
দীর্ঘদিন ধরে অন্যের বাড়ির পেছনে জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন স্বজনহীন অসহায় মরিয়ম বেগম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে তাঁর পাশে দাঁড়ান কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।
প্রায় দেড় মাসের প্রচেষ্টায় উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের রায়টা গ্রামে মরিয়ম বেগমের জন্য নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে নতুন টিনের ঘর ও টয়লেট। পাশাপাশি স্থাপন করা হয়েছে গভীর নলকূপ এবং ঘরে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, বিছানাপত্র ও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ মরিয়ম বেগমের স্বামী, সন্তান বা নিকটাত্মীয় কেউ নেই। এই রিপোর্ট লেখার আগে শুনেছি , তার স্বামী সন্তান আছে ভারতে ,তাঁর দেখাশোনা করছেন ভাইয়ের ছেলে মো. কবির হোসেন। তিনি প্রায় ৭-৮ বছর ধরে মরিয়মের দায়িত্ব পালন করছেন। কবির হোসেন বলেন,আমার ফুফু দুই বছর যাবত হৃদরোগে ভুগছেন। আমি একজন মজুর মানুষ, আমি দিনে দিন খায়। তবে ইউএনও স্যারের সাহায্যের কথা কখনো ভুলবো না, আমরা তার কাছে চির কৃতজ্ঞ।
ইউএনও আরিফুল ইসলাম বলেন, জায়গা স্বল্পতার কারণে বড় পরিসরে কিছু করা সম্ভব হয়নি। তবে আগের অমানবিক ঝুপড়ি ঘরের তুলনায় নতুন ঘরটি মরিয়মের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক। এ মানবিক কাজে সহযোগিতাকারীদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]