সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত হবে সুপার ড্রাইভওয়ে

দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়িবাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এ কারণে ঝুঁকিতে আছে উপকূলীয় ২৫ জেলার প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ। সেই ঝুঁকি মোকাবেলায় নতুন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। বাঁধ টেকসই করতে নকশায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আর বাঁধ নির্মাণের পর রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও নেওয়া হবে নতুন পরিকল্পনা। এজন্য কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত সুপার ড্রাইভওয়ে নির্মাণ করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১৭ হাজার কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের পাঁচ হাজার ৭৫৭ কিলোমিটার বাঁধের পুরোটাই ঝুঁকিপূর্ণ। ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার পর গত ডিসেম্বরে উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। এরপর ২০ মে আঘাত হানে আম্ফান। এসব দুর্যোগ খুলনার কয়রা-পাইকগাছা ও দাকোপ, সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনি এবং বাগেরহাটের মোংলাসহ অন্যান্য উপজেলা লণ্ডভণ্ড করে দেয়।
প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকা। উপকূলের মানুষ শুরু থেকেই বলে আসছে, তাদের ত্রাণের প্রয়োজন নেই; দরকার টেকসই বাঁধ।

মেগা প্রকল্প সম্পর্কে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উপকূলীয় এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে আট হাজার কোটি টাকার চারটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে খুলনার ১৪ নম্বর পোল্ডারে ৯৫৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, ৩১ নম্বর পোল্ডারে এক হাজার ২০১ কোটি ১২ লাখ টাকা, সাতক্ষীরার ৫ নম্বর পোল্ডারে তিন হাজার ৬৭৪ কোটি তিন লাখ এবং ১৫ নম্বর পোল্ডারে ৯৯৭ কোটি ৭৮ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এসব প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। শেষ হবে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে।’

উপমন্ত্রী জানান, ওই চারটি প্রকল্পের বাইরে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণে আরো কয়েকটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বাঁধ সুরক্ষায় কক্সবাজার থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত সুপার ড্রাইভওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু বেড়িবাঁধ নয়, পুরো উপকূলের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে হাওর উন্নয়ন বোর্ডের মতো উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠনের বিষয়টি বিবেচনাধীন।

সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের নির্বাহী সদস্য পলাশ আহসান বলেন, বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জরুরি তহবিল গঠন এবং বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ওয়াপদা বাঁধের ১০০ মিটারের মধ্যে চিংড়ি বা কাঁকড়ার ঘের তৈরিতে সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা দ্রুত কার্যকর করতে হবে। নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে উপকূলের নদ-নদীর পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে।
সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ

একই রকম সংবাদ সমূহ

সাতক্ষীরার জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে ডিসি মোস্তফা কামাল

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলাবিস্তারিত পড়ুন

জোড়দিয়ায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কাবাডি খেলা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের জোড়দিয়া গ্রামে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহীবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ার সদ্যসাবেক ওসি শেখ মুনীর কক্সবাজার সদর মডেল থানার দায়িত্বে

কলারোয়া থানার সদ্যসাবেক অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলহাজ্ব শেখ মুনীর-উল-গীয়াস যোগবিস্তারিত পড়ুন

  • সাতক্ষীরায় নব-নির্মিত পরিবার পরিকল্পনা ভবনের উদ্বোধন
  • ভোমরা বন্দরে ভারতীয় পাথরের ওজনে কম আমদানীর অভিযোগ
  • চকলেটে প্রাণ গেলো শিশু জান্নাতের!
  • আশাশুনির প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যানকে নিয়ে মিথ্যেচারকারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
  • অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের ইন্তেকাল: সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক
  • অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এঁর মৃত্যুতে এমপি রবি’র গভীর শোক
  • সাতক্ষীরায় প্রাণসায়ের খালের বাঁধ অপসারণের দাবিতে পানিবন্দি মানুষের মানববন্ধন
  • সাতক্ষীরায় জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মতবিনিময় সভা
  • কল্পনা নয় ধারনা নয়, বাস্তব
  • সাতক্ষীরায় বিয়ের দাওয়াতে এসে ১৫ বছর পর মাকে খুঁজে পেলেন ছেলে!
  • কলারোয়ায় গ্রীষ্মকালীন টমেটো ক্ষেত পরিদর্শনে ঊর্দ্ধতন কৃষি কর্মকর্তারা
  • পাটকেলঘাটায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসায়ীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী!