প্রবাহের মাধ্যমে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। ষড়যন্ত্র থেকে পরিত্রাণ পেতে বুধবার দুপুরে এলাকা জুড়ে মিথ্যা গুজবে কান না দেওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়।
বড়দল ইউপির ২নং ওয়ার্ড (জামালনগর, কেয়ারগাতি ও ডুমুরপোতা) এর মেম্বর কে এম রকিবুজ্জামান জানান, বড়দল ইউনিয়নে ১৮১২টি ভিজিএফ কার্ডে ঈদ উল ফিতরের চাল দেয়া হবে। আমার ওয়ার্ডে ২৫৪টি কার্ড বরাদ্দ পেয়েছে। ইউপি প্রশাসক সহকারী প্রোগ্রামার আক্তার ফারুক বিল্লাল ভিজিএফ এর ভাগ বন্টনের তালিকা সম্পন্ন করতে ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন। সে অনুযায়ী যোগ্যদের তালিকা করতে ভোটার আইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতে মৌখিক ভাবে মানুষদেরকে জানান হয়। আগ্রহীরা আইডি কার্ডের ফটোকপি করতে যাওয়ায় তাদেরকে ভুলবুঝিয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার (ফ্যামিলি কার্ডের ব্যাপারে সরকারি নির্দেশনা না থাকলেও) কথা বলে ছবি, কার্ড নেয়া হচ্ছে বলে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার করা হয়। তাদের অপপ্রচারে কান না দিয়ে যোগ্য ব্যক্তিদের ভিজিএফ এর তালিকা ভুক্তির জন্য যোগাযোগ করতে তিনি অনুরোধ জানান।
তিনি আরও বলেন, ইউএনও মহোদয় ভিজিএফ এর তালিকাভুক্তির জন্য মাইকিং করতে বলেছেন, আমি বুধবার থেকে মাইকিং এর ব্যবস্থা করেছি।
ডুমুরপোতা গ্রামের মৃণাল কান্তি সরকার, কেয়ারগাতী গ্রামের শের আলী ও নাজমা খাতুন জানান, ফ্যামিলি কার্ডের বিষয় আমরা লোক মুখে শুনেছি। কোন কিছু না বুঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছি। পরে ভালোভাবে জেনে দেখি আসলেই কথাগুলো সত্য নয়।
এদিকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]