
কলারোয়ায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
'সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন' বিষয়ক ওই কর্মশালা শনিবার উপজেলা কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম।
সঞ্চালনা করেন গ্রাম আদালত প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদ।
অনুষ্ঠানে কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহীন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার নূরে আলম, যুব উন্নয়ন অফিসার রেজাউল হক, মহিলা বিষয়ক অফিসার নুরুন্নাহার আক্তার, আইসিটি অফিসার মোতাহার হোসেন, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি (এনজিও)সহ বিভিন্ন অংশজনেরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, অল্প সময়ে স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে ও গ্রামের ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গ্রাম আদালতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ৭ দিনে অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়।
গ্রাম আদালতে ফৌজদারী অভিযোগে যেসব বিরোধ নিম্পত্তি করা হয় সেগুলো হলো চুরি, দাঙ্গা প্রতারণা, ঝগড়া-বিবাদ, কলহ বা মারামারি, মূল্যবান সম্পত্তি আতাসাৎ করা, অন্যায় নিয়ন্ত্রণ ও অন্যায় আটক, ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি দেয়া, কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যাদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা, অঙ্গভঙ্গি করা বা অন্য কোন কাজ করা; দেওয়ানী অভিযোগে যেসব বিরোধ নিম্পত্তি করা হয় সেগুলো হলো পাওনা টাকা আদায় সংক্রান্ত, স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত, অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার বা তার মূল্য আদায় সংক্রান্ত, কোন অস্থাবর সম্পক্তি জবর দখল বা ক্ষতি করার জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় সংক্রান্ত, গবাদিপশু অনধিকার প্রবেশের কারণে ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত, কৃষি শ্রমিকদের পরিশোধনযোগ্য মজুরি ও ক্ষতিপূরণ আদায় সংক্রান্ত, স্ত্রী কর্তৃক বকেয়া ভরণপোষণ আদায় ইত্যাদি। গ্রাম আদালতে আাইনজীবী নিয়োগের বিধান নেই।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]