সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্তবর্তী উপজেলায় বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রতিরোধের জন্য চলমান লকডাউন মধ্যে দিয়ে আসন্ন কুরবানী ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার ২১৩২টি খামারে ১৩ হাজার পশু প্রস্তুত করে রেখেছে খামারীরা। এদের মধ্যে ৬ হাজার গরু, ৫৮৮৬টি ছাগল, ১৫২টি ভেড়া। যা উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে কিছু পশু দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা সম্ভব।
এ ছাড়াও বাড়িতে পালিত প্রায় ২ হাজার গরু ঈদ উপলক্ষে মোটা তাজাকরন করে রেখেছে। ফলে মোট ১৫হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা অমল কুমার সরকার জানিয়েছেন, ৫ কোটি টাকার কেনাবেচার জন্য গোবাদি পশু প্রস্তুত রয়েছে।
এদিকে মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে গরু-ছাগল বিক্রি ও ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে খামারীরা। কারন চলমান লকডাউনে অনেক পেশার মানুষের আয়-রোজগার কমে গেছে। এর পরে ও পশুহাট গুলোতে নেই কোন সামাজিক দুরত্বের বালাই। তবে বর্তমান করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কেনাবেচা কমে যেতে পারে তবে উপজেলা প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা খামারীদের কথা মাথায় রেখে অনলাইন পশুর হাট ”কলারোয়” নামে একটা ফেস বুক পেজ খুলবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এতে সুবিধা হবে বিক্রয়যোগ্য পুশুর মাথার ছবি, পেছনের ছবি দেখা যাবে এবং ওজন অনুযায়ী মূল্য ও সে খামারীর মোবাইল নম্বর আপলোড করা হবে। এতে ক্রেতা সংশিষ্ট খামারীদের সাথে কথা বলে বাড়িতে বসে পশু ক্রয় করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, গ্রামগজ্ঞে পাড়া মহল্লায় সাধারন কৃষকদের পালিত পশুর যাতে ন্যাযমূল্য পায়, সেজন্য এলাকাভিত্তিক ইজাদার নিযোগ করা হবে।
গরু খামারী সোহেল আরমান জানান, আমি সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই যেন পশুর নায্যমুল্য পায়। এতে খামারী ও ক্রেতা উভয় লাভবান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে কলারোয়া পৌরসভা মেয়র মনিরুজ্জমান বুলবুল ও উপজেলা সহকারী প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের যৌথ সহযোগিতায় কিছু মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। যাতে কোথায় যেন অসুস্থ রুগ্ন পশুর বিক্রয় না হয়। পাশাপাশি ক্রেতা ও বিক্রতাদের সচেতনামুলক বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া ও মনিটরিং করা হচ্ছে।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]