
সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুরে পৌরসভার৷ পানি নিষ্কাশনে ড্রেন নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি অর্থায়নে ২ কোটি টাকা ব্যয়ে সাতক্ষীরা পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে পানি নিষ্কাশনে ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে।
নকশা অনুযায়ী পৌর সভার ৯নং ওয়ার্ডে জেলা পরিষদের সামনে থেকে নির্মান কাজ শুরু করে রসুলপুর সাবেক মহিলা কমিশনার ফারহাদিবা খান সাথির বাড়ির পাশ দিয়ে ড্রেনের সংযোগ খালে নামবে।
গত তিন মাস পূর্বে জেলা পরিষদের সামনে থেকে ড্রেন নির্মান কাজ শুরু করে ঢাকার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মনির ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন। পৌরসভার এই উন্নয়ন কাজ প্রায় ৪০০ ফুট পরিমান ড্রেন নির্মান করে রকিব ড্রাইভারের বাড়ির সামনে পৌছালে রকিব, তার ছেলে আলমগীর ও নার্গিস বেগম কাজে বাধা দেয়।
ওই উন্নয়ন কাজে অবৈধ ভাবে বাধা দেওয়ার কারনে কাজের গতি থমকে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা সাংবাদিকদের জানান, পৌরসভার নকশা অনুযায়ী কাজ চলছিল কিন্তু স্থানীয় আফতাব মাস্টারের মেয়ে নার্গিস বেগম, রকিব ও তার ছেলে আলমগীর নির্মান কাজে বাধা দেয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রকিব ড্রাইভারের বাড়ির সামনের অংশে প্রায় ১০০ ফুট জায়গায় কাজ বাদ দিয়ে অনত্রে কাজ চলমান রাখে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মহব্বত হোসেনের যোগসাজসে আফতাব মাস্টারের মেয়ে নার্গিস, রকিব ড্রাইভার ও ছেলে আলমগীর কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, রাস্তার পূর্বপাশে ডাক্তার আজিজুর রহমানের বাড়ি এবং পশ্চিম পাশে রকিব ড্রাইভারের বাড়ি। মূলত রাস্তার পশ্চিমপাশে পৌরসভার জায়গায় নকশা অনুযায়ী কাজ করলে ড্রেন টি সোজা ভাবে নির্মান হয়ে যাবে। কিন্তু রাস্তার পশ্চিমপাশে পৌসভার জায়গা স্থানীয়রা ব্যক্তিগত জায়গা হিসেবে দখলে রাখার উদ্দেশ্যে সোজা ড্রেন ঘুরিয়ে ব্যাকা করে নির্মান করার তাগিদ দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
এব্যাপারে সাব ঠিকাদার সোহেল জানান, জেলা পরিষদের সামনে থেকে সাথি কমিশনারের বাড়ি পর্যন্ত ৫৯৭ মিটার কাজ দায়িত্ব নিয়েছি। পৌরসভা যে ভাবে দেখিয়ে দেবে আমরা সে ভাবে কাজ করবো। রসুলপুর একজায়গায় কয়েক জনের বাধারমুখে বনবিভাগের সামনে কাজ বন্ধ রয়েছে। কাজ বন্ধ করে মালামাল ফেলে রাখার কারনে আমাদের ক্ষতি হচ্ছে।
এব্যাপারে, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মনির ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশনের ইমরান হোসেন বলেন, রসুলপুরে ড্রেন নির্মানে দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। একটি পক্ষ ড্রেনটি সোজা চাচ্ছে, অন্য পক্ষ ড্রেনটি একটু ঘুরিয়ে নির্মান চাচ্ছে। পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তহীনতার কারনে কাজে লেট হচ্ছে। আর যত লেট হচ্ছে, বিষয়টি তত জটিল হচ্ছে।
এব্যাপারে, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মহব্বত হোসেনের মুঠোফোনে কল করলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রকাশক : আরিফ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক : কাজী আবু ইমরান, সম্পাদক : আবু রায়হান মিকাঈল
ফেসবুক পেইজঃ facebook.com/kalaroanewsofficial, ই-মেইল : [email protected]