সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

জলবায়ু তহবিলে অর্থ বাড়াতে সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য অভিযোজন তহবিল বাড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘এফ২০ ক্লাইমেট সলিউশন উইক’ উপলক্ষে মঙ্গলবার এক ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্যে এই আহ্বান জানান তিনি।

এফ২০ এবং কিং খালেদ ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনের এই সভায় বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা।

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বৃহত্তর সহযোগিতা, শক্তিশালী ও গ্রিন মেকানিজম এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার উপর জোর দেন।

তিনি বলেন, “আমরা জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য অভিযোজন তহবিল বৃদ্ধি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং জি-২০-এর কাছ থেকে শক্তিশালী সমর্থন কামনা করছি।”

বাস্তুচ্যুত অথবা জলবায়ু শরণার্থী ইস্যুতে বৈশ্বিক সমর্থন জোগাতে জি ২০কে বৃহত্তর দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ““বাংলাদেশের চেয়ে এই পরিস্থিতি সম্পর্কে কেউ ভালো জানে না।

“মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের কারণে প্রকৃতি ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, সবুজ জলবায়ু তহবিল (জিসিএফ) এবং স্বল্পোন্নত দেশসমূহ তহবিলের (এলডিসিএফ) মতো বৈশ্বিক অর্থায়ন তহবিলে মারাত্মক সম্পদ ঘাটতি অত্যন্ত দুঃখজনক।

জি ২০ এর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ, বিশ্বের জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ এবং বিশ্বের মোট আয়তনের প্রায় অর্ধেকই হচ্ছে জি-২০ অর্থনীতিভুক্ত।

“সুতরাং, বৈশ্বিক জলবায়ু এবং টেকসই পরিবেশের যে কোনো ভালো ফলাফলের জন্য জি-২০ এর মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জি-২০ এর আগে দেখিয়েছে যৌথভাবে তারা বিশ্ব সম্প্রদায়ের সুবিধার জন্য অনেক উপকারী পদক্ষেপ নিতে পারে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব।

“টেকসই পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কোনো জায়গায় টেকসই পরিবেশ ভঙ্গুর হলে সব জায়গায়ং তা পুরোপুরি বিঘ্নিত হবে। জলবায়ু পরিবর্তন চূড়ান্ত অস্তিত্বের জন্যই হুমকি এবং এর পরিণতি নিকট ও দূর ভবিষ্যতে আরও খারাপ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বন্যা, বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, ভূমিধস, খরার সম্মুখীন হওয়ার কথা তুলে ধরেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন,জলবায়ু পরিবর্তনের সূচনাই হয়েছে মানব কর্মকাণ্ডের ফলে টেকসই পরিবেশ নষ্ট হওয়ার কারণে।

“এ কারণে একটি উচ্চাভিলাষী সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপ এ সময়ের জন্য খুবই জরুরি এবং জি-২০ এর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছাড়া আমাদের শিশু ও ভবিষ্যতকে সুরক্ষা দেয়া যাবে না,” বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে অর্থনীতিতে উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে তাদের উৎপাদন ও ভোগের পুনঃনির্ধারণ কামনা করি।”

একই রকম সংবাদ সমূহ

মাস্ক পরে মসজিদে যাওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মসজিদে নামাজ আদায়ের সময় মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক ১৪ দিনের রিমান্ডে

অবৈধ অস্ত্র ও জাল টাকা উদ্ধারের ঘটনায় করা পৃথক দুইবিস্তারিত পড়ুন

বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুমাত্রিক: সেতুমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতেরবিস্তারিত পড়ুন

  • ভিপি নূরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
  • ভারতীয় সেজে অভিনব প্রতারণা, ফাঁদে পড়ে সাবেক সচিব হারালেন ২ কোটি টাকা
  • অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
  • দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪০, শনাক্ত ১৭০৫
  • যে ৬টি কাজ করলে ৬ বছরেই পিঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে বাংলাদেশ
  • প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের চেক ও ১ লাখ পিস সার্জিক্যাল মাস্ক হস্তান্তর
  • শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি’র রুটিন দায়িত্বে কলারোয়ার শেখ রেজাউল করিম
  • স্বাস্থ্যের গাড়িচালকের শত কোটি টাকার সম্পদ: র‌্যাব
  • শীতে করোনা পরিস্থিতির প্রস্তুতি নিন: প্রধানমন্ত্রী
  • শীতের আগেই অধিকাংশ মানুষের অ্যান্টিবডি হবে
  • ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার কলারোয়ার সাইদুরের দাদী আর নেই
  • ইউএনও ওয়াহিদাকে ওএসডি, স্বামীকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে বদলি