
সাতক্ষীরায় বুশরা গ্রুপ লিমিটেড এর বিরুদ্ধে গ্রাহকদের এফডিআরের দুই কোটি টাকার লভ্যাংশ না দিয়ে উল্টো তাদের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে অনলাইন ও পত্রিকায় মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার চাপারডাঙ্গী গ্রামের আব্দুস সত্তার মোল্লার ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বুশরা গ্রুপ লিমিটেড এর কাছে আমার সহ আরও ১৫ জনের অধিক ব্যক্তির সর্বমোট দুই কোটি টাকার এফডিআর করা আছে। চুক্তিপত্র অনুযায়ী এফডিআরের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সাল থেকে ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত। এসময় প্রতি মাসে লাখে এক হাজার পাঁচশত টাকা করে লভ্যাংশ দেওয়ার কথা থাকলেও গত ২০২৫ সাল থেকে বুশরা গ্রুপ গ্রাহকদের কোন লভ্যাংশ দিচ্ছে না। তাদের কাছে গ্রাহকদের মাসের লভ্যাংশের টাকা চাইতে গেলে তারা আজ দেব, কাল দেব বলে তালবাহানা করছে। এরই ফাঁকে গত ২৯ অক্টোবর সাংবাদিককে ভূয়া তথ্য দিয়ে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে অনলাইন পোর্টাল ও দৈনিক যশোর বার্তা সহ আরও দু'একটি পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে গাজাখুরি, আজগুবী ও কল্পনাপ্রসূত সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের তথ্যের সাথে আমার ন্যুনতম কোন সম্পৃক্ততা নেই। আমি উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
রফিকুল ইসলাম আরো বলেন, বুশরা গ্রুপের টাকা নিয়ে যখন জেলাব্যাপী মানুষ হয়রানির শিকার তারই অংশ হিসেবে আমিও গ্রাহকদের টাকা বুঝে নেওয়ার জন্য বুশরা গ্রুপের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামের শরনাপন্ন হলে তারা উভয়েই আমাকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে দুই কোটি পরিশোধ করবে মর্মে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র করে দেন। কিন্তু চুক্তিপত্র অনুযায়ী তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন টাকা পরিশোধ করেনি এবং মাসিক লভ্যাংশও দেয়নি। বরং উল্টো ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ও আমার সামাজিক মান মর্যাদা ক্ষুন্ন করার জন্য ভিত্তিহীন ও মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। এছাড়াও আমি গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরা সদর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে বুশরা গ্রুপের কোন জমি যেন রেজিস্ট্রি না হয়, সে ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। যেটা রেজিস্ট্রার মহোদয় আমলে নিয়ে দলিল লেখক সমিতিকে অভিহিত করেন।
তিনি তাদের এফডিআরের দুই কোটি টাকাসহ সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী বুশরা গ্রুপের সকল গ্রাহকরা যেন তাদের জমাকৃত আমানতের যাবতীয় টাকা ফেরত পেতে পারে তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একই সাথে বুশরা গ্রুপ তার গ্রাহকদের সাথে যে হয়রানি ও প্রতারণা করছে তা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]