
ইরানে হামলার পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে এবার সৌদি আরবের সমর্থন আদায়ের জোর তৎপরতা শুরু করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ লক্ষ্যেই সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বর্তমানে ওয়াশিংটন সফর করছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের সূত্রগুলো বলছে, উপসাগরীয় দেশগুলো এই অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত এড়াতে কূটনীতির ওপর জোর দিচ্ছে। তবে ওয়াশিংটন রিয়াদকে সামরিক পন্থায় সায় দেওয়ার জন্য রীতিমতো চাপ প্রয়োগ করছে।
খবর পাওয়া গেছে, মার্কিন কর্মকর্তারা সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যে হামলা চালালে তা মূলত ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্ককে দুর্বল করবে। এতে দীর্ঘমেয়াদে সৌদি আরবের জন্যই ভালো হবে। বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসন রিয়াদকে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছে। তবে সৌদি আরব এবং তার প্রতিবেশী দেশ ওমান, কাতার ও তুরস্ক এই মুহূর্তে যুদ্ধের চেয়ে আলোচনার মাধ্যমেই সংকটের সমাধান খুঁজছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে। একদিকে ওয়াশিংটনের সাথে তাদের কৌশলগত মিত্রতা, অন্যদিকে ইরানের সাথে বর্তমানের স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখার তাগিদ। ২০১৯ সালে আরামকো তেল শোধনাগারে হামলার তিক্ত অভিজ্ঞতা রিয়াদ এখনো ভোলেনি। তাই নতুন কোনো হামলার ফলে যদি ইরান বা তাদের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা পুনরায় সৌদি আরবে পাল্টা হামলা চালায়, তবে তা দেশটির অর্থনৈতিক লক্ষ্য ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি বড় ধাক্কা খেতে পারে।
সূত্র: মিডলইস্ট আই
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]