যশোরের শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে জমকালো ভাবে সোনা, অস্ত্র ও মাদকের ব্যবসা চলছে। এসব কাজে তৎপর রয়েছে একটি শক্তিশালী চক্র।গড়ে উঠেছে বিশাল একটি সিন্ডিকেট। যারা থাকছে ধরা ছোয়ার বাইরে। পুলিশ, বিজিবি ও গোয়েন্দাদের চোখ ফাঁকি দিয়েই চক্রটি দিনের পর দিন অস্ত্র সোনা ও মাদক পাচারে লিপ্ত রয়েছে। প্রধানত সোনা যাচ্ছে ভারতে, আর আসছে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল ও অস্ত্র।
এমনই অনুযোগ করেছেন স্থানীয় অনেকেই।
অপরদিকে, বেনাপোল ও শার্শা সীমান্তে গত আট মাসে ১৮ কোটি ২৭ লাখ টাকার অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে বিজিবি ও পুলিশ। এসময় ব্যবসার সাথে জড়িত ৩১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক সেলিম রেজা ও বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান এ ধরনের তথ্য দেন সাংবাদিকদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শার্শা সীমান্ত থেকে বিজিবি'র উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদকের মধ্যে রয়েছে ১৩টি বিদেশি পিস্তল, ২৪টি ম্যাগাজিন, ৫৮টি গুলি, ২৫.৪১ কেজি স্বর্ণ, ২০ হাজার ৮শ ২৭ বোতল ফেনসিডিল, ৫'শ ৪৭ কেজি গাঁজা, ৪'শ ৬ বোতল দেশি-বিদেশি মদ, ৫'শ ৬৭ পিস ইয়াবা, ও ৪০ গ্রাম হেরোইন। যার আনুমানিক মূল্য ১৭ কোটি ৭৫ লাখ ৪১ হাজার টাকা।
এসময় অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানের সাথে জড়িত ২০৩ জনকে আটক করে বিজিবি।
অপরদিকে, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ৩ হাজার ৬'শ ১৭ বোতল ফেনসিডিল, ১'শ ২৬ কেজি গাঁজা, ১৪'শ ৭৪ পিচ ইয়াবা, ৩০ লিটার মদ ও ৩০ গ্রাম হেরোইন। যার আনুমানিক মূল্য ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৫শ টাকা।
এসময় ১১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, প্রায় প্রতিদিনই শার্শা ও বেনাপোল সীমান্ত থেকে সোনা অস্ত্র ও মদ উদ্ধার হচ্ছে। সেই সাথে আটক হচ্ছে আসামী। তার পরও থেমে নেই এসব ব্যবসা।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম রেজা জানান, চোরাচালানের সাথে জড়িত মূল হোতারা নিজেরা চোরাচালানের মালমাল বহন করেনা। যার কারণে তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয় না।
চোরাচালানের মালমালসহ বহনকারীরা আটক হলেও মালিকরা থাকে ধরা ছোয়ার বাইরে।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]