শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘আর্টিকেল নাইনটিন’। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এই কথা জানানো হয়।

সংগঠনটির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল বলেন, আর্টিকেল নাইনটিনের হিসাব অনুযায়ী ২০২০ সালের জানুয়ারি হতে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত আড়াই বছরে ১৭৭ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ৮৯টি মামলা হয়েছে। এই সাংবাদিকদের মধ্যে ৫৩ জনকে বিনাবিচারে দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ধারাবাহিক অবদমন ও নাগরিক অধিকারের ক্রমাগত সংকোচন বিষয়ে আর্টিকেল নাইনটিন উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউয়ের (ইউপিআর) তৃতীয় পর্বের সুপারিশ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে একটি সমন্বিত ও কার্যকর জাতীয় ব্যবস্থা তৈরির আহ্বান জানিয়েছে আর্টিকেল নাইনটিন।

এছাড়া সংস্থাটির জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের চলমান বাংলাদেশ সফরের প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে চার বছর আগে বাংলাদেশ সরকারের করা অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি তুলে ধরারও আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৩৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ সরকার ইউপিআরের আওতায় বিভিন্ন রাষ্ট্রের ১৭৮ সুপারিশ গ্রহণ করে, যার মধ্যে অন্তত ২৫টি সুপারিশ ছিল মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা ও শক্তিশালী করা সম্পর্কিত। নিয়ম অনুযায়ী গৃহীত সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে পরবর্তী পাঁচ বছর সময় পাওয়া যায়। সেই হিসেবে, বাংলাদেশ সরকার তৃতীয় পর্যায়ের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের শেষ বছরে রয়েছে। আগামী বছর ২০২৩ সালের জুনে বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা নিয়ে সরকারকে জাতীয় প্রতিবেদন জমা দিতে হবে এবং নভেম্বরে পর্যালোচনায় অংশ নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে ফারুখ ফয়সাল বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর সম্ভাব্য অপব্যবহার ও অপপ্রয়োগ বিষয়ে ইউপিআরে উচ্চমাত্রার উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও সরকার তখন সেটি আমলে নেয়নি। দেরিতে হলেও এই আইনের অপপ্রয়োগ ও অপব্যবহারের কথা স্বীকার করে সরকার বর্তমানে একটি কমিটি করেছে বলে জানানো হয়েছে। সেই কমিটি এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বলে সরকার সফররত মানবাধিকার হাইকমিশনারকে জানিয়েছে। এই প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য এবং আইনটির চিহ্নিত নিবর্তনমূলক ধারাগুলো অবিলম্বে বাতিল করার দাবি জানায় আর্টিকেল নাইনটিন।

তিনি আরও বলেন, ইউপিআর প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ এবং সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন বাংলাদেশের জন্য একটি অগ্রাধিকার ইস্যু বলে সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বলে থাকেন। আবার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের মানবাধিকারবিষয়ক অঙ্গীকারের মধ্যে অন্যতম। অথচ এ সংক্রান্ত ইউপিআর সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকার আদৌ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে কি না- তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের পরিকল্পনা সরকারের

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট কমাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়েবিস্তারিত পড়ুন

স্বাস্থ্য খাতে ৪৩ হাজার ৩৯০ জন নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী তিন মাসের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বড় পরিসরে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবেবিস্তারিত পড়ুন

সনাতনীদের ‘ভোট ব্যাংক’ ভাবার ধারণা ভেঙে দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক’- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই ধারণাবিস্তারিত পড়ুন

  • আন্দোলনের হুমকি নয়, সরকারকে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে পরামর্শ দিন: রিজভী
  • পররাষ্ট্রনীতিতে দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে: হুমায়ুন কবির
  • অপশক্তির বিরুদ্ধে সনাতনীরা সরকারের পাশে থাকবে, আইনমন্ত্রীর আশা
  • ভিসাপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের সতর্কবার্তা দিলো ভারতীয় হাইকমিশন
  • প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি : সিফাতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, তোলা হলো আদালতে
  • কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা
  • বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপালকে ১ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিলো বাংলাদেশ
  • সমাজবিরোধী অপশক্তি যেন মাথাচাড়া দিয়ে না উঠে: প্রধানমন্ত্রী
  • মাথাব্যথা হয়েছে, মাথা কর্তন করা যায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সংসদকে যা জানালেন মন্ত্রী আরিফুল
  • জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত কোনো হকার বসবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক
  • উল্টো পথে মন্ত্রীর গাড়ি, দুই মামলা দিল পুলিশ