
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কলারোয়ার খামারিরা। বিভিন্ন খামারে চলছে গবাদিপশু পরিচর্যা ও বাজারজাতের শেষ প্রস্তুতি। এ বছর উপজেলা কুরবানীর পশুর প্রয়োজন ১২ হাজার, তবে প্রস্তুত আছে ১৪ হাজার। এবার উপজেলায় চাহিদার তুলনায় ২ হাজার বেশি পশু আছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা ভেটেনারী সার্জন সহকারী পশুসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুরাদ হোসেন।
শনিবার (২৩ মে) উপজেলার বিভিন্ন খামারে দেখা যায়, খামারিরা কোরবানির পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কেউ গরুকে গোসল করাচ্ছেন, কেউ ছাগলকে দেখাশুনা করছেন, কেউ খাবার দিচ্ছেন আবার কেউ খাবার প্রস্তুত করছেন।
সারা বছর লালন-পালন করা পশুগুলোকে ঈদ উপলক্ষে বিক্রির আশায় প্রস্তুত করা হচ্ছে। অনেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজা করছেন।
খামারি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর গো- খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খরচও অনেক বেড়েছে, তবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে পশু আমদানি না হলে ভালো দামের পাশাপাশি খামারিরা লাভবান হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন খামারিরা।
আরেক খামারী গোলাম হোসেন বলছেন, আমরা সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার দিয়ে গরুগুলো বড় করেছি৷ কোন প্রকার রাসায়নিক বা ইনজেকশনের সহোযোগিতা নেইনি, খামারিরা যদি ঠিক দাম পায় তাহলে লাভের মুখ দেখতে পাবো।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, কলারোয়া উপজেলায় কোরবানির চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। খামারিদের পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে নিয়মিত। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে উপজেলায় গরু ও ছাগল কোরবানির চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ২৬২ টি চাহিদার তুলনায় প্রস্তুত রয়েছে ১৪ হাজার ৫৬৫টি পশু। চাহিদার তুলনায় ২ হাজার ও বেশি পশু রয়েছে। এবারের ঈদে পশুর ন্যায্য দাম পেলে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের সুফল মিলবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন উপজেলার খামারিরা।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]