
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলা দ্রুত বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগপত্রে সাক্ষী করা হয়েছে ১৫ জনকে।
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যা নাড়িয়ে দেয় দেশের প্রতিটি মানুষকে। দ্রুত বিচারের দাবিতে ফুঁসে ওঠেন সব স্তরের জনগণ। ঘটনার দুদিন পর পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে তাদের বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেন দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করার প্রতিশ্রুতি। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দ্রুত গতিতে চলে তদন্ত।
তদন্ত শেষে রোববার (২৪ মে) বিকেলে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে তুলে ধরা হয় সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা। সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয় চার্জশিটে। অভিযোগপত্রে ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। পরে মামলা দ্রুত বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়।
এদিকে, সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে শেষ করা হবে রামিসা হত্যার বিচার কাজ।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর বাসায় রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করলে আদালতে তারা দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]