সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

মসজিদে ঈদ জামাত, ১৩ নির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের

ঈদুল আজহার নামাজ ঈদগাহ ময়দান, খোলা মাঠ বা উন্মুক্ত স্থানে নয়, মসজিদেই পড়তে হবে। একইসঙ্গে কোলাকুলি ও হাত মেলানো থেকে বিরত থাকাসহ ১৩ নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত আদায় প্রসঙ্গে বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রেক্ষাপটে শর্তসাপেক্ষে ঈদুল ফিতরের জামাত খোলা মাঠ অথবা ঈদগাহে আদায় না করে মসজিদে আদায় করা হয়। এররই ধারাবাহিকতায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ১২ জুলাই দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ঈদুল আজহার নামাজ মসজিদে আদায় করার সিদ্ধান্ত হয়।

শর্তগুলো হলো- করোনাভাইরাস পরিস্থিতিজনিত কারণে মুসল্লিদের জীবন ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদুল আজহার জামাত ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে কাছের মসজিদে আদায় করতে হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামাত আদায় করা যাবে।

জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।

প্রত্যেককে বাসা থেকে অজু করে মসজিদে আসতে হবে এবং অজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

মসজিদে অজুর স্থানে সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে।

জামাতে আগত মুসল্লিদের অবশ্যই মাস্ক পরে আসতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে। এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।

শিশু, বৃদ্ধ, যেকোনো ধরনের অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশগ্রহণ করবেন না।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

নামাজ শেষে খতিব ও ইমামরা মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া চাইবেন।

খতিব, ইমাম, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

কোরবানির ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটি এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবেন।

একই রকম সংবাদ সমূহ

করোনাকালীন মানবিক সহায়তায় যশোর সেনানিবাস

করোনায় মানুষের দুর্দশা ও অসহায়ত্ব বদলে দিয়েছে জীবনের পথ ওবিস্তারিত পড়ুন

ভৈরবে ঈদ বিনোদন: ফুরসতে জনগণের স্বস্তি, অসচেতনতায় প্রশাসনের অস্বস্তি

মেঘনা নদীর ভৈরব মোহনা। ওপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ। নদীর ওপর নির্মিতবিস্তারিত পড়ুন

পাওনা টাকা না পেয়ে ভাইয়ের দরজায় বিদেশফেরত বোনের আত্মহত্যা

বড় ভাইয়ের কাছ থেকে পাওনা টাকা ফেরত না পেয়ে বিদেশফেরতবিস্তারিত পড়ুন

  • ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৩০ জনের, শনাক্ত ১৩৫৬
  • জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাসার বাইরে যেতে মানা
  • হাটবাজার–শপিংমল খোলা রাখার সময় বাড়ল ৩‌১ আগস্ট পর্যন্ত
  • ইটনায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
  • ধামরাইয়ে বাস–পিকআপের সংঘর্ষে নিহত ৩
  • বেচাবিক্রি কমে তাঁদের পিঠ এখন দেয়ালে
  • এবার ঈদের পর ‘অন্যরকম’ ঢাকা
  • ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৮৮৬, মৃত্যু ২২
  • করোনা আর বন্যায় ভাইসা গেছে ঈদের আনন্দ
  • কোরবানির চামড়ার দামে বিপর্যয়: গরু ১৫০-৬০০, ছাগল ২-১০
  • করোনামুক্তির পর মসজিদে ঈদের নামাজ পড়লেন মাশরাফি
  • রাজধানীর বাজারে গরুর সংকট, ক্রেতারা হতাশ