শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মনিরামপুরের রাজগঞ্জ অঞ্চলে স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে আমন রোপন

মনিরামপুরের রাজগঞ্জ অঞ্চলের চাষীরা আমন আবাদ করার জন্য জমি প্রস্তুত করতে গভীর নলকুপের পানি ব্যবহার করছেন। এই শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টির পানির অভাবে চলতি আমন ধান রোপন মৌসুমে রাজগঞ্জ অঞ্চলের কৃষকরা নাজেহাল হয়ে পড়ছেন। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেও প্রয়োজন মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ধানের চারা রোপন করতে পারছেন না। তাই বাধ্য হয়ে স্যালো মেশিন থেকে ঘন্টা চুক্তি পানি নিয়ে ধান রোপন করছেন তারা।

রাজগঞ্জ অঞ্চলের মাঠে মাঠে যেয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা স্যালো মেশিনে পানি তুলে জমিতে দিচ্ছে। কৃষকরা বলেন, আমন চাষের এই ভর মৌসুমে কাংখিত বৃষ্টির দেখা নেই। যে টুকু বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে জমি পাকানো যাচ্ছে না। তাই স্যালো মেশিনের উপর ভরসা করতে হচ্ছে। রাজগঞ্জ অঞ্চলের মাঠে মাঠে এই বর্ষা মৌসুমে গভীর এবং অগভীর নলকুপের সব গুলোই পুরোদমে চলছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, বৃষ্টি কম হওয়ায় এই অঞ্চলের চাষীরা স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে জমি পাকানোর কাজ করছে। তবে এখনও আমন মৌসুমের সময় আছে। আগামীতে বৃষ্টি হলে নেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

রাজগঞ্জের রোহিতা, খেদাপাড়া, হরিহরনগর, ঝাঁপা, চালুয়াহাটি ও মশ্বিমনগর এই ইউনিয়ন গুলোর মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে ধান রোপণের জন্য পর্যাপ্ত পানি নেই। পানির জন্য স্যালো মেশিন চালিয়ে পানি তুলতে হচ্ছে। স্যালো মেশিন মালিকদের নিকট থেকে ১২০-১৬০ টাকা ঘন্টা চুক্তিতে পানি ক্রয় করতে হচ্ছে চাষীদের। ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
এক দিকে কৃষি পণ্যের দাম কম, তারপরও যদি শুরুতেই পানি ক্রয় করে ধান রোপন করতে হয় তাহলে কৃষকের লোকসানের পরিমাণটা অনেক গুন বৃদ্ধি পাবে বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন কয়েকজন কৃষক।

কথা হয় ঝাঁপা ইউনিয়নের হানুয়ার গ্রামের কৃষক শাহাজান কবির সঙ্গে।
তিনি বলেন, কৃষক ধান চাষের মৌসুম পায় তিনটি। বোরো, আউস ও আমন। বোরো ধান চাষ করতে হয় শীতের সময়। তাই বোরো চাষ করতে হয় স্যালো ম্যাশিনের পানি দিয়ে। ফলে খরচ হয় অনেক বেশি। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে আউস চাষ এখন আর হয় না। তাই লাভের আশা করতে হয় আমন চাষে। কিন্তু চলতি বছরে আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেও কাংখিত বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে ধান রোপণে খুব বিপদে আছি।

ঝাঁপা গ্রামের কৃষক আসমত আলীসহ কয়েকজন জানান, যদি পানি কিনে ধান রোপন করতে হয়, তাহলে কৃষকের লোকসানের পরিমাণ অনেক বেশি হবে।

এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, আকাশের পানি আর স্যালো মেশিনের পানির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। তবে স্যালো মেশিনের পানি দিয়ে আমনের আবাদ করলে কৃষকের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

সামান্য বৃষ্টিতে মনিরামপুরের রাজগঞ্জ বাজারের রাস্তায় কাদা-পানি, চরম দুর্ভোগ

সামান্য বৃষ্টি হলেই রাজগঞ্জ বাজারের অধিকাংশ জায়গায় কাদা-পানি জমে যাওয়ায়বিস্তারিত পড়ুন

মণিরামপুরে করোনা আক্রান্ত একশ’ পার

মণিরামপুরে নতুন ১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ব্যাংকার,বিস্তারিত পড়ুন

  • বেনাপোল সীমান্তে ফেন্সিডিলসহ আটক ২
  • শার্শা কামার বাড়ী এলাকা থেকে ৭২ লিটার চোলাই মদ সহ আটক-১
  • দেশের আর্থ সামাজিক এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী
  • ট্রাকের চাপায় যবিপ্রবির শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান গুরুতর আহত
  • চার যুগ পর বাবাকে খুঁজে পেলো মেয়ে
  • কেশবপুরে ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু
  • যশোরে আত্মহত্যা প্ররোচনা, ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
  • শার্শার গোগায় জুয়ার আসর থেকে ৭ জুয়াড়ী আটক
  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জের ভাসমান সেতুতে দর্শনার্থীর উপছে পড়া ভিড়, স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত
  • মনিরামপুরের রাজগঞ্জ এলাকায় যুবকের আত্মহত্যা
  • কেশবপুরের ভালুকঘর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আ. হাই’র ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন
  • করোনায় জনসচেতনতায় যশোর সেনানিবাস