শনিবার, আগস্ট ৮, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

নড়াইলে ‘ম্যানেজ’ করে চলছে অবৈধ ইটভাটা, পুড়ছে কাঠ

নড়াইল জেলার বিভিন্ন গ্রামে বেশ কয়েকটি অনুমোদনহীন ইটভাটায় কাঠ দিয়ে বছরের পর বছর ধরে ইট পোড়ানো হলেও তা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে চলছে এসব অবৈধ ইটভাটা। সংশ্লিষ্টদের হাত করে এসব ভাটা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন ভাটা সংশ্লিষ্টরা।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী ইটভাটা স্থাপন করতে হাইব্রিড হফম্যান, জিগ-জ্যাগ, ভার্টিক্যাল শ্যাফট কিলন্ অথবা পরীক্ষিত নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের বিধান রয়েছে। তবে জেলার শিয়রবর, কাঠালতলা, আড়িয়ারা, কালনাঘাট বসুপটি, চৌগাছা, বুড়িখালিসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে অনুমোদন ও পরিবেশ অধিফতরের ছাড়পত্র ছাড়াই একাধিক ইটভাটা চলছে। সবগুলো ইটভাটায় লোকালয়ের পাশে এবং ফসলি জমিতে স্থাপন করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শালনগর ইউনিয়নের শিয়রবর গ্রামে হীরা ব্রিকসের মালিক আবুল হাসান মোল্লা প্রতিদিন শতশত মন কাঠ ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছেন।

ভাটা শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপকালে গেছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে নসিমন, ট্রাক্টর, এবং ঘোড়ার গাড়িতে কাঠ সংগ্রহ করা হয়। আর সেই কাঠ দিয়েই বছরের পর বছর ধরে চলছে এই ইটভাটা।

নড়াইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানায়, লোহাগড়া উপজেলায় ২৫টি ইটভাটা আছে। যার মধ্যে জিকজ্যাক দু’টি, ফিক্সড পাঁচটি, টিন চিমনি আছে সতেরটির। এর বেশিরভাগই চলছে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়া।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০)-এর ১২ ও ৪(২) (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফসলি জমিতে অথবা ফসলি জমির পাশে ইটভাটা স্থাপন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে লোকালয়ে এবং ফসলি জমিতে স্থাপিত লোহাগড়া উপজেলার এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসন অথবা পরিবেশ অধিদফতরের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
তারা জানান, যারা ইটভাটা করছেন তারা প্রভাবশালী। এ কারণে ইটভাটার ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হলেও মানুষ ভয়ে কিছু বলছে না।

অনুমোদন ছাড়াই কিভাবে ভাটা চলছে জানতে চাইলে শালনগর ইউনিয়নের শিয়রবর গ্রামে প্রায় ৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থাপিত মেসার্স হীরা ব্রিকসের মালিক আবুল হাসান মোল্লা জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রতিদিন শতশত মণ কাঠ পুড়িয়ে পরিবেশ ধ্বংস বন্ধে জেলা প্রশাসন কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যহত থাকবে। আমরা প্রতিবছরই অবৈধ ইটভাটা কখনও ভেঙে দিয়ে আসি। কখনও কখনও জরিমানা করি। আমরা গতবছরই তাদের সতর্ক করেছিলাম, এবছর কেউ অবৈধভাবে ভাটা চালু করবে না।’

এরপরও যদি কেউ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ভাটা চালু করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

একই রকম সংবাদ সমূহ

চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগবিস্তারিত পড়ুন

জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশা ২ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন বৃদ্ধ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার আয়োজন করে এলাকায় আলোচনার জন্মবিস্তারিত পড়ুন

  • ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা: বিএনপি নেতা ড. মনিরুজ্জামান
  • সাতক্ষীরায় জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ তালা উপজেলা বিএনপি’র
  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বেনাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ
  • গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক জনগণ: প্রধানমন্ত্রী
  • গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের প্রাক্কালে বুলেটে থেমে যায় ক্রিকেটার রিয়ানের স্বপ্ন
  • ভারতে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইলের আওয়ামীলীগ নেতা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার
  • ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
  • সাতক্ষীরায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বৃদ্ধা নানির পাশে ডিসি, পেলেন নগদ অর্থ ও টিন
  • সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • সব মোটরযানের জন্য বিআরটিএর কড়া নিষেধাজ্ঞা
  • ভারতের পুশইনে ভারতীয় নারী, ঠায় এখনো কলারোয়ায়