
উপকূলীয় জনপদ সাতক্ষীরার শ্যামনগরেসুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের। লবণাক্ততার কারণে নিরাপদপানির জন্য ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ সংকটনিরসনে উপজেলার খাগড়াঘাট ও কৈখালি গ্রামে স্থাপন করাহয়েছে দুটি রিভার্স অসমোসিস বা আরও পানি শোধনাগার।সৌরবিদ্যুৎচালিত এসব প্ল্যান্ট থেকে এখন বাড়ির কাছেই মিলছেসুপেয় পানি। এতে কমেছে দূর থেকে পানি সংগ্রহের দুর্ভোগ।
সুন্দরবনসংলগ্ন শ্যামনগরের উপকূলীয় গ্রাম খাগড়াঘাট ওকৈখালি। চারপাশে পানির উৎস থাকলেও লবণাক্ততার কারণেসেই পানি পান করা কঠিন। পুকুর ও নলকূপের পানিও অনেকক্ষেত্রে পানযোগ্য নয়। ফলে এক কলস মিষ্টি পানির জন্য ছুটতেহতো দূর-দূরান্তে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তেন নারী ওশিশুরা।
এ সংকট মোকাবিলায় বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান আবুল খায়েরগ্রুপের অর্থায়নে বসানো হয়েছে দুটি আধুনিক রিভার্সঅসমোসিস বা আরও প্ল্যান্ট। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়াপ্ল্যান্ট দুটি থেকে এখন পানি সংগ্রহ করতে পারছেন স্থানীয়বাসিন্দারা।
পানির গুণগত মান পরীক্ষাতেও মিলেছে শোধনাগার দুটিরকার্যকারিতার প্রমাণ। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের খুলনাআঞ্চলিক পরীক্ষাগারের তথ্য অনুযায়ী, কৈখালির পানিতেশোধনের আগে প্রতি লিটারে মোট দ্রবীভূত কঠিন পদার্থ বাটিডিএস ছিল ৮ হাজার ২১৭ মিলিগ্রাম। শোধনের পর তা কমেহয়েছে ২৮ মিলিগ্রাম। খাগড়াঘাটে টিডিএসের পরিমাণ ৪ হাজার৮১ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৯২ মিলিগ্রামে। প্রতি লিটার পানিরব্যবস্থাপনা খরচ রাখা হয়েছে ৫০ পয়সা।
শনিববার দুপুরে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবেউপস্থিত থেকে সুপেয় পানির প্লান্টদুটি উদ্বোধন করেন আবুলখায়ের গ্রুপের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড লিগ্যাল বিভাগেরপ্রধান শেখ শাবাব আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সি আরপ্রধান ফেরদৌস ফয়সাল, বারসিক উপকূলীয় অঞ্চলের আঞ্চলিকসমন্বয়কারী শাহিন ইসলামসহ অন্যরা।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]